
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বিরোধ অবশেষে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করল। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার মাধ্যমে সামরিক শত্রুতার নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানে চলমান এ অভিযান চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। ওয়াশিংটন কি এই যুদ্ধের খরচ বহন করতে পারবে? কত খরচ হতে পারে এতে।
আনাদুলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ২০২৬ সালের পুরো মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রায় ০.১ শতাংশের সমান।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) শুরু হওয়া এই অভিযানে বি-২ স্টিলথ বোম্বার, এফ-৩৫ ফাইটার জেট থেকে শুরু করে পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী এবং টমাহক ক্রুজ মিসাইলের ব্যাপক ব্যবহার এই আকাশচুম্বী ব্যয়ের প্রধান কারণ।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড নিশ্চিত করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের হোয়াইটম্যান বিমানঘাঁটি থেকে চারটি বি-২ স্টিলথ বোম্বার বিরতিহীন উড়ে এসে ইরানে হামলা চালিয়েছে। শুধু এই বোম্বারগুলোর উড্ডয়ন ঘণ্টা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবহৃত ২০০০ পাউন্ডের জেডিএএম বোমার খরচ মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০.২ মিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া এফ-২২, এফ-৩৫ এবং এফ-১৬-এর মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর কয়েক দফা আক্রমণ ও সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে খরচ হয়েছে আরও ২৭১.৩৪ মিলিয়ন ডলার।
অভিযানে বিশেষায়িত বিমান যেমন ইএ-১৮জি গ্রাউলার, এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কারের পাশাপাশি স্থলভিত্তিক হাইমার্স ব্যাটারি ব্যবহারের ফলে মোট আকাশ ও স্থল সম্পদের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪২৩.৫৭ মিলিয়ন ডলারে। সমুদ্রে মোতায়েন থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ও ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বিমানবাহী রণতরী দুটির দৈনিক পরিচালনা ব্যয় ছিল প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার।
এর বাইরে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নৌবাহিনী প্রায় ২০০টি টমাহক ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৪০.৪ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে এক দিনের এই যুদ্ধের খরচ দাঁড়িয়েছে ৭৭৯.১৭৪ মিলিয়ন ডলারে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহযোগিতা প্রদান করেছে। এ ছাড়া ইয়েমেন, ইরান ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের অভিযান পরিচালনা করতে খরচ করেছে প্রায় ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারের মতো। যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের যুদ্ধ ব্যয় প্রায় ৩১ থেকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বিরোধ অবশেষে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করল। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার মাধ্যমে সামরিক শত্রুতার নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানে চলমান এ অভিযান চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। ওয়াশিংটন কি এই যুদ্ধের খরচ বহন করতে পারবে? কত খরচ হতে পারে এতে।
আনাদুলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ২০২৬ সালের পুরো মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রায় ০.১ শতাংশের সমান।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) শুরু হওয়া এই অভিযানে বি-২ স্টিলথ বোম্বার, এফ-৩৫ ফাইটার জেট থেকে শুরু করে পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী এবং টমাহক ক্রুজ মিসাইলের ব্যাপক ব্যবহার এই আকাশচুম্বী ব্যয়ের প্রধান কারণ।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড নিশ্চিত করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের হোয়াইটম্যান বিমানঘাঁটি থেকে চারটি বি-২ স্টিলথ বোম্বার বিরতিহীন উড়ে এসে ইরানে হামলা চালিয়েছে। শুধু এই বোম্বারগুলোর উড্ডয়ন ঘণ্টা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবহৃত ২০০০ পাউন্ডের জেডিএএম বোমার খরচ মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০.২ মিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া এফ-২২, এফ-৩৫ এবং এফ-১৬-এর মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর কয়েক দফা আক্রমণ ও সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে খরচ হয়েছে আরও ২৭১.৩৪ মিলিয়ন ডলার।
অভিযানে বিশেষায়িত বিমান যেমন ইএ-১৮জি গ্রাউলার, এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কারের পাশাপাশি স্থলভিত্তিক হাইমার্স ব্যাটারি ব্যবহারের ফলে মোট আকাশ ও স্থল সম্পদের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪২৩.৫৭ মিলিয়ন ডলারে। সমুদ্রে মোতায়েন থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ও ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বিমানবাহী রণতরী দুটির দৈনিক পরিচালনা ব্যয় ছিল প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার।
এর বাইরে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নৌবাহিনী প্রায় ২০০টি টমাহক ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৪০.৪ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে এক দিনের এই যুদ্ধের খরচ দাঁড়িয়েছে ৭৭৯.১৭৪ মিলিয়ন ডলারে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহযোগিতা প্রদান করেছে। এ ছাড়া ইয়েমেন, ইরান ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের অভিযান পরিচালনা করতে খরচ করেছে প্রায় ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারের মতো। যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের যুদ্ধ ব্যয় প্রায় ৩১ থেকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের পালটা সামরিক অভিযান ‘ট্রু প্রমিস ৪’ শুরুর পর প্রথম দুই দিনে অন্তত ৬৫০ জন মার্কিন সামরিক সদস্য হতাহত হয়েছেন। তবে এতে আহত ও নিহতের সংখ্যা আলাদা করে জানায়নি আইআরজিসি।
৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক আলোচনায় দ্রুত ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন— যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাঝারি ও মাঝারির থেকে কিছুটা উন্নতমানের অস্ত্রের ‘পর্যাপ্ত’ মজুত আছে এবং তা দিয়ে ‘চিরকাল’ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।
৬ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন মিশনগুলোতে সব কনস্যুলার সেবা বাতিলের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এ ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
৭ ঘণ্টা আগে