
ক্রীড়া ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে। অলাভজনক মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কয়ার অভিযোগটি তদন্তের জন্য আইওসির কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ফেয়ারস্কয়ারের অভিযোগ— ইনফান্তিনো একাধিক ঘটনায় আইওসির রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার বিধি ভঙ্গ করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগটি যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানকে ঘিরে।
বিশ্বকাপের এবারের আসরে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ১ জুলাইয়ের রাউন্ড অব ৩২ ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন বালোগান। নিয়ম অনুযায়ী পরের ম্যাচে তার নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল।
তবে ৫ জুলাই ফিফা কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা ছাড়াই জানায়, ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার এক ম্যাচের স্বয়ংক্রিয় নিষেধাজ্ঞা এক বছরের পরীক্ষামূলক সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ফলে ৬ জুলাই বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে খেলতে পারেন তিনি।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে বালোগানের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিষয়টি তিনি নিজেই ফিফা সভাপতিকে জানিয়েছিলেন বলে স্বীকারও করেন।
ম্যাচের দিন ট্রাম্প গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি শুধু সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলাম, কারণ আমার মনে হয়নি এটি ফাউল ছিল। আমার কাছে মনে হয়েছে, দুজন দুর্দান্ত অ্যাথলেট একে অন্যের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে জড়িয়ে পড়েছিল। আমার মনে হয় তারা খুবই ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রেফারির লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত ছিল ভয়াবহ।’
ইনফান্তিনোও পরে স্বীকার করেন, ট্রাম্প তাকে ফোন করেছিলেন। তবে তিনি দাবি করেন, বালোগানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তিনি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেননি
ফিফার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইনফান্তিনো বলেন, ফিফার বিচারিক কমিটিগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং তাদের স্বাধীনতাই ফুটবলের বিশ্বাসযোগ্যতা ও অখণ্ডতার জন্য অপরিহার্য, যা সবসময় সম্মান করা উচিত।
তবে ফেয়ারস্কয়ারের দাবি, এ ঘটনার মাধ্যমে ইনফান্তিনো রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন, যা আইওসির নীতিমালার গুরুতর লঙ্ঘন হতে পারে। সংস্থাটি বলেছে, ২০২০ সাল থেকে আইওসির সদস্য হিসেবে ইনফান্তিনোর ওপর অলিম্পিক চার্টার ও আইওসি নৈতিকতা বিধিমালা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এসব বিধি ভঙ্গ করলে আইওসি সদস্যপদ বাতিল করার ক্ষমতাও সংস্থাটির রয়েছে।
বালোগান ইস্যুর পাশাপাশি আরও চার ঘটনাকে অভিযোগের অংশ করেছে ফেয়ারস্কয়ার। তাদের দাবি, ২০২৬ বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ফিফার একটি সমর্থক ওয়েবসাইটের প্রচারে ইনফান্তিনো অংশ নিয়েছিলেন, যা ট্রাম্প-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত তথ্য সংগ্রহ অভিযানের অংশ বলে মনে হয়।
এ ছাড়া ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের অভিষেক-সংশ্লিষ্ট একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া সমর্থনসূচক পোস্ট, একই বছরের অক্টোবরে ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য প্রকাশ্যে সমর্থন এবং নভেম্বরে ট্রাম্পকে নিয়ে ইনফান্তিনোর ইতিবাচক মন্তব্যও অভিযোগের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ফেয়ারস্কয়ার আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ওয়াশিংটনের কেনেডি সেন্টারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে ইনফান্তিনো ট্রাম্পের হাতে উদ্বোধনী ‘ফিফা পিস প্রাইজ’ তুলে দেন, যা তাদের অভিযোগে রাজনৈতিক পক্ষপাতের আরেকটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ডিসেম্বরে ফিফার নৈতিকতা কমিটির কাছেও ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছিল ফেয়ারস্কয়ার। সে অভিযোগকে সমর্থন জানিয়েছিল নরওয়ের ফুটবল ফেডারেশন। পাশাপাশি ২৯ জুন পৃথক এক চিঠিতে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ৫০ জন সদস্যও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে আইওসি ও ফিফার কাছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মন্তব্য জানতে চাইলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে। অলাভজনক মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কয়ার অভিযোগটি তদন্তের জন্য আইওসির কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ফেয়ারস্কয়ারের অভিযোগ— ইনফান্তিনো একাধিক ঘটনায় আইওসির রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার বিধি ভঙ্গ করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগটি যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানকে ঘিরে।
বিশ্বকাপের এবারের আসরে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ১ জুলাইয়ের রাউন্ড অব ৩২ ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন বালোগান। নিয়ম অনুযায়ী পরের ম্যাচে তার নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল।
তবে ৫ জুলাই ফিফা কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা ছাড়াই জানায়, ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার এক ম্যাচের স্বয়ংক্রিয় নিষেধাজ্ঞা এক বছরের পরীক্ষামূলক সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ফলে ৬ জুলাই বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে খেলতে পারেন তিনি।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে বালোগানের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিষয়টি তিনি নিজেই ফিফা সভাপতিকে জানিয়েছিলেন বলে স্বীকারও করেন।
ম্যাচের দিন ট্রাম্প গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি শুধু সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলাম, কারণ আমার মনে হয়নি এটি ফাউল ছিল। আমার কাছে মনে হয়েছে, দুজন দুর্দান্ত অ্যাথলেট একে অন্যের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে জড়িয়ে পড়েছিল। আমার মনে হয় তারা খুবই ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রেফারির লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত ছিল ভয়াবহ।’
ইনফান্তিনোও পরে স্বীকার করেন, ট্রাম্প তাকে ফোন করেছিলেন। তবে তিনি দাবি করেন, বালোগানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তিনি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেননি
ফিফার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইনফান্তিনো বলেন, ফিফার বিচারিক কমিটিগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং তাদের স্বাধীনতাই ফুটবলের বিশ্বাসযোগ্যতা ও অখণ্ডতার জন্য অপরিহার্য, যা সবসময় সম্মান করা উচিত।
তবে ফেয়ারস্কয়ারের দাবি, এ ঘটনার মাধ্যমে ইনফান্তিনো রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন, যা আইওসির নীতিমালার গুরুতর লঙ্ঘন হতে পারে। সংস্থাটি বলেছে, ২০২০ সাল থেকে আইওসির সদস্য হিসেবে ইনফান্তিনোর ওপর অলিম্পিক চার্টার ও আইওসি নৈতিকতা বিধিমালা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এসব বিধি ভঙ্গ করলে আইওসি সদস্যপদ বাতিল করার ক্ষমতাও সংস্থাটির রয়েছে।
বালোগান ইস্যুর পাশাপাশি আরও চার ঘটনাকে অভিযোগের অংশ করেছে ফেয়ারস্কয়ার। তাদের দাবি, ২০২৬ বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ফিফার একটি সমর্থক ওয়েবসাইটের প্রচারে ইনফান্তিনো অংশ নিয়েছিলেন, যা ট্রাম্প-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত তথ্য সংগ্রহ অভিযানের অংশ বলে মনে হয়।
এ ছাড়া ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের অভিষেক-সংশ্লিষ্ট একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া সমর্থনসূচক পোস্ট, একই বছরের অক্টোবরে ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য প্রকাশ্যে সমর্থন এবং নভেম্বরে ট্রাম্পকে নিয়ে ইনফান্তিনোর ইতিবাচক মন্তব্যও অভিযোগের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ফেয়ারস্কয়ার আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ওয়াশিংটনের কেনেডি সেন্টারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে ইনফান্তিনো ট্রাম্পের হাতে উদ্বোধনী ‘ফিফা পিস প্রাইজ’ তুলে দেন, যা তাদের অভিযোগে রাজনৈতিক পক্ষপাতের আরেকটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ডিসেম্বরে ফিফার নৈতিকতা কমিটির কাছেও ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছিল ফেয়ারস্কয়ার। সে অভিযোগকে সমর্থন জানিয়েছিল নরওয়ের ফুটবল ফেডারেশন। পাশাপাশি ২৯ জুন পৃথক এক চিঠিতে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ৫০ জন সদস্যও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে আইওসি ও ফিফার কাছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মন্তব্য জানতে চাইলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
২ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে