
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলি হামলায় নিহতের খবর ছাপিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এলো ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদের অবস্থান।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল নিশ্চিত করেছে যে, সাম্প্রতিক ভয়াবহ হামলার পরও তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত ও জীবিত আছেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বর্তমানে তাকে একটি গোপন ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে দেশটির বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী।
সূত্রগুলোর দাবি, আহমাদিনেজাদ কোনও ধরনের শারীরিক ক্ষতির শিকার হননি। নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহান্তে ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে আহমাদিনেজাদের অবস্থান নিয়ে ইরানের বিভিন্ন গণমাধ্যমে পরস্পরবিরোধী খবর প্রকাশিত হয়। কিছু সংবাদমাধ্যমে তাকে নিহত হওয়ার দাবি করা হলেও অন্য কয়েকটি গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি।
আহমেদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি কট্টরপন্থি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার।
২০০৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি আবারও ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু ওই নির্বাচনটি ছিল বিতর্কিত। সে বছরের নির্বাচনের পর ইরানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল।

ইসরায়েলি হামলায় নিহতের খবর ছাপিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এলো ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদের অবস্থান।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল নিশ্চিত করেছে যে, সাম্প্রতিক ভয়াবহ হামলার পরও তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত ও জীবিত আছেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বর্তমানে তাকে একটি গোপন ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে দেশটির বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী।
সূত্রগুলোর দাবি, আহমাদিনেজাদ কোনও ধরনের শারীরিক ক্ষতির শিকার হননি। নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহান্তে ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে আহমাদিনেজাদের অবস্থান নিয়ে ইরানের বিভিন্ন গণমাধ্যমে পরস্পরবিরোধী খবর প্রকাশিত হয়। কিছু সংবাদমাধ্যমে তাকে নিহত হওয়ার দাবি করা হলেও অন্য কয়েকটি গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি।
আহমেদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি কট্টরপন্থি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার।
২০০৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি আবারও ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু ওই নির্বাচনটি ছিল বিতর্কিত। সে বছরের নির্বাচনের পর ইরানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল।

খামেনির শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে তার জন্মভূমি এবং পবিত্র নগরী মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে সমাহিত করা হবে। ৮৬ বছর বয়সী এই নেতার মৃত্যুতে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ এখন এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে আলি খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় তারই ছেলে মুজতবা খামেনি বরাবরই আলোচনায় ছিলেন। ৫৬ বছর বয়সী এই আলেমকে কট্টরপন্থি ধারার ধারক হিসেবে দেখা হয়। বলা হয়ে থাকে, বাবার মতাদর্শের অনুসারী তিনি। তবে কখনো সরকারি কোনো দায়িত্ব পালন করেননি তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেছিলেন, খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের বর্তমান নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। কিন্তু সেটি উড়িয়ে দিয়েছিল তেহরান।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েল সামরিক বাহিনী বা আইডিএফ টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে "অসংখ্য গোলাবারুদ" নিক্ষেপ করা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে