
জিয়াউল কবির দুলু

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছিল, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেই নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তির পদ্ধতি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেখানে হুট করে কোনো কার্যকর বৈঠক ছাড়াই লটারি বাতিল করে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত আমাদের বিস্মিত করেছে। যেখানে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা সেই নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে, সেখানে ৯ মাস আগেই এমন তড়িঘড়ি ঘোষণা দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
এ সিদ্ধান্তের ফলে ধারণা হতেই পারে, এমন তাড়াহুড়োর পেছনে মূল উদ্দেশ্য হলো ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত কোচিংবাজ শিক্ষকদের সুবিধা করে দেওয়া। কারণ ঘোষণার পরদিনই অনেক স্কুলে কোচিংয়ের নাম লেখানোর সিরিয়াল পড়ে গেছে।
আমি মনে করি, প্রথম শ্রেণির বাচ্চাদের জন্য কোনো পরীক্ষাই হওয়া উচিত নয়। কারণ যে শিশুটি এখনো অ-আ-ক-খ শেখেনি, যে স্কুলেই আসবে পড়া শিখতে, তার জন্য পরীক্ষা কী! ভর্তির আগেই মেধা যাচাইয়ের নামে এই পরীক্ষা নেওয়াটা চরম হঠকারিতা।
বিশ্ববিদ্যালয় বা একাদশ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। কারণ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত পড়ালেখা করা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পাঁচ-ছয় বছর বয়সী শিশুদের পার্থক্য রয়েছে। এই বয়সেই শিশুদের ওপর ভরতি পরীক্ষার চাপ দেওয়ার অর্থ তাদের শৈশবের ওপরই এক ধরনের মানসিক ধকল ও চাপ তৈরি করা।
এ তো গেল একদিক, অন্যদিকে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে নানা তুঘলকি কার্যক্রমও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। ২০০৪ সাল থেকে এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, ভর্তি পরীক্ষার আড়ালে চলে এক ধরনের ভয়াবহ অনিয়ম, নানা ধরনের দুর্নীতি।
বেশির ভাগ নামি স্কুলগুলোতে শিক্ষকদের বিশাল সিন্ডিকেট থাকে। অনেক সময় অধ্যক্ষ বা গভর্নিং বডিও এই শিক্ষকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে। এই সিন্ডিকেট কোচিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্টসংখ্যক শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় পাস করানোর নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে। আর এসব শিক্ষার্থীর পাস নিশ্চিত করতে হেন অনিয়ম নেই, যা করা হয় না।
এমন ঘটনাও ঘটেছে, যেখানে প্রভাবশালী বা বিত্তবান অভিভাবকরা অনেক সময় সন্তানের ভর্তির জন্য ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দেন। এ রকম চুক্তিবদ্ধ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে বিশেষ কক্ষে বসিয়ে 'বিশ্বস্ত' শিক্ষকদের মাধ্যমে উত্তর বলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। দেখা যায়, একটি কক্ষে তিন-চারজন শিক্ষককে দায়িত্ব দিয়ে ৩০টি শিশুকে পাস করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
এখানেই শেষ নয়, খাতা মূল্যায়নের সময় নম্বর পরিবর্তন করা বা কোড সিস্টেম জালিয়াতি করে মূল খাতা সরিয়ে পছন্দমতো খাতা প্রতিস্থাপন করার মতো ভয়ংকর অনিয়ম একেবারেই নজিরবিহীন নয়। বরং প্রতিবছরই ভর্তি পরীক্ষার সময় এমন অনেক ঘটনার অভিযোগই পাওয়া গেছে। এ ছাড়া অসাধু শিক্ষকদের মাধ্যমে পরীক্ষার আগের দিনই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাও আমরা অহরহ ঘটতে দেখেছি।
স্কুলগুলোতে আসন সংখ্যা নিয়েও বড় ধরনের জালিয়াতি হয়। হয়তো আসন খালি আছে দুই হাজার, সেখানে ঘোষণা দেওয়া হয় এক হাজার আসনের। বাকি এক হাজার আসন রেখেই দেওয়া হয় বাণিজ্যের জন্য। সাধারণ অভিভাবক হিসেবে এই জালিয়াতি ধরার কোনো উপায় নেই। কারণ তাদের পক্ষে স্কুলের গেটে থাকা গার্ডকে পেরিয়ে ভেতরে ঢোকা সম্ভবই হয় না।
যেখানে শিক্ষকের নৈতিকতার এমন অবক্ষয় বিদ্যমান, সেখানে এই ভর্তি পরীক্ষা মূলত নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের সুযোগ কেড়ে নেয়। কারণ একজন রিকশাচালক বা সামান্য কর্মচারীর মেধাবী সন্তান এই টাকার লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারে না। এমনকি কারও কারও পক্ষে তো অনেক স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহের টাকাটা পর্যন্ত জোগাড় করা জুলুমের নামান্তর। ফলে লটারি পদ্ধতিতে অন্তত প্রান্তিক মানুষের সন্তানদের নামি স্কুলে পড়ার যতটুকু সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তা এখন বন্ধ হওয়ার পথে।
আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, কোচিং বাণিজ্যের লাগাম টেনে ধরা প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। কারণ শিক্ষকরাই এই বাণিজ্যের মূল হোতা। সরকার যদি আসলেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করতে চায়, তবে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে বিশেষজ্ঞ ও অভিভাবকদের নিয়ে উন্মুক্ত সেমিনার করে সবার মতামত নেওয়া উচিত।
এ ছাড়া ভর্তি পরীক্ষা যদি নিতেই হয়, তবে তার প্রশ্নপত্র কেন্দ্রীয়ভাবে হবে কি না কিংবা প্রথম-দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন করতে হলে কোন মান অনুসরণ করা হবে— এসব বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। তা না হলে স্কুলগুলো অনিয়ম করার সুযোগ পাবে। আর এসব অনিয়ম দিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না।
লটারি পদ্ধতিতে কোনো কারচুপি করার সুযোগ ছিল না বলেই এটি বাণিজ্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এখন পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা চালুর মাধ্যমে কোচিংবাজদের যে আবার সুযোগ করে দেওয়া হলো, এর দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।
লেখক: সভাপতি, অভিভাবক ঐক্য ফোরাম

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছিল, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেই নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তির পদ্ধতি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেখানে হুট করে কোনো কার্যকর বৈঠক ছাড়াই লটারি বাতিল করে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত আমাদের বিস্মিত করেছে। যেখানে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা সেই নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে, সেখানে ৯ মাস আগেই এমন তড়িঘড়ি ঘোষণা দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
এ সিদ্ধান্তের ফলে ধারণা হতেই পারে, এমন তাড়াহুড়োর পেছনে মূল উদ্দেশ্য হলো ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত কোচিংবাজ শিক্ষকদের সুবিধা করে দেওয়া। কারণ ঘোষণার পরদিনই অনেক স্কুলে কোচিংয়ের নাম লেখানোর সিরিয়াল পড়ে গেছে।
আমি মনে করি, প্রথম শ্রেণির বাচ্চাদের জন্য কোনো পরীক্ষাই হওয়া উচিত নয়। কারণ যে শিশুটি এখনো অ-আ-ক-খ শেখেনি, যে স্কুলেই আসবে পড়া শিখতে, তার জন্য পরীক্ষা কী! ভর্তির আগেই মেধা যাচাইয়ের নামে এই পরীক্ষা নেওয়াটা চরম হঠকারিতা।
বিশ্ববিদ্যালয় বা একাদশ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। কারণ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত পড়ালেখা করা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পাঁচ-ছয় বছর বয়সী শিশুদের পার্থক্য রয়েছে। এই বয়সেই শিশুদের ওপর ভরতি পরীক্ষার চাপ দেওয়ার অর্থ তাদের শৈশবের ওপরই এক ধরনের মানসিক ধকল ও চাপ তৈরি করা।
এ তো গেল একদিক, অন্যদিকে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে নানা তুঘলকি কার্যক্রমও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। ২০০৪ সাল থেকে এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, ভর্তি পরীক্ষার আড়ালে চলে এক ধরনের ভয়াবহ অনিয়ম, নানা ধরনের দুর্নীতি।
বেশির ভাগ নামি স্কুলগুলোতে শিক্ষকদের বিশাল সিন্ডিকেট থাকে। অনেক সময় অধ্যক্ষ বা গভর্নিং বডিও এই শিক্ষকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে। এই সিন্ডিকেট কোচিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্টসংখ্যক শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় পাস করানোর নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে। আর এসব শিক্ষার্থীর পাস নিশ্চিত করতে হেন অনিয়ম নেই, যা করা হয় না।
এমন ঘটনাও ঘটেছে, যেখানে প্রভাবশালী বা বিত্তবান অভিভাবকরা অনেক সময় সন্তানের ভর্তির জন্য ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দেন। এ রকম চুক্তিবদ্ধ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে বিশেষ কক্ষে বসিয়ে 'বিশ্বস্ত' শিক্ষকদের মাধ্যমে উত্তর বলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। দেখা যায়, একটি কক্ষে তিন-চারজন শিক্ষককে দায়িত্ব দিয়ে ৩০টি শিশুকে পাস করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
এখানেই শেষ নয়, খাতা মূল্যায়নের সময় নম্বর পরিবর্তন করা বা কোড সিস্টেম জালিয়াতি করে মূল খাতা সরিয়ে পছন্দমতো খাতা প্রতিস্থাপন করার মতো ভয়ংকর অনিয়ম একেবারেই নজিরবিহীন নয়। বরং প্রতিবছরই ভর্তি পরীক্ষার সময় এমন অনেক ঘটনার অভিযোগই পাওয়া গেছে। এ ছাড়া অসাধু শিক্ষকদের মাধ্যমে পরীক্ষার আগের দিনই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাও আমরা অহরহ ঘটতে দেখেছি।
স্কুলগুলোতে আসন সংখ্যা নিয়েও বড় ধরনের জালিয়াতি হয়। হয়তো আসন খালি আছে দুই হাজার, সেখানে ঘোষণা দেওয়া হয় এক হাজার আসনের। বাকি এক হাজার আসন রেখেই দেওয়া হয় বাণিজ্যের জন্য। সাধারণ অভিভাবক হিসেবে এই জালিয়াতি ধরার কোনো উপায় নেই। কারণ তাদের পক্ষে স্কুলের গেটে থাকা গার্ডকে পেরিয়ে ভেতরে ঢোকা সম্ভবই হয় না।
যেখানে শিক্ষকের নৈতিকতার এমন অবক্ষয় বিদ্যমান, সেখানে এই ভর্তি পরীক্ষা মূলত নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের সুযোগ কেড়ে নেয়। কারণ একজন রিকশাচালক বা সামান্য কর্মচারীর মেধাবী সন্তান এই টাকার লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারে না। এমনকি কারও কারও পক্ষে তো অনেক স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহের টাকাটা পর্যন্ত জোগাড় করা জুলুমের নামান্তর। ফলে লটারি পদ্ধতিতে অন্তত প্রান্তিক মানুষের সন্তানদের নামি স্কুলে পড়ার যতটুকু সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তা এখন বন্ধ হওয়ার পথে।
আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, কোচিং বাণিজ্যের লাগাম টেনে ধরা প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। কারণ শিক্ষকরাই এই বাণিজ্যের মূল হোতা। সরকার যদি আসলেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করতে চায়, তবে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে বিশেষজ্ঞ ও অভিভাবকদের নিয়ে উন্মুক্ত সেমিনার করে সবার মতামত নেওয়া উচিত।
এ ছাড়া ভর্তি পরীক্ষা যদি নিতেই হয়, তবে তার প্রশ্নপত্র কেন্দ্রীয়ভাবে হবে কি না কিংবা প্রথম-দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন করতে হলে কোন মান অনুসরণ করা হবে— এসব বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। তা না হলে স্কুলগুলো অনিয়ম করার সুযোগ পাবে। আর এসব অনিয়ম দিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না।
লটারি পদ্ধতিতে কোনো কারচুপি করার সুযোগ ছিল না বলেই এটি বাণিজ্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এখন পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা চালুর মাধ্যমে কোচিংবাজদের যে আবার সুযোগ করে দেওয়া হলো, এর দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।
লেখক: সভাপতি, অভিভাবক ঐক্য ফোরাম

বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে একসময়ের মিত্র জামায়াত-শিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে যে সংঘাত চলছে, তা কিছুটা একাত্তরের বিভাজন বা আদর্শিক হলেও এর মূল কারণ ‘দখলদারি’। ছাত্র রাজনীতির উপযোগিতা বহু আগেই শেষ হয়ে গেছে।
৪ দিন আগে
দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মাইলফলক অতিক্রম করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সই হওয়া অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি কেবল একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নয়, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান পুনর্নির্ধারণের একটি সূচক।
৪ দিন আগে
‘তৌহিদি জনতা’ একক সুসংগঠিত দল নয়, বরং ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে কিছু কট্টরপন্থি এবং স্থানীয় স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর একটি ‘মব’ বা উগ্রবাদী অ্যাকশন টিম, যা প্রশাসনিক দুর্বলতা ও শূন্যতার সুযোগে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
৫ দিন আগে
এটি নয়াদিল্লির সেই স্বীকৃতিকে তুলে ধরে— ঢাকার সঙ্গে তার সম্পর্কটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে তা দূরত্ব বজায় রেখে পরিচালনার বিষয় নয়। যখন কোনো সরকার পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে একজন কৌশলী রাজনীতিককে নিয়োগ দেয় তখন তা প্রায়শই স্বীকার করে নেওয়া হয়, প্রশ্নাধীন সম্পর্কটি অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, আঞ্চলিক কৌশল ও দীর্ঘ
৫ দিন আগে