
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেই জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ থেকে নামার পর তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। দুই দিনের গুরুত্বপূর্ণ সফরে চীনে গেছেন তিনি। সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য, কৌশলগত প্রতিযোগিতা ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে বৈঠকের কথা রয়েছে তার।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রাম্পকে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং। শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত হান ঝেং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আয়োজনে চীনের প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন। গত বছর ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত ছিলেন।

বিমানবন্দরে ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে নীল-সাদা ইউনিফর্ম পরিহিত প্রায় ৩০০ চীনা শিশু-কিশোর অংশ নেয়। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পতাকা নেড়ে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানায় এবং মান্দারিন ভাষায় স্লোগান দেয়, ‘স্বাগতম, আন্তরিক স্বাগতম’।
এ সময় ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে ছেলে এরিক ট্রাম্প,পুত্রবধূ লারা এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। লালগালিচা ধরে হান ঝেংয়ের সঙ্গে হাঁটার সময় ট্রাম্পকে হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়। পরে গাড়িবহরে ওঠার আগে মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে সেখানে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
বিমানবন্দরে আরও উপস্থিত ছিলেন চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ, যুক্তরাষ্ট্রে চীনের রাষ্ট্রদূত শিয়ে ফেং এবং চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মা ঝাওসু। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের বর্তমান টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাণিজ্য শুল্ক, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা, তাইওয়ান ইস্যু ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে দুই নেতার আলোচনার দিকে নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের।

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেই জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ থেকে নামার পর তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। দুই দিনের গুরুত্বপূর্ণ সফরে চীনে গেছেন তিনি। সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য, কৌশলগত প্রতিযোগিতা ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে বৈঠকের কথা রয়েছে তার।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্রাম্পকে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং। শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত হান ঝেং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আয়োজনে চীনের প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন। গত বছর ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত ছিলেন।

বিমানবন্দরে ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে নীল-সাদা ইউনিফর্ম পরিহিত প্রায় ৩০০ চীনা শিশু-কিশোর অংশ নেয়। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পতাকা নেড়ে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানায় এবং মান্দারিন ভাষায় স্লোগান দেয়, ‘স্বাগতম, আন্তরিক স্বাগতম’।
এ সময় ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে ছেলে এরিক ট্রাম্প,পুত্রবধূ লারা এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। লালগালিচা ধরে হান ঝেংয়ের সঙ্গে হাঁটার সময় ট্রাম্পকে হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়। পরে গাড়িবহরে ওঠার আগে মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে সেখানে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
বিমানবন্দরে আরও উপস্থিত ছিলেন চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ, যুক্তরাষ্ট্রে চীনের রাষ্ট্রদূত শিয়ে ফেং এবং চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মা ঝাওসু। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের বর্তমান টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাণিজ্য শুল্ক, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা, তাইওয়ান ইস্যু ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে দুই নেতার আলোচনার দিকে নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের।

বুধবার (২৪ জুন) তারিখে জারি করা ওই স্মারকে বলা হয়েছে, দীনেশ ত্রিবেদীকে ‘টেবিল অব প্রিসিডেন্সে’ (টিওপি) কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মন্ত্রীর সমতুল্য মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্ত কেবল তার ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং এ জন্য বিদ্যমান টেবিল অব প্রিসিডেন্সে কোনো সংশোধন আনা হচ্ছে না।
১ দিন আগে
বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে কারাকাস থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে কারাকাস থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
১ দিন আগে
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলগুলো। এর মধ্যে রয়েছে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফালকোন রাজ্য। এসব এলাকায় ভূমিকম্প ও পরবর্তী কম্পনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে।
১ দিন আগে
দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশগত কারণে এয়ারকনের ব্যবহার সীমিত রাখার নীতি অনুসরণ করে আসা দেশটি এখন বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে রেকর্ড তাপমাত্রা, অন্যদিকে হাসপাতাল, স্কুল ও গণসেবার ওপর বাড়তে থাকা চাপ— এ পরিস্থিতি ফ্রান্সের রাজনীতি, পরিবেশনীতি ও জনস্বাস্থ্যের আলোচনাকে নতুন মোড় দিয়েছে।
১ দিন আগে