
চবি প্রতিনিধি

‘রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলাবিরোধী অপতৎপরতা’য় লিপ্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠন করেছে।
জুলাই আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের গোপন তৎপরতা চালানোর খবরের প্রেক্ষাপটে চবি প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষকদের তালিকায় চবির ৯ শিক্ষকের নাম পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) চবি রেজিস্ট্রার দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। ডেপুটি রেজিস্ট্রার খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক সংগঠনকে সক্রিয় করার লক্ষ্যে দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের অপতৎপরতা সংক্রান্ত একটি সংবাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের প্রচলিত আইন, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের শামিল। নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ও শৃঙ্খলাবিরোধী তৎপরতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চবি প্রশাসন আরও বলেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় মুক্তবুদ্ধির চর্চা, আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আড়ালে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলাবিরোধী কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা, নৈতিক অবস্থান ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এর আগে একটি অনলাইন পোর্টালে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের তৎপরতার খবর প্রকাশ পায়। ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামে টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে একটি ‘সিক্রেট গ্রুপে’র পুরো বিষয়টি সমন্বয় করা হয়।
এই ফোরামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান। সাধারণ সম্পাদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান।
এই গ্রুপে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন শিক্ষকের নাম পাওয়া গেছে— শ্যামল রঞ্জন চক্রবর্তী, প্রতীক, আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক ভূঁইয়া, ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক ড. হানিফ সিদ্দিকী, নাজনীন সরকার সুরভী, শ্যাম দত্ত ও অধ্যাপক আসাদ।
৪০৪ শিক্ষকের এ তালিকায় সবচেয়ে বেশি নাম এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে— ৯২ জন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮ জনের নাম রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। এ ছাড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২ জন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮ জন এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ জন শিক্ষকের নাম রয়েছে ৪০৪ জনের মধ্যে।

‘রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলাবিরোধী অপতৎপরতা’য় লিপ্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠন করেছে।
জুলাই আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের গোপন তৎপরতা চালানোর খবরের প্রেক্ষাপটে চবি প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষকদের তালিকায় চবির ৯ শিক্ষকের নাম পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) চবি রেজিস্ট্রার দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। ডেপুটি রেজিস্ট্রার খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক সংগঠনকে সক্রিয় করার লক্ষ্যে দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের অপতৎপরতা সংক্রান্ত একটি সংবাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের প্রচলিত আইন, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের শামিল। নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ও শৃঙ্খলাবিরোধী তৎপরতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চবি প্রশাসন আরও বলেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় মুক্তবুদ্ধির চর্চা, আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আড়ালে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী রাষ্ট্র ও শৃঙ্খলাবিরোধী কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা, নৈতিক অবস্থান ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এর আগে একটি অনলাইন পোর্টালে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের তৎপরতার খবর প্রকাশ পায়। ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামে টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে একটি ‘সিক্রেট গ্রুপে’র পুরো বিষয়টি সমন্বয় করা হয়।
এই ফোরামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান। সাধারণ সম্পাদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান।
এই গ্রুপে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন শিক্ষকের নাম পাওয়া গেছে— শ্যামল রঞ্জন চক্রবর্তী, প্রতীক, আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক ভূঁইয়া, ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক ড. হানিফ সিদ্দিকী, নাজনীন সরকার সুরভী, শ্যাম দত্ত ও অধ্যাপক আসাদ।
৪০৪ শিক্ষকের এ তালিকায় সবচেয়ে বেশি নাম এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে— ৯২ জন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮ জনের নাম রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। এ ছাড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২ জন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮ জন এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ জন শিক্ষকের নাম রয়েছে ৪০৪ জনের মধ্যে।

সার্কভুক্ত দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভাইস চ্যান্সেলর) অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি বলেছেন, বিশেষ করে নেপালের শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত করা হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে কোনো পরীক্ষা হবে না। এক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট থেকে পাওয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এরপর অক্টোবরের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়নে এর কার্যক্রম শুরু হবে।
১১ ঘণ্টা আগে