সরাসরি

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

১৪: ২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল শিগগিরই: ইসি মাছউদ

মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ফলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তফসিল দ্রুতই ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি বলেন, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। মো. সাহাবুদ্দিন আজ (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করেছেন। ৯০ দিনের মধ্যেই নির্বাচন হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নিজেই রিটার্নিং কর্মকর্তা থাকবেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয় সংসদ সদস্যদের ভোটে। সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাদের মনোনীত কোনো প্রার্থী থাকলে তিনিই রাষ্ট্রপতি হবেন, তা বলাই বাহুল্য।

ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, আগামীকাল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় আগামী রোববার বা তার পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিলের বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেবে।

১৪: ১৯

স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরে গেছে: জামায়াত আমির

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগে জাতির ওপর থেকে স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি ২০২৪ সালের গণহত্যায় নীরব সহযোগীর ভূমিকা পালন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, তিনি (সাহাবুদ্দিন) একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ছায়া সরে গেল।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে অভিনন্দন জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন— এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এ দায়িত্ব পালনে জামায়াতে ইসলামী তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আমরা চাই, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি এমন কেউ হোন, যিনি কোনো তোষামোদকারী নন।’

১৪: ১৩

১৪: ১২

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলই সবচেয়ে উপযুক্ত: আসিফ নজরুল

মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন— তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল মনে করছেন, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ পদে সবচেয়ে উপযুক্ত প্রার্থী।

শুক্রবার বিকেলে এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেছেন, মির্জা ফখরুল এ পদের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি। শেখ হাসিনার শাসনামলে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে তিনি দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং ত্যাগ স্বীকার করেছেন। রাজনীতিবিদদের মধ্যে মির্জা ফখরুল একজন মডারেট, সদাচারী ও সুবক্তা।

আসিফ নজরুলের ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘদিনের বোঝাপড়ার সম্পর্ক রয়েছে। বিএনপিতে আরও যোগ্য ব্যক্তি থাকলেও সার্বিক বিবেচনায় তিনি মির্জা ফখরুলকেই এগিয়ে রাখেন।

১৪: ০৯

স্পিকারের আসনে কায়সার কামাল

পদত্যাগ করেছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী, তিনি পদত্যাগ করায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন স্পিকার। তিনি নিজেই সংবাদ সম্মেলন করে জানান, তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধান অনুযায়ী, কোনো কারণে রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে বা অবর্তমানে বা রাষ্ট্রপতি কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অসামর্থ্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে স্পিকারের অবর্তমানে সে দায়িত্ব পালন করবেন ডেপুটি স্পিকার।

তবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত স্পিকার হিসেবে ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো শপথ নিতে হবে না বলে জানান হাফিজ উদ্দিন।

তিনি বলেন, যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের জন্যও শপথ নিয়েছি। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার শপথ নেওয়ার সময়ও শপথের অংশ হিসেবে উল্লেখ থাকে— কোনো কারণে স্পিকারের পদ শূন্য হলে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।

১৩: ৫৮

আমার সুদৃঢ় ভূমিকায় দেশে সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি: সাহাবুদ্দিন

জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নিজে ‘সুদৃঢ় ও ইতিবাচক’ ভূমিকা রেখেছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি।

তিনি লিখেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়। সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের অভিপ্রায়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত কামনা করি।

মো. সাহাবুদ্দিন আরও লিখেছেন, এরপর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদের (ত্রয়োদশ) সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করে।

এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। সরকারি দল তাদের আস্থাভাজন হিসেবে সংসদ নেতা ও সরকারপ্রধান নির্বাচিত করে তারেক রহমানকে। তাকেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ান মো. সাহাবুদ্দিন।

বিদায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার গঠিত হয়ে সরকার পরিচালনা করছে। বর্তমানে সরকারি দল ও বিরোধী দল গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে। আমার সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।

১২: ৩৫

যে জটিল রোগে অচেতন হয়ে যান বিদায়ী রাষ্ট্রপতি

পদত্যাগপত্রে বেশ কয়েকটি শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত বলে উল্লেখ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। বলেছেন, তিনি ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’ নামে একটি রোগে আক্রান্ত বলে সম্প্রতি ধরা পড়েছে, যার কারণে তিনি কখনো কখনো অচেতন হয়ে পড়েন।

মো. সাহাবুদ্দিন তার পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই।

১১: ৪৭

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন স্পিকার

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে সংসদ সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার নিজেই এ ঘোষণা দিয়েছেন।

স্পিকার বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজ ২৪ জুলাই, ৯ শ্রাবণ, শুক্রবার অপরাহ্ন ৫টা ১ মিনিটে আমার নিকট পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন। ফলশ্রুতিতে আমি সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।

তিনি আরও বলেন, পদত্যাগপত্রটি আমি গ্রহণ করেছি। এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের রেকর্ডে সংরক্ষণ ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।

১১: ৪০

শুক্রবার বিকেলে সংসদ সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ছবি: টিভি থেকে
১১: ৩৭

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন, তার মঙ্গল কামনা করি: স্পিকার

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৫টা ১ মিনিটে তিনি সেই পদত্যাগপত্র দাখিল করেছেন।

স্পিকার বলেন, পদত্যাগপত্রটি আমি তিনি গ্রহণ করেছেন। সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

স্পিকার বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন। আমি তার মঙ্গল কামনা করি। তিনি মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রতি তিনি সমর্থন ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন সবসময়।

১১: ৩২

সংবাদ সম্মেলনস্থলে স্পিকার

বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সংসদ সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনস্থলে হাজির হয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। কিছুক্ষণের মধ্যেই সংবাদ সম্মেলন শুরু হবে।

১১: ২৩

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, হৃদযন্ত্র ও কিডনির জটিলতার পাশাপাশি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তিনি। এ ছাড়া অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামক একটি রোগও সম্প্রতি শনাক্ত হয়েছে। এ রোগের কারণে তিনি মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়েন। এসব কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্রটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো—

আমি মো. সাহাবুদ্দিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করি এবং অদ্যাবধি নিষ্ঠা, সততা ও সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সরকারের পতনের পর দেশে শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংকটের সৃষ্টি হয়। সাংবিধানিক সংকট থেকে উত্তরণের অভিপ্রায়ে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত কামনা করি। এরপর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করে।

নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার গঠিত হয়ে সরকার পরিচালনা করছে। বর্তমানে সরকারি দল ও বিরোধী দল গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে। আমার সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ভূমিকার কারণে দেশে কোনো সাংবিধানিক বিপর্যয় ঘটেনি।

আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানিং স্বাস্থ্য পরিক্ষায় অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগগুলোর প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।

এ অবস্থায় সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।

১১: ১৮

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র, দ্বিতীয় অংশ। ছবি: সংগৃহীত
১১: ১৪

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র, প্রথম অংশ। ছবি: সংগৃহীত
১১: ০৯

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির

দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে স্পিকারের কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব।

পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের কারণ হিসেবে তার শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। বলেছেন, তিনি যেসব শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত, তার জন্য দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন। সে কারণেই তিনি রাষ্ট্রপতির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছেন।

১১: ০৫

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ অবস্থায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ধারণা করা হচ্ছে, সংবাদ এই সম্মেলনেই তিনি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন।

এ বিষয়ে সবশেষ তথ্য পেতে যুক্ত থাকুন রাজনীতি ডটকমের সঙ্গে।