
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, গৌতম বুদ্ধের যে নীতি, অহিংসবাদ সম্প্রীতি, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, হিংসা-বিদ্বেষ বিহীন দেশ, এটাই আমরা গড়ে তুলতে চাই। এদেশ সবার, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান- মুসলমান সবার এই দেশ। এই সম্প্রীতি বজায় রেখে আমরা বাস করতে চাই।
রবিবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে সম্প্রীতি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ আজকের এই অনুষ্ঠান। এখানে সম্প্রীতির সমাবেশ ঘটেছে। আমরা বুদ্ধের নীতি অনুসারে দেশকে গড়ে তুলতে চাই। সেই উদ্দেশ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।’
তিনি বলেন, আমরা চাই পার্বত্য চট্টগ্রামে যেন শান্তি বিরাজ করে, তার জন্য যা কিছু করতে হয় তা করতে আমার রাজি আছি। সমগ্র দেশের সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য যা কিছু করতে হয়, সেটা করতে সদা প্রস্তুত থাকব। আমরা সবাই মিলে এই দেশ ও জাতিকে একটা শান্তির জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। গৌতম বুদ্ধের বাণী এই সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা শান্তির দেশ চাই, শৃঙ্খলার দেশ চাই। আমরা এখানে হানাহানি, বিদ্বেষ চাই না। সবার বিভিন্ন মত থাকতে পারে। অবশেষে আমরা সবাই সবাইকে যেন শ্রদ্ধা করি। একে অপরের বক্তব্য, মতামতকে যেন শ্রদ্ধা করি। আমাদের নিজস্ব মতামত থাকবে সেই অনুযায়ী কাজ করব।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই পার্বত্য চট্টগ্রামে যেন শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকে। সেখানে শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সবই করবে সেনাবাহিনী।’

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, গৌতম বুদ্ধের যে নীতি, অহিংসবাদ সম্প্রীতি, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, হিংসা-বিদ্বেষ বিহীন দেশ, এটাই আমরা গড়ে তুলতে চাই। এদেশ সবার, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান- মুসলমান সবার এই দেশ। এই সম্প্রীতি বজায় রেখে আমরা বাস করতে চাই।
রবিবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে সম্প্রীতি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ আজকের এই অনুষ্ঠান। এখানে সম্প্রীতির সমাবেশ ঘটেছে। আমরা বুদ্ধের নীতি অনুসারে দেশকে গড়ে তুলতে চাই। সেই উদ্দেশ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।’
তিনি বলেন, আমরা চাই পার্বত্য চট্টগ্রামে যেন শান্তি বিরাজ করে, তার জন্য যা কিছু করতে হয় তা করতে আমার রাজি আছি। সমগ্র দেশের সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য যা কিছু করতে হয়, সেটা করতে সদা প্রস্তুত থাকব। আমরা সবাই মিলে এই দেশ ও জাতিকে একটা শান্তির জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। গৌতম বুদ্ধের বাণী এই সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা শান্তির দেশ চাই, শৃঙ্খলার দেশ চাই। আমরা এখানে হানাহানি, বিদ্বেষ চাই না। সবার বিভিন্ন মত থাকতে পারে। অবশেষে আমরা সবাই সবাইকে যেন শ্রদ্ধা করি। একে অপরের বক্তব্য, মতামতকে যেন শ্রদ্ধা করি। আমাদের নিজস্ব মতামত থাকবে সেই অনুযায়ী কাজ করব।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই পার্বত্য চট্টগ্রামে যেন শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকে। সেখানে শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সবই করবে সেনাবাহিনী।’

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন-এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী তিনি পদত্যাগ করায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
৭ ঘণ্টা আগে
পদত্যাগপত্রে বেশ কয়েকটি শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত বলে উল্লেখ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। বলেছেন, তিনি ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’ নামে একটি রোগে আক্রান্ত বলে সম্প্রতি ধরা পড়েছে, যার কারণে তিনি কখনো কখনো অচেতন হয়ে পড়েন।
৮ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে স্পিকারের কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব। এ অবস্থায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
৯ ঘণ্টা আগে