
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রেকর্ড পরিমাণ দাবদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ফ্রান্সসহ পুরো ইউরোপ। তীব্র গরম থেকে বাঁচতে জলাশয়ে শীতল হওয়ার চেষ্টায় ফ্রান্সে গত কয়েক দিনে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই তরুণ। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়ান লিকরনু এই তথ্য নিশ্চিত করে পরিস্থিতিকে ‘দুঃখজনক অভিশাপ’ বলে অভিহিত করেছেন।
দেশটির আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার ফ্রান্সের ইতিহাসে উষ্ণতম দিন রেকর্ড করা হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি শহরে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৪৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। অসহনীয় এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফ্রান্সের ৫৪টি বিভাগে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে, যা আজ বুধবার আরও বেড়ে ৫৮টিতে দাঁড়াতে পারে।
তীব্র গরমে দিশেহারা মানুষ নদী, খাল ও জলাশয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ায় প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। অনুমোদনহীন বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সাঁতার কাটা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছেন দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী মারিনা ফেরারি। এমনকি কার্পেনত্রাস এলাকায় গাড়ির ভেতর অচেতন হয়ে দুই শিশুর মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, ‘ওমেগা ব্লক’ নামক একটি বিশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে উষ্ণ বাতাস আটকে পড়ে এই তীব্র দাবদাহের তৈরি হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা চলমান এই পরিস্থিতির সাথে ২০০৩ সালের ভয়াবহ দাবদাহের তুলনা করছেন, যেবার ইউরোপজুড়ে প্রায় ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাপমাত্রা এমন চড়া থাকতে পারে।
ফ্রান্সের পাশাপাশি ইতালি, ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড ও স্পেনেও দাবদাহের তীব্র আঁচ লেগেছে। ইতালির ১৫টি শহরে সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা এবং ব্রিটেনে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি ছাড়ানোর পূর্বাভাসে স্কুল ছুটি দেওয়া হয়েছে। তীব্র গরমের কারণে ইউরোপের পরিবহন ব্যবস্থায় ধস নেমেছে এবং প্যারিসের আইফেল টাওয়ারসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

রেকর্ড পরিমাণ দাবদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ফ্রান্সসহ পুরো ইউরোপ। তীব্র গরম থেকে বাঁচতে জলাশয়ে শীতল হওয়ার চেষ্টায় ফ্রান্সে গত কয়েক দিনে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই তরুণ। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়ান লিকরনু এই তথ্য নিশ্চিত করে পরিস্থিতিকে ‘দুঃখজনক অভিশাপ’ বলে অভিহিত করেছেন।
দেশটির আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার ফ্রান্সের ইতিহাসে উষ্ণতম দিন রেকর্ড করা হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি শহরে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৪৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। অসহনীয় এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফ্রান্সের ৫৪টি বিভাগে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে, যা আজ বুধবার আরও বেড়ে ৫৮টিতে দাঁড়াতে পারে।
তীব্র গরমে দিশেহারা মানুষ নদী, খাল ও জলাশয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ায় প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। অনুমোদনহীন বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সাঁতার কাটা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছেন দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী মারিনা ফেরারি। এমনকি কার্পেনত্রাস এলাকায় গাড়ির ভেতর অচেতন হয়ে দুই শিশুর মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, ‘ওমেগা ব্লক’ নামক একটি বিশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে উষ্ণ বাতাস আটকে পড়ে এই তীব্র দাবদাহের তৈরি হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা চলমান এই পরিস্থিতির সাথে ২০০৩ সালের ভয়াবহ দাবদাহের তুলনা করছেন, যেবার ইউরোপজুড়ে প্রায় ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাপমাত্রা এমন চড়া থাকতে পারে।
ফ্রান্সের পাশাপাশি ইতালি, ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড ও স্পেনেও দাবদাহের তীব্র আঁচ লেগেছে। ইতালির ১৫টি শহরে সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা এবং ব্রিটেনে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি ছাড়ানোর পূর্বাভাসে স্কুল ছুটি দেওয়া হয়েছে। তীব্র গরমের কারণে ইউরোপের পরিবহন ব্যবস্থায় ধস নেমেছে এবং প্যারিসের আইফেল টাওয়ারসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

মঙ্গলবার (২৩ জুন) লন্ডন ক্লাইমেট অ্যাকশন উইকে বক্তব্য দেন গুতেরেস। সেখানে তিনি বলেন, বিশ্ব এখন একই সঙ্গে দুটি সংকটের মুখোমুখি— জলবায়ু সংকট ও জ্বালানি সংকট। এই দুই সংকটের মূল উৎস একটিই, আর তা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি।
১৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার ফ্রান্সের অধিকাংশ এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়। এ দিন এক জরুরি বৈঠক শেষে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু জানান, তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট সংকটে সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারাচ্ছেন তরুণরা। তিনি এই ঘটনাকে ‘মর্মান্তিক দুর্যোগ’ বলে উল্লেখ করেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সহায়তার জন্য ইসরায়েল গোপনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা ‘স্টারলিংকে’র রিসিভার পাচার করেছিল বলে দাবি করেছেন দেশটির সাবেক এক প্রধানমন্ত্রী। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার সেই পরিকল্পনাটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি
১৮ ঘণ্টা আগে
ব্রেক্সিট গণভোটের ১০ বছর পূর্তির দিনে সেই রাজনৈতিক যাত্রাপথের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের সিদ্ধান্ত দেশটির জন্য শুধু একটি পররাষ্ট্র বা অর্থনৈতিক নীতিগত পরিবর্তন ছিল না; বরং এটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে, যার প্রভাব এখনো দেশটির রাজনীতিতে স্পষ্ট।
১৯ ঘণ্টা আগে