
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ড শুরু হওয়ার আগে ইরান দলের ওপর আরোপিত ভ্রমণ বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে মিশরের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচের দুই দিন আগে ভেন্যুতে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে ইরান।
এত দিন ম্যাচের একদিন আগে ভেন্যুতে যেতে পারত ইরানের বিশ্বকাপ দল। ম্যাচ শেষেই মেক্সিকোর বেস ক্যাম্পে ফিরে যেতে হতো তাদের। যুক্তরাষ্ট্রের ওই সিদ্ধান্তের পর দলটির কোচ আমির গালেনোই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপে ইরান সবচেয়ে বেশি নিপীড়িত দল’।
বুধবার (২৪ জুন) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘২৬ জুন সিয়াটলে, ইরানের তৃতীয় ম্যাচের জন্য দলটিকে দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’
ডিএইচএস আরও বলেছে, ‘ম্যাচ শেষ হওয়ার দিনই ইরান দলকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রটোকল অপরিবর্তিত থাকছে। খেলোয়াড়, স্টাফ এবং ভক্তদের জন্য সম্ভাব্য সবচেয়ে নিরাপদ একটি টুর্নামেন্ট উপহার দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এর আগে গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, টুর্নামেন্টে ইরানের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানানো হলেও, ম্যাচের মধ্যবর্তী সময়ে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা ‘নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তা’র স্বার্থেই সমীচীন নয়।
প্রায় চার মাস ধরে চলা যুদ্ধের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চরম কূটনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বকাপ শুরুর পর গত সপ্তাহে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর কথা বলেছিল ইরান।

বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ড শুরু হওয়ার আগে ইরান দলের ওপর আরোপিত ভ্রমণ বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে মিশরের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচের দুই দিন আগে ভেন্যুতে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে ইরান।
এত দিন ম্যাচের একদিন আগে ভেন্যুতে যেতে পারত ইরানের বিশ্বকাপ দল। ম্যাচ শেষেই মেক্সিকোর বেস ক্যাম্পে ফিরে যেতে হতো তাদের। যুক্তরাষ্ট্রের ওই সিদ্ধান্তের পর দলটির কোচ আমির গালেনোই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপে ইরান সবচেয়ে বেশি নিপীড়িত দল’।
বুধবার (২৪ জুন) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘২৬ জুন সিয়াটলে, ইরানের তৃতীয় ম্যাচের জন্য দলটিকে দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’
ডিএইচএস আরও বলেছে, ‘ম্যাচ শেষ হওয়ার দিনই ইরান দলকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে। সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রটোকল অপরিবর্তিত থাকছে। খেলোয়াড়, স্টাফ এবং ভক্তদের জন্য সম্ভাব্য সবচেয়ে নিরাপদ একটি টুর্নামেন্ট উপহার দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এর আগে গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, টুর্নামেন্টে ইরানের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানানো হলেও, ম্যাচের মধ্যবর্তী সময়ে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা ‘নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তা’র স্বার্থেই সমীচীন নয়।
প্রায় চার মাস ধরে চলা যুদ্ধের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চরম কূটনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বকাপ শুরুর পর গত সপ্তাহে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর কথা বলেছিল ইরান।

মেসির এই বক্তব্যের শেষ অংশই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ভিডিওতে সতীর্থদের উত্তেজিত মনে না হলেও প্রশ্ন উঠেছে, তিনি ঠিক কোন বিষয় ‘ভুলে যেতে’ বলেছিলেন।
৫ দিন আগে
সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয় যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগানকে ঘিরে। শেষ ষোলোতে লাল কার্ড দেখার পর তার নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে ফিফা। এই সিদ্ধান্তের পর উয়েফা প্রকাশ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।
৫ দিন আগে
দুই বছর বিরতির পর ২০২৫ সালে আসরটি আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। তবে বিভিন্ন জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন সম্ভব হয়নি। সাম্প্রতিক সাফ সভায় সেই জটিলতার সমাধান হয়।
৫ দিন আগে
প্রথমে ফিফা জানিয়েছিল যে, স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলায় ধাক্কা দেওয়ার কারণে রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ পারেদেসকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন। তবে অল্প সময় পরই পারেদেসের লাল কার্ডটি নথি থেকে সরিয়ে ফেলা হয় এবং ফিফা বিবিসি স্পোর্টকে নিশ্চিত করে যে তখন কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
৫ দিন আগে