
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনা শেষে ব্রিটেনের মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং। ‘দূরদৃষ্টি’ না থাকা প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের ওপর ‘আস্থা হারিয়ে’ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সে কারণেই সরকারে থেকে যাওয়া ‘অসৎ ও নীতিবিরোধী’ মনে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন স্ট্রিটিং।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) লন্ডনের স্থানীয় সময় দুপুরে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে পদত্যাগের কথা জানান স্ট্রিটিং। পোস্টের সঙ্গে স্টারমারকে লেখা পদত্যাগপত্রের ছবিও দিয়েছেন তিনি।
ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগে কিয়ের স্টারমারের নেতৃত্ব সংকট আরও গভীর হলো। তবে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত স্টারমারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সবশেষ যে বক্তব্য তিনি দিয়েছিলেন, তাতে পদত্যাগ না করার বিষয়ে অনড় রয়েছেন বলেই জানিয়েছিলেন স্টারমার।
গত সপ্তাহে ব্রিটেন জুড়ে অনুষ্ঠিত স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচনে ব্যাপক ভরাডুবির পর স্টারমার সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করা তিনিই প্রথম পূর্ণমন্ত্রী। এর আগে চলতি সপ্তাহে আরও চারজন জুনিয়র মন্ত্রী ও মন্ত্রী-সহকারী পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগপত্রে স্ট্রিটিং লিখেছেন, ‘সরকারে থেকে যাওয়ার অনেক কারণ ছিল। কিন্তু এ সপ্তাহের শুরুতে আমাদের আলোচনার পর আমি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি, আপনার (প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার) নেতৃত্বে আস্থা হারানোর পরও পদে থাকা অসৎ ও নীতিবিরোধী হবে।’
পদত্যাগপত্রে স্টারমারের কিছু প্রশংসাও করেছেন স্ট্রিটিং। লিখেছেন, ‘২০২৪ সালে আপনি দলকে এমন এক বিজয় এনে দিয়েছিলেন, যা খুব কম মানুষই সম্ভব বলে মনে করেছিল। সেই প্রচারে আপনার পাশে লড়তে পেরে আমি গর্বিত ছিলাম। আপনি বৈশ্বিক অঙ্গনেও, বিশেষ করে ব্রিটেনকে ইরান যুদ্ধের বাইরে রাখার ‘সাহসী ও রাষ্ট্রনায়কোচিত’ ভূমিকা রেখেছেন।
তবে এসব গুণাবলিও তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত আটকাতে পারেনি। সে কারণ তুলে ধরে পদত্যাগী ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘যেখানে আমাদের প্রয়োজন ছিল দূরদর্শিতা, সেখানে আছে শূন্যতা। যেখানে প্রয়োজন ছিল দিকনির্দেশনা, সেখানে আছে ভাসমানতা। সোমবার আপনার ভাষণ এই সংকটকে আরও স্পষ্ট করেছে।’ এমপি ও মন্ত্রীদের বক্তব্য আরও বেশি করে স্টারমারের শোনা উচিত বলে চিঠিতে লিখেছেন স্ট্রিটিং।
স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগ কী বার্তা দিচ্ছে?
বিবিসির প্রধান রাজনৈতিক প্রতিবেদক হেনরি জেফম্যান মনে করছেন, স্ট্রিটিংয়ের চিঠির ভাষা সরকারের ভেতরে থাকা অনেক অসন্তুষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তার অনুভূতির প্রতিফলন। তার মতে, স্ট্রিটিং স্টারমারকে ঘিরে উদ্ভূত ইস্যুটিকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক না রেখে নেতৃত্ব ও দলীয় ভবিষ্যতের প্রশ্নে নিয়ে যেতে চাইছেন।
অন্যদিকে বিবিসির রাজনৈতিক প্রতিবেদক জো পাইক লিখেছেন, স্ট্রিটিংয়ের কৌশল এখন স্পষ্ট— স্টারমারের ওপর এতটাই চাপ তৈরি করা, যেন লেবার এমপিদের আনুষ্ঠানিক বিদ্রোহের আগেই প্রধানমন্ত্রী নিজে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন।
স্ট্রিটিংয়ের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলেন, ‘এখন আমরা দেখব স্টারমার কী করেন। এখনো সুযোগ আছে, তিনি নিজেই সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণা করে এই বিশৃঙ্খলার অবসান ঘটাতে পারেন।’
স্ট্রিটিংয়ের সমর্থকদের দাবি, নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ আনতে প্রয়োজনীয় ৮১ জন এমপির সমর্থন এরই মধ্যে তার পক্ষে রয়েছে। তাদের আরও দাবি, মঙ্গলবারের মধ্যেই আরও কয়েকজন মন্ত্রী সরকার ছাড়তে পারেন, যদিও তারা সবাই মন্ত্রিসভার সদস্য নাও হতে পারেন।
একের পর এক পদত্যাগ
স্ট্রিটিংয়ের আগে মঙ্গলবার সকালে পদত্যাগ করেন কমিউনিটিজমন্ত্রী মাইতা ফাহনবুল্লেহ। পেকহ্যামের এই এমপি পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, ‘জনগণ বিশ্বাস করে না যে আপনি এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে পারবেন, আমিও করি না।’
এরপর পদত্যাগ করেন সুরক্ষাবিষয়ক মন্ত্রী জেস ফিলিপস। তিনি বলেন, ‘কথা নয়, কাজই আসল। আর বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যম নিয়ে এই বিরল সুযোগকে কাজে লাগাতে পারছে না।’
এর কিছুক্ষণ পরই আরেক মন্ত্রী অ্যালেক্স ডেভিস-জোনস পদ ছাড়েন। পন্টিপ্রিডের এই এমপি বলেন, এখন ‘সাহসী ও মৌলিক পদক্ষেপের’ সময় এসেছে।
সবশেষ চতুর্থ মন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক মন্ত্রী জুবায়ের আহমেদ। তিনি স্টারমারের অবস্থানকে ‘সম্পূর্ণ অচল’ উল্লেখ করে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য ‘সুশৃঙ্খল রূপান্তরে’র সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানান।
স্টারমার এখনো অনড়
এত চাপের মধ্যেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি স্টারমার। তবে ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, তার অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে এবং যেকোনো নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে তিনি লড়বেন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলেন, ‘সোমবার তিনি (স্টারমার) যে অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন, সেটাই এখনো বহাল আছে।’
লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব নির্বাচন শুরু হলেও স্টারমার চাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যালটে থাকতে পারবেন।
সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্টারমার বলেন, নির্বাচনি বিপর্যয়ের দায় তিনি নিচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু এখনো ‘নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া’ শুরু হয়নি। তাই সরকারকে শাসনের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনা শেষে ব্রিটেনের মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং। ‘দূরদৃষ্টি’ না থাকা প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের ওপর ‘আস্থা হারিয়ে’ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সে কারণেই সরকারে থেকে যাওয়া ‘অসৎ ও নীতিবিরোধী’ মনে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন স্ট্রিটিং।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) লন্ডনের স্থানীয় সময় দুপুরে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে পদত্যাগের কথা জানান স্ট্রিটিং। পোস্টের সঙ্গে স্টারমারকে লেখা পদত্যাগপত্রের ছবিও দিয়েছেন তিনি।
ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগে কিয়ের স্টারমারের নেতৃত্ব সংকট আরও গভীর হলো। তবে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত স্টারমারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সবশেষ যে বক্তব্য তিনি দিয়েছিলেন, তাতে পদত্যাগ না করার বিষয়ে অনড় রয়েছেন বলেই জানিয়েছিলেন স্টারমার।
গত সপ্তাহে ব্রিটেন জুড়ে অনুষ্ঠিত স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচনে ব্যাপক ভরাডুবির পর স্টারমার সরকারের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করা তিনিই প্রথম পূর্ণমন্ত্রী। এর আগে চলতি সপ্তাহে আরও চারজন জুনিয়র মন্ত্রী ও মন্ত্রী-সহকারী পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগপত্রে স্ট্রিটিং লিখেছেন, ‘সরকারে থেকে যাওয়ার অনেক কারণ ছিল। কিন্তু এ সপ্তাহের শুরুতে আমাদের আলোচনার পর আমি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি, আপনার (প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার) নেতৃত্বে আস্থা হারানোর পরও পদে থাকা অসৎ ও নীতিবিরোধী হবে।’
পদত্যাগপত্রে স্টারমারের কিছু প্রশংসাও করেছেন স্ট্রিটিং। লিখেছেন, ‘২০২৪ সালে আপনি দলকে এমন এক বিজয় এনে দিয়েছিলেন, যা খুব কম মানুষই সম্ভব বলে মনে করেছিল। সেই প্রচারে আপনার পাশে লড়তে পেরে আমি গর্বিত ছিলাম। আপনি বৈশ্বিক অঙ্গনেও, বিশেষ করে ব্রিটেনকে ইরান যুদ্ধের বাইরে রাখার ‘সাহসী ও রাষ্ট্রনায়কোচিত’ ভূমিকা রেখেছেন।
তবে এসব গুণাবলিও তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত আটকাতে পারেনি। সে কারণ তুলে ধরে পদত্যাগী ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘যেখানে আমাদের প্রয়োজন ছিল দূরদর্শিতা, সেখানে আছে শূন্যতা। যেখানে প্রয়োজন ছিল দিকনির্দেশনা, সেখানে আছে ভাসমানতা। সোমবার আপনার ভাষণ এই সংকটকে আরও স্পষ্ট করেছে।’ এমপি ও মন্ত্রীদের বক্তব্য আরও বেশি করে স্টারমারের শোনা উচিত বলে চিঠিতে লিখেছেন স্ট্রিটিং।
স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগ কী বার্তা দিচ্ছে?
বিবিসির প্রধান রাজনৈতিক প্রতিবেদক হেনরি জেফম্যান মনে করছেন, স্ট্রিটিংয়ের চিঠির ভাষা সরকারের ভেতরে থাকা অনেক অসন্তুষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তার অনুভূতির প্রতিফলন। তার মতে, স্ট্রিটিং স্টারমারকে ঘিরে উদ্ভূত ইস্যুটিকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক না রেখে নেতৃত্ব ও দলীয় ভবিষ্যতের প্রশ্নে নিয়ে যেতে চাইছেন।
অন্যদিকে বিবিসির রাজনৈতিক প্রতিবেদক জো পাইক লিখেছেন, স্ট্রিটিংয়ের কৌশল এখন স্পষ্ট— স্টারমারের ওপর এতটাই চাপ তৈরি করা, যেন লেবার এমপিদের আনুষ্ঠানিক বিদ্রোহের আগেই প্রধানমন্ত্রী নিজে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন।
স্ট্রিটিংয়ের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলেন, ‘এখন আমরা দেখব স্টারমার কী করেন। এখনো সুযোগ আছে, তিনি নিজেই সরে যাওয়ার সময়সূচি ঘোষণা করে এই বিশৃঙ্খলার অবসান ঘটাতে পারেন।’
স্ট্রিটিংয়ের সমর্থকদের দাবি, নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ আনতে প্রয়োজনীয় ৮১ জন এমপির সমর্থন এরই মধ্যে তার পক্ষে রয়েছে। তাদের আরও দাবি, মঙ্গলবারের মধ্যেই আরও কয়েকজন মন্ত্রী সরকার ছাড়তে পারেন, যদিও তারা সবাই মন্ত্রিসভার সদস্য নাও হতে পারেন।
একের পর এক পদত্যাগ
স্ট্রিটিংয়ের আগে মঙ্গলবার সকালে পদত্যাগ করেন কমিউনিটিজমন্ত্রী মাইতা ফাহনবুল্লেহ। পেকহ্যামের এই এমপি পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, ‘জনগণ বিশ্বাস করে না যে আপনি এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে পারবেন, আমিও করি না।’
এরপর পদত্যাগ করেন সুরক্ষাবিষয়ক মন্ত্রী জেস ফিলিপস। তিনি বলেন, ‘কথা নয়, কাজই আসল। আর বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যম নিয়ে এই বিরল সুযোগকে কাজে লাগাতে পারছে না।’
এর কিছুক্ষণ পরই আরেক মন্ত্রী অ্যালেক্স ডেভিস-জোনস পদ ছাড়েন। পন্টিপ্রিডের এই এমপি বলেন, এখন ‘সাহসী ও মৌলিক পদক্ষেপের’ সময় এসেছে।
সবশেষ চতুর্থ মন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক মন্ত্রী জুবায়ের আহমেদ। তিনি স্টারমারের অবস্থানকে ‘সম্পূর্ণ অচল’ উল্লেখ করে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য ‘সুশৃঙ্খল রূপান্তরে’র সময়সূচি ঘোষণার আহ্বান জানান।
স্টারমার এখনো অনড়
এত চাপের মধ্যেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি স্টারমার। তবে ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, তার অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে এবং যেকোনো নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে তিনি লড়বেন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলেন, ‘সোমবার তিনি (স্টারমার) যে অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন, সেটাই এখনো বহাল আছে।’
লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব নির্বাচন শুরু হলেও স্টারমার চাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যালটে থাকতে পারবেন।
সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্টারমার বলেন, নির্বাচনি বিপর্যয়ের দায় তিনি নিচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু এখনো ‘নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া’ শুরু হয়নি। তাই সরকারকে শাসনের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার কাশীপুর-বেলগাছিয়া আসনের নবনির্বাচিত বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি দাবি করেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে মুসলিম ধর্মাবলম্বী একজন ভোটারও তাকে ভোট দেয়নি। এ কারণে আগামী পাঁচ বছর বিধায়ক থাকা অবস্থায় তিনি মুসলিমদের জন্য একটি কাজও করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠক শেষে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সারসংক্ষেপে তাইওয়ানের ইস্যুটি আলোচনায় উঠে এসেছিল বলে জানানো হয়েছে। তবে বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত সারসংক্ষেপে তাইওয়ান ইস্যুর কোনো উল্লেখ ছিল না।
১৫ ঘণ্টা আগে
পরিবেশবাদীরা এই অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই আটলান্টিক বনাঞ্চলে ‘শূন্য বন উজাড়’ অর্জন সম্ভব হতে পারে। তবে একই সঙ্গে তারা এমন আশঙ্কাও করছেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও আইনি পরিবর্তন এই অগ্রগতিকে উলটে দিতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে
জিনপিং আরও বলেন, সহযোগিতামূলক সম্পর্কের মাধ্যমে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশই উপকৃত হয়ে থাকে। আর সংঘাতের মাধ্যমে কেবল ক্ষতিই হয়। তাই আমাদের দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হওয়া উচিত।
১৯ ঘণ্টা আগে