
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের মালিকানধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সের ওর ১৪ কোটি জরিমানা আরোপ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ইউরোপের ২৭ দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বিলুপ্ত করা উচিত।
সম্প্রতি অনলাইন কনটেন্টের নিয়ম-কানুন লঙ্ঘনের দায়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) এক্সের ওপর এই জরিমানা আরোপ করা হয়।
মূলত নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগে এই প্রথমবার ডিএসএ আইনে কোনও বড় প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নিল ইউরোপীয় কমিশন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় অঙ্কের এই জরিমানার পর করা পাল্টা মন্তব্যে টেসলা ও এক্স–এর মালিক ইলন মাস্ক শনিবার তার ২৩ কোটি অনুসারীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন- ইইউ ‘বিলুপ্ত’ হওয়া উচিত।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঘোষিত এক হাইপ্রোফাইল তদন্তের পর শুক্রবার এক্স প্ল্যাটফর্মকে ১২ কোটি ইউরো (১৪ কোটি ডলার) জরিমানা করে ইউরোপীয় ব্লকটি। মূলত এই তদন্তকে বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণে ইইউর সক্ষমতা প্রমাণের পরীক্ষাস্বরূপ দেখা হচ্ছিল।
অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দ্রুতই এই জরিমানার সমালোচনা করে। প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ট্রাম্প ও মাস্ক দু’জনই সরকারি খরচ কমানো এবং ফেডারেল কর্মীবাহিনী ছাঁটাইয়ের মতো ইস্যুতে অভিন্ন অবস্থানে ছিলেন, যদিও পরে তাদের সম্পর্ক খারাপ হয়।
জরিমানার খবর প্রকাশের পর মাস্ক তার এক্স অ্যাকাউন্টে লেখেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) বিলুপ্ত করা উচিত এবং সার্বভৌম ক্ষমতা দেশগুলোর হাতেই ফিরে যাওয়া উচিত, যাতে প্রতিটি সরকার তাদের দেশের জনগণকে আরও ভালোভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।”
পরে এক ব্যবহারকারী তার মন্তব্যটি পুনরায় পোস্ট করলে মাস্ক জবাব দেন, “আমি সত্যিই বলেছি। এটা কোনও মজা নয়।”
আরেক পোস্টে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এই ধনকুবের লেখেন, “আমি ইউরোপকে ভালোবাসি, কিন্তু ইইউ নামের এই আমলাতান্ত্রিক দানবকে ভালোবাসি না।”
সংবাদমাধ্যম বলছে, কিছুদিন আগেই ইউরোপে ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ) নামে যুগান্তকারী আইন করা হয়েছে। আর সেই আইনের প্রথম শিকার হলো মাস্কের এক্স। কমিশন বলছে, ডিএসএ-এর স্বচ্ছতার নিয়ম ভেঙেছে এক্স প্ল্যাটফর্ম।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার দাবি, এক্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা চাইলে অর্থের বিনিময়ে তাদের প্রোফাইলে ব্লু বা নীল টিক চিহ্ন বা ব্যাজ যুক্ত করতে পারেন। এই নীল চিহ্নের ডিজাইন নিয়ে আপত্তি তুলেছে তারা। ফলে ওই ব্লু টিকধারী অ্যাকাউন্ট নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ‘ভ্রান্ত ধারণা’ তৈরি হতে পারে। এতে অনেকেই প্রতারণার শিকার হতে পারেন।
ইউরোপ মূলত বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানির লাগাম টেনে ধরার চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে ছোট প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্যও জায়গা তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য। সেই সঙ্গে গ্রাহকরা যেন আরও স্বাধীনতা পান, তা নিশ্চিত করাও এই প্রচেষ্টার লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে।
সূত্র: ডেইলি মেইল, জিবি নিউজ, নিউজ অস্ট্রেলিয়া, জিও নিউজ

মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের মালিকানধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সের ওর ১৪ কোটি জরিমানা আরোপ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ইউরোপের ২৭ দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বিলুপ্ত করা উচিত।
সম্প্রতি অনলাইন কনটেন্টের নিয়ম-কানুন লঙ্ঘনের দায়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) এক্সের ওপর এই জরিমানা আরোপ করা হয়।
মূলত নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগে এই প্রথমবার ডিএসএ আইনে কোনও বড় প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নিল ইউরোপীয় কমিশন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় অঙ্কের এই জরিমানার পর করা পাল্টা মন্তব্যে টেসলা ও এক্স–এর মালিক ইলন মাস্ক শনিবার তার ২৩ কোটি অনুসারীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন- ইইউ ‘বিলুপ্ত’ হওয়া উচিত।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঘোষিত এক হাইপ্রোফাইল তদন্তের পর শুক্রবার এক্স প্ল্যাটফর্মকে ১২ কোটি ইউরো (১৪ কোটি ডলার) জরিমানা করে ইউরোপীয় ব্লকটি। মূলত এই তদন্তকে বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম নিয়ন্ত্রণে ইইউর সক্ষমতা প্রমাণের পরীক্ষাস্বরূপ দেখা হচ্ছিল।
অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দ্রুতই এই জরিমানার সমালোচনা করে। প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ট্রাম্প ও মাস্ক দু’জনই সরকারি খরচ কমানো এবং ফেডারেল কর্মীবাহিনী ছাঁটাইয়ের মতো ইস্যুতে অভিন্ন অবস্থানে ছিলেন, যদিও পরে তাদের সম্পর্ক খারাপ হয়।
জরিমানার খবর প্রকাশের পর মাস্ক তার এক্স অ্যাকাউন্টে লেখেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) বিলুপ্ত করা উচিত এবং সার্বভৌম ক্ষমতা দেশগুলোর হাতেই ফিরে যাওয়া উচিত, যাতে প্রতিটি সরকার তাদের দেশের জনগণকে আরও ভালোভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।”
পরে এক ব্যবহারকারী তার মন্তব্যটি পুনরায় পোস্ট করলে মাস্ক জবাব দেন, “আমি সত্যিই বলেছি। এটা কোনও মজা নয়।”
আরেক পোস্টে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এই ধনকুবের লেখেন, “আমি ইউরোপকে ভালোবাসি, কিন্তু ইইউ নামের এই আমলাতান্ত্রিক দানবকে ভালোবাসি না।”
সংবাদমাধ্যম বলছে, কিছুদিন আগেই ইউরোপে ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ) নামে যুগান্তকারী আইন করা হয়েছে। আর সেই আইনের প্রথম শিকার হলো মাস্কের এক্স। কমিশন বলছে, ডিএসএ-এর স্বচ্ছতার নিয়ম ভেঙেছে এক্স প্ল্যাটফর্ম।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার দাবি, এক্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা চাইলে অর্থের বিনিময়ে তাদের প্রোফাইলে ব্লু বা নীল টিক চিহ্ন বা ব্যাজ যুক্ত করতে পারেন। এই নীল চিহ্নের ডিজাইন নিয়ে আপত্তি তুলেছে তারা। ফলে ওই ব্লু টিকধারী অ্যাকাউন্ট নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ‘ভ্রান্ত ধারণা’ তৈরি হতে পারে। এতে অনেকেই প্রতারণার শিকার হতে পারেন।
ইউরোপ মূলত বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানির লাগাম টেনে ধরার চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে ছোট প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্যও জায়গা তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য। সেই সঙ্গে গ্রাহকরা যেন আরও স্বাধীনতা পান, তা নিশ্চিত করাও এই প্রচেষ্টার লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে।
সূত্র: ডেইলি মেইল, জিবি নিউজ, নিউজ অস্ট্রেলিয়া, জিও নিউজ

আল জাজিরা বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের ‘একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে’ নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে তেহরান বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে হামলা চালানোর দাবি করেছে।
১ দিন আগে
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিলাম। কিন্তু ওরা আমাদের ঝুলিয়ে রাখছে। ওরা আমাদের বোকা বানাচ্ছে, কারণ জানেন কি? ওরা এর আগে কিছু খুবই বোকা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করেছে।’
২ দিন আগে
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় বুশেহের প্রদেশের জামে এলাকায় ড্রোনটি লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। ড্রোনটি ভূপাতিত করতে আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।
২ দিন আগে
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু ভেবেছিলেন, ইরানের শাসনব্যবস্থাকে নড়বড়ে করে দেওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, তেহরানের শাসকগোষ্ঠী তাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি স্থিতিশীল এবং কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
২ দিন আগে