চাপে রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ করল ভারতের রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২৫, ১৪: ৫৭

আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ করেছে ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন ভারতের বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আসন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা। রিলায়েন্স তাদের গুজরাটের জামনগর ইউনিটের জন্য রুশ অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। খবর বিবিসির।

জানা গেছে, আগামী বছর থেকে তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে আসা রুশ তেলজাত পণ্য আমদানির ওপর ইইউয়ের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে যাচ্ছে। এছাড়া শুক্রবার থেকে রাশিয়ার প্রধান তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রসনেফট ও লুকঅয়েল-এর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে; রিলায়েন্সের এই পদক্ষেপ সেই নিষেধাজ্ঞার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এক বিবৃতিতে রিলায়েন্স বলেছে, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে পণ্য আমদানির ওপর যে বিধিনিষেধ কার্যকর হতে যাচ্ছে, তার সম্পূর্ণ প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নির্ধারিত সময়ের আগেই এই পরিবর্তন সম্পন্ন করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউস রিলায়েন্সের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের প্রেস অফিস বলেছে, আমরা এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানাই এবং যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য আলোচনাকে অর্থবহভাবে এগিয়ে নেওয়ার অপেক্ষায় আছি।

দিল্লির রুশ তেল কেনার বিষয়টি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গত আগস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। এর মধ্যে রুশ তেল ও অস্ত্র কেনার জন্য 'শাস্তিস্বরূপ' ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক অন্তর্ভুক্ত ছিল। ট্রাম্পের অভিযোগ ছিল, এই অর্থের মাধ্যমে ইউক্রেন যুদ্ধের তহবিল জোগাড় করছে মস্কো—যদিও ভারত এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিক নিহত

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) জানিয়েছে, তারা এ হামলার তদন্ত করছে। সংস্থাটি বলেছে, সাংবাদিকরা কোনো অবস্থাতেই বৈধ লক্ষ্যবস্তু নয়, তারা যে প্রতিষ্ঠানের জন্যই কাজ করুক না কেন।

১৩ ঘণ্টা আগে

ইসরায়েলে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

যদি হুথিরা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে থাকা বাব আল-মান্দাব প্রণালী দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তাহলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য আরেকটি বড় আঘাত হবে।

১৫ ঘণ্টা আগে

ইরানে বড় ধরনের স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

স্থল হামলার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে খার্গ দ্বীপকে বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ। যেখান থেকে ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে। হরমুজ দিয়ে যেন নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে এই দ্বীপটি টার্গেট করা হতে পারে।

১৬ ঘণ্টা আগে

জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম যেভাবে মোকাবিলা করছে বিভিন্ন দেশ

নাইজেরিয়া বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ হলেও তাদের কোনো সরকার–মালিকানাধীন রিফাইনারিই চালু নেই।

১৬ ঘণ্টা আগে