
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত শান্তি বৈঠক শুরুর আগমুহূর্তে নতুন নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে ‘লেবাননে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি’ এবং ‘জব্দকৃত সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া’র মতো দুটি প্রধান শর্ত জুড়ে দিয়েছে তেহরান।
ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা শুরু হবে না। এর ফলে আজ শনিবার বিকেলে ইসলামাবাদে হতে যাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, পক্ষগুলোর মধ্যে আগে থেকেই দুটি বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল, কিন্তু সেগুলো এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
গালিবাফের মতে, ওই দুই শর্ত হলো — লেবাননে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত করা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই দুটি বিষয় নিশ্চিত না হলে কোনো আলোচনা শুরু হওয়া উচিত নয়।
বর্তমানে যুদ্ধবিরতির শর্ত নিয়ে মতবিরোধ এবং লেবাননে চলমান সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরান আলোচনার আগে নিজেদের শর্ত পূরণের ওপর জোর দিচ্ছে, যা সম্ভাব্য কূটনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
পাকিস্তানে শনিবা বিকালে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এরই মধ্যে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। তবে ইরানের দিক থেকে কেউ এখনো পাকিস্তানে যাচ্ছেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।
গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতা এবং চীনের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত শান্তি বৈঠক শুরুর আগমুহূর্তে নতুন নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে ‘লেবাননে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি’ এবং ‘জব্দকৃত সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া’র মতো দুটি প্রধান শর্ত জুড়ে দিয়েছে তেহরান।
ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা শুরু হবে না। এর ফলে আজ শনিবার বিকেলে ইসলামাবাদে হতে যাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, পক্ষগুলোর মধ্যে আগে থেকেই দুটি বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল, কিন্তু সেগুলো এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
গালিবাফের মতে, ওই দুই শর্ত হলো — লেবাননে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্ত করা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই দুটি বিষয় নিশ্চিত না হলে কোনো আলোচনা শুরু হওয়া উচিত নয়।
বর্তমানে যুদ্ধবিরতির শর্ত নিয়ে মতবিরোধ এবং লেবাননে চলমান সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরান আলোচনার আগে নিজেদের শর্ত পূরণের ওপর জোর দিচ্ছে, যা সম্ভাব্য কূটনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
পাকিস্তানে শনিবা বিকালে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এরই মধ্যে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। তবে ইরানের দিক থেকে কেউ এখনো পাকিস্তানে যাচ্ছেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।
গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতা এবং চীনের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান।

ট্রাম্পের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এখন সামরিক শক্তি পুনর্বিন্যাসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং আগের চেয়ে আরও উন্নত অস্ত্র প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না গেলে এসব সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মধ্যেই লেবানন সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার আগে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা অপরিহার্য। একদিকে ইরান একে ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ বলে দাবি করলেও, ইসরায়েল লেবাননকে এই চুক্তির বাইরে রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলও এই আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান অভিমুখে রয়েছেন। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত এ আলোচনা নিয়ে আগের দিনেও অনিশ্চয়তা কাটেনি। তবে দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, দুপক্ষের সঙ্গেই তার কথা হয়েছে। এ আলোচনাকে তিনি ‘বাঁচা-মরার লড়াই’ বলে অভিহিত করেছেন, যেখান থেকে সর্বোচ্চ ইতিবাচক ফল আনতে আশাবাদী পা
১২ ঘণ্টা আগে