
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউরোপ জুড়ে রেকর্ড তাপপ্রবাহের পর এবার একই ধরনের দাবদাহের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বড় একটি অংশ। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই দেশটির মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে ৩৮ থেকে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে আরও ঘন ঘন ও তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই এখন বড় প্রশ্ন— মানুষের শরীর কি এই পরিবর্তিত আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে?
জুনের শেষ সপ্তাহে ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড ও জার্মানিতে একের পর এক তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। জার্মান আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, বছরের এত শুরুর দিকে এত দীর্ঘ সময় ধরে এত তীব্র গরম দেশটিতে আগে কখনো দেখা যায়নি।

দিনের বেলায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অনেক ওপরে তাপমাত্রা এবং রাতেও ২০ ডিগ্রির নিচে না নামা মানুষের শরীরের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করে। বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত মানুষ এবং বাইরে বা শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করা ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
উষ্ণ অঞ্চলের মানুষ কি গরম বেশি সহ্য করতে পারেন?
জার্মানির অগসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশগত চিকিৎসাবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও পরিবেশগত রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্লডিয়া ট্রাইডল-হফম্যানের মতে, মানুষের শরীর অবশ্যই গরমের সঙ্গে কিছুটা মানিয়ে নিতে পারে। যারা দীর্ঘ সময় ধরে উষ্ণ পরিবেশে বসবাস করেন, তাদের শরীরে এই অভিযোজন তুলনামূলক বেশি গড়ে ওঠে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের অভিযোজন কয়েক বছরে হয় না। তার বই ‘মেডিসিন অব দ্য ফিউচার— হিলিং ইন আ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড’-এ তিনি লিখেছেন, পরিবেশগত পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের শরীরের পূর্ণ অভিযোজন ঘটতে শতাব্দী লেগে যেতে পারে।
অতিরিক্ত গরমে শরীরে কী ঘটে?
ট্রাইডল-হফম্যান বলেন, বাইরের তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেই শরীর নিজের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া শুরু করে। রক্তনালী প্রসারিত হয়, যেন শরীর থেকে তাপ বেরিয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি ঘাম শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এই দুটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলে।
কিন্তু এই ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে ওঠে। হৃদ্রোগ, স্ট্রোক থেকে শুরু করে একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ট্রাইডল-হফম্যানের ভাষায়, শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে প্রথমে বিপাকীয় কার্যক্রম দ্রুততর হয়। এরপর শরীর ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, স্নায়ুতন্ত্রসহ প্রায় সব শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শরীরের তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে কোষের মারাত্মক ক্ষতি, একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়া এবং দ্রুত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যুও ঘটতে পারে।
চরম গরমে ফুসফুসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর সুনির্দিষ্ট জৈবিক প্রক্রিয়া এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে গবেষকদের ধারণা, অতিরিক্ত গরম বাতাস শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে প্রদাহের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ফলে ফুসফুস সহজেই সংক্রমণের শিকার হতে পারে।
তাপপ্রবাহের সময় কী করা উচিত, কী এড়িয়ে চলা উচিত?
ট্রাইডল-হফম্যানের মতে, অধিকাংশ মানুষ তাপপ্রবাহ শুরু হওয়ার পরই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। অথচ প্রস্তুতি নেওয়া উচিত অনেক আগেই।
তিনি পরামর্শ দেন, বছরের শুরু থেকেই চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজন হলে ওষুধের মাত্রা সমন্বয় করা উচিত। যাদের অ্যালার্জি রয়েছে, তারা আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ইমিউনোথেরাপি নিতে পারেন। একজিমার মতো দীর্ঘস্থায়ী ত্বকের সমস্যারও আগেভাগে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

ট্রাইডল-হফম্যান বলেন, ‘গরমের মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই প্রতিটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত।’
তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলে পর্যাপ্ত পানি পান এবং হালকা ও উদ্ভিদভিত্তিক খাবার গ্রহণের পাশাপাশি ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন তিনি। এতে শরীর দিনের তাপজনিত চাপ থেকে কিছুটা হলেও পুনরুদ্ধারের সুযোগ পায়।
ভবিষ্যতের উষ্ণ পৃথিবীর সঙ্গে কি মানুষ মানিয়ে নিতে পারবে?
অতিরিক্ত গরমে মানুষের ঘুম ব্যাহত হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাবে শরীর এমন একপর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ডিকমপেনসেশন’ বলা হয়। অর্থাৎ এ অবস্থায় শরীর আর নিজের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে পারে না।

ট্রাইডল-হফম্যানের মতে, মানুষের অভিযোজন ক্ষমতা অনেকটা একটি পাত্রের মতো। বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত মানুষ বা নিয়মিত ওষুধ গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে এই পাত্র খুব দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায়। ফলে তাপপ্রবাহের প্রভাব তাদের ওপর অনেক বেশি পড়ে। অন্যদিকে তরুণ, সুস্থ ও উষ্ণ আবহাওয়ায় অভ্যস্ত মানুষের সহনশীলতা তুলনামূলক বেশি হলেও তারও সীমা রয়েছে।
সবশেষে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘গরম দিনের সংখ্যা যেভাবে হারে বাড়ছে এবং জলবায়ু যেভাবে দ্রুত বদলে যাচ্ছে, সেই গতির সঙ্গে মানুষ বা প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র— কেউই পুরোপুরি খাপ খাইয়ে নিতে পারবে না।’
[ডয়েচে ভেলে অবলম্বনে]

ইউরোপ জুড়ে রেকর্ড তাপপ্রবাহের পর এবার একই ধরনের দাবদাহের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বড় একটি অংশ। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই দেশটির মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে ৩৮ থেকে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে আরও ঘন ঘন ও তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই এখন বড় প্রশ্ন— মানুষের শরীর কি এই পরিবর্তিত আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে?
জুনের শেষ সপ্তাহে ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড ও জার্মানিতে একের পর এক তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। জার্মান আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, বছরের এত শুরুর দিকে এত দীর্ঘ সময় ধরে এত তীব্র গরম দেশটিতে আগে কখনো দেখা যায়নি।

দিনের বেলায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অনেক ওপরে তাপমাত্রা এবং রাতেও ২০ ডিগ্রির নিচে না নামা মানুষের শরীরের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করে। বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত মানুষ এবং বাইরে বা শারীরিক পরিশ্রমের কাজ করা ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
উষ্ণ অঞ্চলের মানুষ কি গরম বেশি সহ্য করতে পারেন?
জার্মানির অগসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশগত চিকিৎসাবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও পরিবেশগত রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্লডিয়া ট্রাইডল-হফম্যানের মতে, মানুষের শরীর অবশ্যই গরমের সঙ্গে কিছুটা মানিয়ে নিতে পারে। যারা দীর্ঘ সময় ধরে উষ্ণ পরিবেশে বসবাস করেন, তাদের শরীরে এই অভিযোজন তুলনামূলক বেশি গড়ে ওঠে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের অভিযোজন কয়েক বছরে হয় না। তার বই ‘মেডিসিন অব দ্য ফিউচার— হিলিং ইন আ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড’-এ তিনি লিখেছেন, পরিবেশগত পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের শরীরের পূর্ণ অভিযোজন ঘটতে শতাব্দী লেগে যেতে পারে।
অতিরিক্ত গরমে শরীরে কী ঘটে?
ট্রাইডল-হফম্যান বলেন, বাইরের তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেই শরীর নিজের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া শুরু করে। রক্তনালী প্রসারিত হয়, যেন শরীর থেকে তাপ বেরিয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি ঘাম শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এই দুটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলে।
কিন্তু এই ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে ওঠে। হৃদ্রোগ, স্ট্রোক থেকে শুরু করে একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ট্রাইডল-হফম্যানের ভাষায়, শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে প্রথমে বিপাকীয় কার্যক্রম দ্রুততর হয়। এরপর শরীর ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, স্নায়ুতন্ত্রসহ প্রায় সব শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শরীরের তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে কোষের মারাত্মক ক্ষতি, একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়া এবং দ্রুত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যুও ঘটতে পারে।
চরম গরমে ফুসফুসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর সুনির্দিষ্ট জৈবিক প্রক্রিয়া এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে গবেষকদের ধারণা, অতিরিক্ত গরম বাতাস শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে প্রদাহের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ফলে ফুসফুস সহজেই সংক্রমণের শিকার হতে পারে।
তাপপ্রবাহের সময় কী করা উচিত, কী এড়িয়ে চলা উচিত?
ট্রাইডল-হফম্যানের মতে, অধিকাংশ মানুষ তাপপ্রবাহ শুরু হওয়ার পরই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। অথচ প্রস্তুতি নেওয়া উচিত অনেক আগেই।
তিনি পরামর্শ দেন, বছরের শুরু থেকেই চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজন হলে ওষুধের মাত্রা সমন্বয় করা উচিত। যাদের অ্যালার্জি রয়েছে, তারা আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ইমিউনোথেরাপি নিতে পারেন। একজিমার মতো দীর্ঘস্থায়ী ত্বকের সমস্যারও আগেভাগে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

ট্রাইডল-হফম্যান বলেন, ‘গরমের মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই প্রতিটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত।’
তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলে পর্যাপ্ত পানি পান এবং হালকা ও উদ্ভিদভিত্তিক খাবার গ্রহণের পাশাপাশি ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন তিনি। এতে শরীর দিনের তাপজনিত চাপ থেকে কিছুটা হলেও পুনরুদ্ধারের সুযোগ পায়।
ভবিষ্যতের উষ্ণ পৃথিবীর সঙ্গে কি মানুষ মানিয়ে নিতে পারবে?
অতিরিক্ত গরমে মানুষের ঘুম ব্যাহত হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাবে শরীর এমন একপর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ডিকমপেনসেশন’ বলা হয়। অর্থাৎ এ অবস্থায় শরীর আর নিজের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে পারে না।

ট্রাইডল-হফম্যানের মতে, মানুষের অভিযোজন ক্ষমতা অনেকটা একটি পাত্রের মতো। বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত মানুষ বা নিয়মিত ওষুধ গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে এই পাত্র খুব দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায়। ফলে তাপপ্রবাহের প্রভাব তাদের ওপর অনেক বেশি পড়ে। অন্যদিকে তরুণ, সুস্থ ও উষ্ণ আবহাওয়ায় অভ্যস্ত মানুষের সহনশীলতা তুলনামূলক বেশি হলেও তারও সীমা রয়েছে।
সবশেষে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘গরম দিনের সংখ্যা যেভাবে হারে বাড়ছে এবং জলবায়ু যেভাবে দ্রুত বদলে যাচ্ছে, সেই গতির সঙ্গে মানুষ বা প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র— কেউই পুরোপুরি খাপ খাইয়ে নিতে পারবে না।’
[ডয়েচে ভেলে অবলম্বনে]

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৪ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার। আর এর উৎপত্তিস্থল ছিল হিরারা শহর থেকে প্রায় ১৩৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে সাগরের তলদেশে।
৫ ঘণ্টা আগে
মেহের নিউজ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ৪০ দিনব্যাপী যুদ্ধের প্রথম দিনেই মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হন। তাঁর দাফন প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে ইতোমধ্যে রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা ইরানে পৌঁছেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানিয়েছেন, এই হামলায় আরও অন্তত ৯২ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তারা আমাদের জন্য ছিল না!’ তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর জন্য যে পরিমাণ ব্যয় ও দায়ভার বহন করছে, অন্য সদস্যরা তার তুলনায় অনেক কম অবদান রাখছে।
৫ ঘণ্টা আগে