
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত রয়েছে কাতারের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিএনপির একটি সূত্র।
সব প্রস্তুতি শেষ হলে আজ মধ্যরাত অথবা শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালের মধ্যে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
চলুন দেখে নিই কী কী আছে বিশেষ এই উড়োজাহাজে—
কাতার আমিরের এই এ৩১৯ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি এমন সব অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামে সজ্জিত যে, কেউ এটিকে বলেন উড়ন্ত ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ), আবার কারও কাছে এটি মুমূর্ষ রোগীদের লাইফ লাইন।
উড়োজাহাজটি কাতারের ‘আমিরি ফ্লাইট’-এর মালিকানাধীন। প্রাইভেট এয়ারলাইন আমিরি ফ্লাইটে চড়েন কাতারের রাজপরিবারের সদস্য এবং উচ্চ পর্যায়ের সরকারি ব্যক্তিরা। রাজপরিবারের মালিকানাধীন এই উড়োজাহাজে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের বেশি দূরত্বে পরিবহনের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলমের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এ৩১৯ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের রয়েছে উন্নত চিকিৎসা সক্ষমতা। এটি সর্বাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিতে সজ্জিত, যা জরুরি অবস্থায় কিংবা ট্রানজিটের সময় রোগীর নিরবচ্ছিন্ন যত্ন নিশ্চিত করে।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ এই উড়োজাহাজে ভেন্টিলেটর, ডিফিব্রিলেটর, ইনফিউশন পাম্প ও উন্নত কার্ডিয়াক মনিটর রয়েছে। এ ছাড়া এটিতে উন্নত ক্লাইমেট কনট্রোল ব্যবস্থা ও শব্দনিরোধক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
কেবল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য উড়োজাহাজটি ব্যবহার হচ্ছে এমন নয়। এর আগে ২০১৫ সালে চীন সফরে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া মাল্টার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ ভেল্লাকে উদ্ধার করে আনা হয়েছিল এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স।
প্রথাগত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের তুলনায়, এর প্রশস্ত কেবিনে চিকিৎসা কর্মীদের জন্যও পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কাস্টমাইজড স্ট্রেচার, রোগীর ব্যক্তিগত জোন ও পরিবারের সদস্য বা বিশেষজ্ঞদের জন্য আলাদা আসনের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে।
এটি পরিচালনা করেন কাতারের রয়্যাল মেডিক্যাল ইউনিটের একটি চিকিৎসক দল, যেখানে চারজন চিকিৎসক ও প্যারামেডিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তারা যাত্রার সময় কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট থেকে শুরু করে ট্রমা পর্যন্ত জরুরি অবস্থাগুলো দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিতে সক্ষম।
এ৩১৯ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স থেকে চিকিৎসকরা বিশ্বের অন্য যেকোনো প্রান্তের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করতে পারেন। এ ছাড়াও, চাপযুক্ত কেবিন অক্সিজেনের মাত্রা অনুকূল রাখে, যা শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এয়ারবাসের দাবি, উন্নত এভিয়েশন প্রযুক্তির সঙ্গে চিকিৎসা অভিজ্ঞতার সন্নিবেশ ঘটিয়ে এই উড়োজাহাজটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবার নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে। এটি নিশ্চিত করেছে, জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসার জন্য কোনো দূরত্বই সক্ষমতার বাইরে নয়।
এ ছাড়া বেশি পরিমাণে জ্বালানি নিতে সক্ষম এ৩১৯ দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারে, যা এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে রোগী পরিবহনের জন্য আদর্শ। ছোট রানওয়েতে এবং অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকাতেও অবতরণ করতে সক্ষম এই উড়োজাহাজ।
প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ২৩ নভেম্বর এভারকেয়ারে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। সেখানে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো বিশেষ এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে লন্ডনে যান তিনি। চিকিৎসা শেষে ৬ মে দেশেও ফেরেন এটিতে চড়ে।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত রয়েছে কাতারের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিএনপির একটি সূত্র।
সব প্রস্তুতি শেষ হলে আজ মধ্যরাত অথবা শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালের মধ্যে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
চলুন দেখে নিই কী কী আছে বিশেষ এই উড়োজাহাজে—
কাতার আমিরের এই এ৩১৯ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি এমন সব অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামে সজ্জিত যে, কেউ এটিকে বলেন উড়ন্ত ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ), আবার কারও কাছে এটি মুমূর্ষ রোগীদের লাইফ লাইন।
উড়োজাহাজটি কাতারের ‘আমিরি ফ্লাইট’-এর মালিকানাধীন। প্রাইভেট এয়ারলাইন আমিরি ফ্লাইটে চড়েন কাতারের রাজপরিবারের সদস্য এবং উচ্চ পর্যায়ের সরকারি ব্যক্তিরা। রাজপরিবারের মালিকানাধীন এই উড়োজাহাজে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের বেশি দূরত্বে পরিবহনের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলমের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এ৩১৯ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের রয়েছে উন্নত চিকিৎসা সক্ষমতা। এটি সর্বাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিতে সজ্জিত, যা জরুরি অবস্থায় কিংবা ট্রানজিটের সময় রোগীর নিরবচ্ছিন্ন যত্ন নিশ্চিত করে।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ এই উড়োজাহাজে ভেন্টিলেটর, ডিফিব্রিলেটর, ইনফিউশন পাম্প ও উন্নত কার্ডিয়াক মনিটর রয়েছে। এ ছাড়া এটিতে উন্নত ক্লাইমেট কনট্রোল ব্যবস্থা ও শব্দনিরোধক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
কেবল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য উড়োজাহাজটি ব্যবহার হচ্ছে এমন নয়। এর আগে ২০১৫ সালে চীন সফরে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া মাল্টার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ ভেল্লাকে উদ্ধার করে আনা হয়েছিল এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স।
প্রথাগত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের তুলনায়, এর প্রশস্ত কেবিনে চিকিৎসা কর্মীদের জন্যও পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কাস্টমাইজড স্ট্রেচার, রোগীর ব্যক্তিগত জোন ও পরিবারের সদস্য বা বিশেষজ্ঞদের জন্য আলাদা আসনের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে।
এটি পরিচালনা করেন কাতারের রয়্যাল মেডিক্যাল ইউনিটের একটি চিকিৎসক দল, যেখানে চারজন চিকিৎসক ও প্যারামেডিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তারা যাত্রার সময় কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট থেকে শুরু করে ট্রমা পর্যন্ত জরুরি অবস্থাগুলো দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিতে সক্ষম।
এ৩১৯ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স থেকে চিকিৎসকরা বিশ্বের অন্য যেকোনো প্রান্তের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করতে পারেন। এ ছাড়াও, চাপযুক্ত কেবিন অক্সিজেনের মাত্রা অনুকূল রাখে, যা শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এয়ারবাসের দাবি, উন্নত এভিয়েশন প্রযুক্তির সঙ্গে চিকিৎসা অভিজ্ঞতার সন্নিবেশ ঘটিয়ে এই উড়োজাহাজটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবার নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে। এটি নিশ্চিত করেছে, জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসার জন্য কোনো দূরত্বই সক্ষমতার বাইরে নয়।
এ ছাড়া বেশি পরিমাণে জ্বালানি নিতে সক্ষম এ৩১৯ দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারে, যা এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে রোগী পরিবহনের জন্য আদর্শ। ছোট রানওয়েতে এবং অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকাতেও অবতরণ করতে সক্ষম এই উড়োজাহাজ।
প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ২৩ নভেম্বর এভারকেয়ারে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। সেখানে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো বিশেষ এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে লন্ডনে যান তিনি। চিকিৎসা শেষে ৬ মে দেশেও ফেরেন এটিতে চড়ে।

গতকালের ভাষণে বঙ্গবন্ধু অধিবেশনে যোগ দিতে যে পূর্বশর্ত দিয়েছেন, পাকিস্তান সরকারের পক্ষে তা মানা সম্ভব হবে না। বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে সামরিক প্রেসিডেন্টকে মূলত উপেক্ষা করেছেন। এ কারণেই হয়তো মার্কিন গোপন দলিলে বলা হয়েছে, ৭ মার্চের শেখ মুজিবের ভাষণ স্বাধীনতা ঘোষণার তুল্য।
৬ দিন আগে
একটি বিষয় এখানে গুরুত্ব পেতে পারে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের আলোকচিত্র এবং অডিও-ভিডিও ধারণ করে দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠান— চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) ও বাংলাদেশ বেতার। দুটি প্রতিষ্ঠানই এ কাজ করেছে সরকারের কোনো অনুমতি ছাড়াই। সেটি না করলে পরবর্তী কোনো প্রজন্ই আর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভ
৭ দিন আগে
গল্পটি নিয়ে পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল বলেন, ‘এই টেলিছবির মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগ্রামের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। যে হাসির পেছনে লুকিয়ে থাকে নানা অজানা গল্প। আশা করছি, প্রবাস জীবনের নিঃসঙ্গতা ও মুখোশের নিচে লুকানো বেদনা নিয়ে নির্মিত টেলিছবিটি দর্শকদের পছন্দ হবে।’
৮ দিন আগে
১ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ ঘোষণাকে প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবাদে ঢাকায় ২ ও ৩ মার্চ দুই দিনের সর্বাত্মক হরতালের ডাক দেন। তিনি ঘোষণা দেন, ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আন্দোলনের পরবর্
৮ দিন আগে