
টিম রাজনীতি ডটকম


শেষ মুহূর্তে কিছু চেষ্টা করল আর্জেন্টিনা। মেসি ক্রস করলেন, কর্নার নিলেন। সিমিওনের এক চেষ্টা প্রতিহত স্পেনের রক্ষণে, আরেক বল মারলেন বাইরে। কিছুতেই কাজ হলো না। স্পেন এখন ফুটবলের নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।
ফেরান তোরেস আবার বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন, বল জালেও জড়িয়েছিলেন। কিন্তু অফসাইড ছিলেন তিনি।
ফাউল করে এবার হলুদ কার্ড খেলেন আর্জেন্টিনার ম্যাক আলিস্টার।
মাঝমাঠ থেকে ফ্রি-কিক পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কাজে আসেনি।

অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই গোল পেল স্পেন। নিকো উইলয়ামসের অ্যাসিস্ট থেকে বল জালে জড়ালেন ফেরান তোরেস। ২০ বারের চেষ্টায় ফল পেল স্পেন।
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়েছে। অতিরিক্ত সময়েরও আর মাত্র ১৫ মিনিট বাকি আছে। এখনো গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। স্পেনের আক্রমণের মুখে ১০ জনের আর্জেন্টিনা এখনো জাল অক্ষত রেখেছে।
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের ১৫ মিনিট শেষ। রেফারি ইনজুরি টাইম দিয়েছেন ৩ মিনিট।
সিমিওনেকে ফেলে দিলেও ফাউল দেননি রেফারি। তাতে মেজাজ হারিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখান আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি। হলুদ কার্ড খেয়েছেন।
ডি-বক্সে দারুণ ক্রস পেয়েছিলেন স্পেনের সুপার-সাব মেরিনো। লক্ষ্যে রাখতে পারেননি হেড।
হুলিয়ান আলভারেজকে তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। মাঠে নেমেছেন সেনেসি।
লাপোর্তে ও রদ্রিকে তুলে নিয়েছে স্পেন। মাঠে নেমেছেন জুবিমেন্ডি ও এরিক গার্সিয়া।
মিকেল মেরিনো ব্যাকহিল করে বল বাড়িয়েছিলেন। এমি দারুণ সেভ করেন। সেখান থেকে আবার বল পেয়ে যান নিকো উইলিয়ামস। তিনি বল জালে জড়ান। কিন্তু এর মাকেই মেরিনো ফাউল করেছেন বলে রেফারি গোল দেননি।
স্পেনের দারুণ আক্রমণ। নিকো উইলিয়ামস হেড করেছিলেন। এমি দারুণ সেভ করেছেন।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ। বিশ্বকাপ ফাইনাল এখন গড়াল অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।
শেষ মুহূর্তে ফ্রি-কিক পেলেন ইয়ামাল ডি-বক্সের মাথায়। দুর্দান্ত ফ্রি-কিক নিয়েছিলেন তিনি। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ম্যাচের সেরা সেভ করেছেন এমি। কর্নার।
পারদেস ফাউল করায় ডি-বক্সের ঠিক মাথায় ফ্রি-কিক পেয়েছে স্পেন। বিপজ্জনক হতে পারে।

মাঝমাঠে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখলেন এনজো ফের্নান্দেস। আগেও একটি হলুদ কার্ড থাকায় এবার লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যেতে হলো তাকে। ১০ জনে পরিণত আর্জেন্টিনা।
জুলিয়ানো সিমিওনে ডি-বক্স থেকে শট নিয়েছিলেন। ঠেকিয়ে দিয়েছেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক সিমন।
মেসি মাঝমাঠে ফাউলের শিকার হওয়ায় ফ্রি-কিক পেয়েছে আর্জেন্টিনা।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ। ইনজুরি টাইম ৪ মিনিট।
দূরপাল্লার শটে ভাগ্য পরীক্ষা করলেন রদ্রি। গোলবারের অনেক বাইরে শট।
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দারুণ আক্রমণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল স্পেন। শেষ পর্যন্ত নস্যাৎ হয়েছে আর্জেন্টিনার রক্ষণে।
রদ্রিম ইয়ামাল হয়ে ডি-বক্সে বল পেয়েছিলেন তোরেস। মারলেন গোলবারের বাইরে।
বল পেয়ে ডান প্রান্ত ধরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন মেসি। সামনে বাড়ালেন। কিন্তু মলিনা তার নাগাল পেলেন না, বল পেলেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডাররা।
মাঝমাঠে রদ্রিকে ফাউল করেছিলেন এনজো। রেফারি তাকে হলুদ কার্ড দিয়েছেন।
ডি-বক্সে দারুণ বল পেয়ে হেড করেছিলেন লাপোর্তে। এমি ধরে ফেলেছেন।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের আর মাত্র ১০ মিনিট বাকি আছে। এখনো দুই দল গোলের সন্ধানে ছুটছে। বলা ভালো স্পেন গোলের সন্ধানে ছুটছে, আর্জেন্টিনা ব্যস্ত রক্ষণ সামলাতে।
নিকো উইলিয়ামসের কর্নার ডি-বক্সের কারও কাছেই পৌঁছাতে পারেনি। অপর প্রান্তে থ্রো ইন।
কুবার্সির শক্তিশালী শট এমি ধরতে পারেননি। কোনোমতে ফিরিয়ে দিলে তা বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পরে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা।
পেদ্রি দারুণ শট নিয়েছিলেন। এমি ধরে নিয়েছেন আস্থার সঙ্গে।
দানি ওলমো ও অ্যালেক্স বায়েনাকে তুলে নিলো স্পেন। মাঠে নেমেছেন নিকো উইলিয়ামস ও মিকেল মেরিনো।
অনেকক্ষণ পর আর্জেন্টিনা দারুণ খেলল। একপর্যায়ে মেসি বল পেয়ে ডান প্রান্তে সিমিওনেকে বাড়িয়েছিলেন। ডি-বক্সে ছিলেন আলভারেজ। সিমিওনের দুর্বল পাস স্প্যানিশ ডিফেন্ডাররা সহজেই ক্লিয়ার করেছেন।
দ্বিতীয় হাইড্রেশঘন ব্রেকের পর খেলা শুরুর সময় আর্জেন্টিনা আরও দুটি বদল এনেছে। ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর জায়গায় নেমেছেন মেদিনা, ডি পলকে তুলে নিয়ে নামানো হয়েছে জুলিয়ানো সিমিওনেকে।
দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেকে গড়িয়েছে ফাইনাল ম্যাচ। এখন পর্যন্ত ডেডলক ভাঙতে পারেনি কোনো দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টিনা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও মিনিট দশেকের মধ্যে ফের খেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে স্পেন। হাইড্রেশন ব্রেকের আগে শেষ কয়েক মিনিটে একের পর এক আক্রমণ করেছে। তবে সেগুলোর কোনোটিই এখন পর্যন্ত গোল এনে দিতে পারেনি স্পেনকে।
ইয়ামালের কর্নার ক্লিয়ার করেছিলেন ম্যাক আলিস্টার। বল আবার পেয়ে যান ইয়ামাল। এবার দারুণ ক্রস বাড়ান ডি-বক্সে। হেড করেছিলেন তোরেস। এমি সেভ করেছেন।
ইয়ামালের কর্নার ম্যাক আলিস্টার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। পা ঘুরে ফিরতি বলে আবার ইয়ামালের শট। এবার পারদেস রক্ষা করলেন কর্নারের বিনিময়ে।
কুকুরেয়া, পেদ্রি হয়ে বল পেয়েছিলেন দানি ওলমো। তার শট ঠিকমতো ধরতে পারেননি এমি। কর্নার।
মিকেল ওইয়ারসাবাল ও ফাবিয়ান রুইজকে তুলে নিয়েছে স্পেন। মাঠে নেমেছেন ফেরান তোরেস ও পেদ্রি।
বায়েনা ডামি করার পর ইয়ামাল ফ্রি-কিক নিয়েছিলেন। কাজে আসেনি।
পেদ্রো পোরোকে ফাউল। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে ডান দিকে ফ্রি-কিক পেয়েছে স্পেন।
গনজালো মন্টিয়েলকে তুলে নিয়েছেন স্কালোনি। মাঠে নেমেছেন নাহুয়েল মলিনা।
দানি ওলমো দারুণ কাটব্যাক বাড়িয়েছিলেন কুকুরেয়ার দিকে। মন্টিয়েল কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেছেন। সে কর্নার থেকে অবশ্য কোনো বিপদ হয়নি আর্জেন্টিনার।
ওইয়ারসাবাল দারুণ বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন আর্জেন্টিনার ডি-বক্সে। বল বাড়ালেও নাগাল পাননি ওলমো। আর্জেন্টিনা ক্লিয়ার করেছে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই বলের দখল রেখে খেলার চেষ্টা করছে আর্জেন্টিনা।
মাঝ মাঠে রদ্রি ফাউলের শিকার। ফাউল ঘিরে দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মাত্রই নামা পারদেসকে হলুদ কার্ড দিয়েছেন রেফারি।
রোমেরোর কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন ডি পল। বায়েনা বলের দখল করতে গিয়ে ফাউল করেছেন।
বল ছুটছিল, ছুটছিলেন মন্টিয়েল। পরে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা। মেসির কর্নার অবশ্য কাজে আসেনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অ্যালেক্স বায়েনা বল পেয়ে গিয়েছিলেন ডি-বক্সের সামান্য বাইরে। শট নিয়েছিলেন। এমি তালুবন্দি করেছেন আস্থার সঙ্গে।
যে পরিকল্পনায় নিকো গনজালেসকে নামিয়েছিলেন স্কালোনি, তা কাজে আসেনি আর্জেন্টিনার। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তাই তাকে তুলে মাঠে নামানো হয়েছে পারদেসকে। স্পেনে এখনো কোনো পরিবর্তন আসেনি।
শেষ হলো বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথমার্ধ। গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। স্পেন দল হিসেবে দারুণ খেলেছে। বেশকিছু সুযোগও তৈরি করেছে৷ তবে সেগুলো কাজে আসেনি। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বেশির ভাগ সময়ই ব্যস্ত থাকতে হয়েছে রক্ষণ সামলাতে। আক্রমণে তারা অনেকটাই ছিল নখদন্তহীন।
প্রথমার্ধে স্পেনের ৬৪ শতাংশ বল দখলের বিপরীতে আর্জেন্টিনার দখলে ছিল মাত্র ৩৬ শতাংশ। এ অর্ধে স্পেন তিনটি শট নিয়ে একটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে। বিপরীতে আর্জেন্টিনা কোনো শট নিতে পারেনি গোলের জন্য। শুধু তাই নয়, স্পেনের দুটি কর্নারের বিপরীতে আর্জেন্টিনা কোনো কর্নার পায়নি। স্পেনের অর্ধে আর্জেন্টিনা বিপজ্জনক কোনো মুভই করতে পারেনি।
নিজেদের অর্ধ থেকেই বল নিয়ে এগোনোর চেষ্টা মেসির। ফাউল করে আটকাল স্প্যানিশরা।
ডান প্রান্ত থেকে বল বাড়িয়েছিলেন ডি পল। স্প্যানিশ রক্ষণে প্রতিহত।
দূরপাল্লার শট খুঁজছিল আলভারেজকে। কিন্তু বলের গতি ছিল বেশি। আলভারেজ পেলে বিপদ হতে পারত স্পেনের।
চোট পেয়ে ছিটকে গেলেন লিসান্দ্রো। তার জায়গায় নেমেছেন ওটামেন্ডি।
ডি-বক্সের সামান্য বাইরে থেকে জোরে শট নিয়েছিলেন কুকুরেয়া। তবে লক্ষ্যে রাখতে পারেননি।
ডি-বক্সে দারুণ বল বাড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। রিসিভ করার মতো কেউ ছিলেন না।
স্প্যানিশ প্রতিআক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড পেলেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ।
ডি-বক্সে মাথার দারুণ বল পেলেন ওইয়াসারবাল। শটও নিলেন। এমি দারুণ দক্ষতায় ধরে নিলেন।
একের পর এক আক্রমণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে স্পেন। তবে আর্জেন্টিনার রক্ষণ ভাঙা সম্ভব হয়নি।
কুকুরেয়া পাস বাড়িয়েছিলেন লেফট উইং থেকে। ডি-বক্সে অফসাইড।
আর্জেন্টিনার আক্রমণের চেষ্টায় ম্যাক আলিস্টারকে ফাউল।
লামিনে ইয়ামাল পাস বাড়ালেও ওলমো আর্জেন্টিনার ডি-বক্সে তার নাগাল পাননি।
প্রথম হাইড্রেশন ব্রেক দিয়েছেন রেফারি। আর্জেন্টিনা-স্পেন খেলা এখনো গোলশূন্য।
এর মধ্যে স্পেন গোলে একটি শট নিতে পারলেও আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত কোনো শট নিতে পারেনি।
স্পেনের বায়েনা কর্নার নিয়েছিলেন। সরাসরি গ্লাভসবন্দি করেছেন এমি।
মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মেসি। আলভারেজ সেখানে থাকলেও অফসাইড হয়েছেন।

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ দেখতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মাঝ মাঠ বরাবর এনজো ফের্নান্দেস ও দানি ওলমোর মধ্যে সংঘর্ষ। বড় কিছু ঘটেনি।
স্পেনের ডি-বক্সে বল পেয়ে গিয়েছিলেন আলভারেজ। নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি।
লামিনে ইয়ামাল আবার ঢুকে পড়েছিলেন আর্জেন্টিনার ডি-বক্সে। এমি মার্টিনেজ এগিয়ে গিয়ে বল নিয়েছেন দখলে।
ডি পল ফ্রি-কিক নিয়েছিলেন প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে। কিনো গনজালেস ডি-বক্সে ঢুকে বলের নাগাল পাননি।
এবার মেসিকে ফাউল করেছেন বায়েনা।
মাঝমাঠে দানি ওলমোকে ফাউল করেছেন ম্যাক আলিস্টার।
আর্জেন্টিনার ডি-বক্সে পাস দিয়েছিলেন রদ্রি। লিসান্দ্রো মার্টিনেস কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেছেন।
প্রথম কয়েক মিনিটের খেলাতেই দারুণ আক্রমণ গড়তে শুরু করেছে স্পেন। তবে এখন পর্যন্ত দলকে বিপদমুক্ত রেখেছেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডাররা।
পালটা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে গিয়েছিলেন মেসি। তবে বের হতে পারেননি বল নিয়ে।

ডি-বক্সে দারুণ পাস পেয়েছিলেন লামিনে ইয়ামাল। শটও নিয়েছিলেন। এমি গ্লাভস বন্দি করেছেন।
সেমিফাইনাল লাইনআপ থেকে ফাইনাল ম্যাচের লাইনআপে তিনটি পরিবর্তন এনেছে আর্জেন্টিনা। রক্ষণে নাহুয়েল মলিনার জায়গায় এসেছেন গনজালো মন্টিয়েল, জুলিয়ানো সিমিওনের জায়গায় দলে এসেছেন রদ্রিগো ডি পল, লিয়ান্দ্রে পারদেসের জায়গায় দলে এসেছেন নিকো গনজালেস।
আগের ম্যাচে দেখা গেছে, পারদেস মূলত ডিফেন্সিভ মিডের ভূমিকা পালন করেছেন। রক্ষণেই মনোযোগী ছিলেন বেশি। পরে সিমিওনে ও পারদেসকে তুলে নেওয়ার পর ডি পল ও নিকো নামলে আর্জেন্টিনার আক্রমণ গতি পায়। এ ম্যাচে সম্ভবত শুরু থেকেই স্কালোনি আক্রমণাত্মক ভূমিকায় দেখতে চাইছেন দলকে।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আগের ম্যাচের একাদশ থেকে তিনটি পরিবর্তন এনেছে আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ড ম্যাচে খেলা নাহুয়েল মলিনা, লিয়ান্দ্রে পারদেস ও জুলিয়ানো সিমিওনেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের জায়গায় দলে এসেছেন গনজালো মন্টিয়েল, রদ্রিগো ডি পল ও নিকো গনজালেস।
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ
রক্ষণভাগ: গনজালো মন্টিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো
মাঝমাঠ: রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, নিকো গনজালেস
আক্রমণ: লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ
ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে যে লাইনআপ নিয়ে মাঠে নেমেছিল স্পেন, একই একাদশ তারা ফাইনাল ম্যাচের জন্যও অপরিবর্তিন রেখেছে।
গোলরক্ষক: উনাই সিমন
রক্ষণভাগ: পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, এমেরিক লাপোর্ত, কুকুরেয়া
মাঝমাঠ: রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, দানি ওলমো
আক্রমণভাগ: লামিনে ইয়ামাল, আলেক্স বায়েনা, মিকেল ওইয়ারসাবাল
এক মাসেরও বেশি সময়ের মহাযজ্ঞ শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল এসে দাঁড়িয়েছে শেষ ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে। এতেই নির্ধারণ হবে— কার হাতে উঠবে শিরোপা। ফিফার হালনাগাদ তথ্য বলছে, এই লড়াইয়ে মুখোমুখি বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা র্যাংকিংয়ের শীর্ষ দল, প্রতিপক্ষ স্পেন দ্বিতীয়। অর্থাৎ শীর্ষ দুটি দলের মধ্য থেকেই বেরিয়ে আসবে বিশ্ব ফুটবলের নতুন চ্যাম্পিয়ন দল!
তিনটি শিরোপা জেতা আর্জেন্টিনা এই ম্যাচে মাঠে নামবে জার্সিতে চতুর্থ তারকার সন্ধানে। সবশেষ গত বিশ্বকাপেই তৃতীয় শিরোপা ঘরে তুলেছিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে ২০১০ সালের পর আবার ফাইনালে স্পেন, দ্বিতীয় শিরোপার সন্ধানে।
৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসি তার পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতার ঝুলি দিয়েই কি শেষ হাসি হাসতে পারবেন? নাকি ১৯ বছর আগে ইউনিসেফের হয়ে সেই মেসি যে শিশুকে গোসল করিয়েছিলেন সেই লামিনে ইয়ামালের দল তারুণ্যের ক্ষিপ্রতায় ছিনিয়ে নেবে শিরোপা?
সব প্রশ্নের উত্তর মিলতে অপেক্ষা আর কিছুক্ষণের। হাইভোল্টেজ এ ম্যাচের সবশেষ আপডেট পেতে সঙ্গে থাকুন রাজনীতি ডটকমের।