
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের ছয় মাস পরও পক্ষ শক্তিকে দোসরদের হাতে খুন হতে হয়, এটাই বর্তমান সরকারের প্রধান ব্যর্থতা। হয় আওয়ামী লীগ থাকবে, না হয় আমরা থাকব।’ বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গাজীপুরে হামলায় নিহত মো. কাসেম খানের জানাজায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আজকে আয়না ঘর প্রকাশিত হয়েছে, আজকেই অভ্যুত্থান বিষয়ক জাতিসংঘের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, আজকেই আমাদের ভাই শহীদ হলেন। বিপ্লবী ভাইয়ের শাহাদাত আমাদের ব্যর্থতা। আমরা এতদিন পর্যন্ত সুবিচার নিশ্চিত করতে পারিনি, আমরা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে পারিনি।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর এ ভূখণ্ডের দখল আমরা পেয়েছি। এ ভূখণ্ডে হয় আমরা থাকব না হলে আওয়ামী লীগ থাকবে। বিপ্লবীরা ও আওয়ামী লীগ একসঙ্গে এ দেশে থাকতে পারে না। আমরা স্পষ্ট করে সরকারকে বলতে চাই, দ্রুততম সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীর শাস্তি নিশ্চিত করুন এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করুন।
কফিন মিছিলে ছাত্র-জনতা- ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’; ‘আওয়ামী লীগের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’; ‘আমার ভাই কফিনে, খুনি কেন বাহিরে’; ‘ছাত্র-জনতার অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’; ‘হৈ হৈ রৈ রৈ, খুনি হাসিনা গেলি কই’; ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ, ইনকিলাব জিন্দাবাদ’; ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না’- ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
মিছিলে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, গাজীপুরে অভ্যুত্থানের ৬ মাস পরে আমাদের ভাইকে কুপিয়ে শহীদ করা হলো। আমরা কিছুই করতে পারলাম না। লাশ সামনে নিয়ে বিগত দিনের ফ্যাসিবাদকে মনে পড়ছে। যে আওয়ামী লীগ আমার ভাইকে শহীদ করেছে সেই আওয়ামী লীগ এ দেশে রাজনীতি করার বিন্দু পরিমাণ অধিকার রাখে না। শহীদের লাশের শপথ করে বলছি, শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাব।
কাশেমের মৃত্যুর ঘটনায় এর আগে কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। কর্মসূচি অনুযায়ী— সারা দেশের প্রত্যেক জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামে শহীদ আবুল কাশেমের গায়েবানা জানাজা এবং আওয়ামী লীগের বিচার ও নিষিদ্ধের দাবিতে খাটিয়া মিছিল করা হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের ছয় মাস পরও পক্ষ শক্তিকে দোসরদের হাতে খুন হতে হয়, এটাই বর্তমান সরকারের প্রধান ব্যর্থতা। হয় আওয়ামী লীগ থাকবে, না হয় আমরা থাকব।’ বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গাজীপুরে হামলায় নিহত মো. কাসেম খানের জানাজায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আজকে আয়না ঘর প্রকাশিত হয়েছে, আজকেই অভ্যুত্থান বিষয়ক জাতিসংঘের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, আজকেই আমাদের ভাই শহীদ হলেন। বিপ্লবী ভাইয়ের শাহাদাত আমাদের ব্যর্থতা। আমরা এতদিন পর্যন্ত সুবিচার নিশ্চিত করতে পারিনি, আমরা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে পারিনি।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর এ ভূখণ্ডের দখল আমরা পেয়েছি। এ ভূখণ্ডে হয় আমরা থাকব না হলে আওয়ামী লীগ থাকবে। বিপ্লবীরা ও আওয়ামী লীগ একসঙ্গে এ দেশে থাকতে পারে না। আমরা স্পষ্ট করে সরকারকে বলতে চাই, দ্রুততম সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীর শাস্তি নিশ্চিত করুন এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করুন।
কফিন মিছিলে ছাত্র-জনতা- ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’; ‘আওয়ামী লীগের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’; ‘আমার ভাই কফিনে, খুনি কেন বাহিরে’; ‘ছাত্র-জনতার অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’; ‘হৈ হৈ রৈ রৈ, খুনি হাসিনা গেলি কই’; ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ, ইনকিলাব জিন্দাবাদ’; ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না’- ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
মিছিলে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, গাজীপুরে অভ্যুত্থানের ৬ মাস পরে আমাদের ভাইকে কুপিয়ে শহীদ করা হলো। আমরা কিছুই করতে পারলাম না। লাশ সামনে নিয়ে বিগত দিনের ফ্যাসিবাদকে মনে পড়ছে। যে আওয়ামী লীগ আমার ভাইকে শহীদ করেছে সেই আওয়ামী লীগ এ দেশে রাজনীতি করার বিন্দু পরিমাণ অধিকার রাখে না। শহীদের লাশের শপথ করে বলছি, শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাব।
কাশেমের মৃত্যুর ঘটনায় এর আগে কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। কর্মসূচি অনুযায়ী— সারা দেশের প্রত্যেক জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামে শহীদ আবুল কাশেমের গায়েবানা জানাজা এবং আওয়ামী লীগের বিচার ও নিষিদ্ধের দাবিতে খাটিয়া মিছিল করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে সম্পূর্ণ নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনের পাশাপাশি খাতা মূল্যায়নেও যথাযথ নিয়ম অনুসরণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, কোনো পরীক্ষক মূল্যায়নে অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১ ঘণ্টা আগে
৬৪ বাংলাদেশিসহ ১২৭ বন্দিকে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। ফেরত পাঠানো সব বন্দির নাম দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে সৌদি আরবে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি আব্দুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ দেশে এসেছে। সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় মামুনের মরদেহ।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় সফররত বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। গতকাল রোববার (৫ এপ্রিল) তার ভিসা বাতিল করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে