
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করতে মার্কিন বাহিনীর চালানো অভিযানে কিউবার ৩২ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
রোববার (৪ জানুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করে কিউবা সরকার নিহতদের স্মরণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।
এদিকে আটক মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে আজ সোমবার ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে তাদের হাজির করার কথা রয়েছে। এই অভিযানকে 'নির্মম' আখ্যা দিয়ে ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনী বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
হাভানা সরকার আরও ঘোষণা দেয়, নিহতদের স্মরণে আগামী ৫ ও ৬ জানুয়ারি দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং পরে জানাজা ও দাফনের খবর জানানো হবে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা প্রেনসা লাতিনা জানিয়েছে, নিহত কিউবান ‘যোদ্ধারা’ ভেনেজুয়েলা সরকারের অনুরোধে সে দেশের সামরিক বাহিনীর পক্ষে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সংবাদ সংস্থাটি আরও জানায়, তারা আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অথবা সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলার ফলে নিহত হন। প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলার পরই তারা প্রাণ হারান বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে
ভেনেজুয়েলার সরকারের ঘনিষ্ঠ মিত্র কিউবা বহু বছর ধরেই দেশটিতে সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর সদস্য পাঠিয়ে সহায়তা দিয়ে আসছে।
মার্কিন বাহিনীর অভিযানের পর মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের বিরুদ্ধে মাদক পাচারসংক্রান্ত মামলায় বিচার হবে। ৬৩ বছর বয়সি ভেনেজুয়েলার এই নেতাকে আজ ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে হাজির করার কথা আছে। তিনি অবশ্য আগেই সব ধরনের অপরাধের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এদিকে, মার্কিন সেনাদের হাতে চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরা অবস্থায় মাদুরোর ছবিগুলো প্রকাশের পর ভেনেজুয়েলাজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ভ্লাদিমির পাদ্রিনো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলায় সেনা, বেসামরিক নাগরিক এবং মাদুরোর নিরাপত্তা দলের ‘একটি বড় অংশ’ নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন।
তিনি জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভেনেজুয়েলার সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করতে মার্কিন বাহিনীর চালানো অভিযানে কিউবার ৩২ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
রোববার (৪ জানুয়ারি) এই তথ্য নিশ্চিত করে কিউবা সরকার নিহতদের স্মরণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।
এদিকে আটক মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে আজ সোমবার ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে তাদের হাজির করার কথা রয়েছে। এই অভিযানকে 'নির্মম' আখ্যা দিয়ে ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনী বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
হাভানা সরকার আরও ঘোষণা দেয়, নিহতদের স্মরণে আগামী ৫ ও ৬ জানুয়ারি দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং পরে জানাজা ও দাফনের খবর জানানো হবে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা প্রেনসা লাতিনা জানিয়েছে, নিহত কিউবান ‘যোদ্ধারা’ ভেনেজুয়েলা সরকারের অনুরোধে সে দেশের সামরিক বাহিনীর পক্ষে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সংবাদ সংস্থাটি আরও জানায়, তারা আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অথবা সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলার ফলে নিহত হন। প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলার পরই তারা প্রাণ হারান বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে
ভেনেজুয়েলার সরকারের ঘনিষ্ঠ মিত্র কিউবা বহু বছর ধরেই দেশটিতে সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর সদস্য পাঠিয়ে সহায়তা দিয়ে আসছে।
মার্কিন বাহিনীর অভিযানের পর মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের বিরুদ্ধে মাদক পাচারসংক্রান্ত মামলায় বিচার হবে। ৬৩ বছর বয়সি ভেনেজুয়েলার এই নেতাকে আজ ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে হাজির করার কথা আছে। তিনি অবশ্য আগেই সব ধরনের অপরাধের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এদিকে, মার্কিন সেনাদের হাতে চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরা অবস্থায় মাদুরোর ছবিগুলো প্রকাশের পর ভেনেজুয়েলাজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ভ্লাদিমির পাদ্রিনো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলায় সেনা, বেসামরিক নাগরিক এবং মাদুরোর নিরাপত্তা দলের ‘একটি বড় অংশ’ নির্মমভাবে নিহত হয়েছেন।
তিনি জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভেনেজুয়েলার সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

কর্ণাটকের কোপ্পাল জেলার কুকনুর শহরে বক্তব্য দেওয়ার সময় রায়ারেড্ডি ইসলামকে একটি মহান ও অত্যন্ত মানবিক ধর্ম হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ইসলাম বিজ্ঞানভিত্তিক এবং মানুষকে কীভাবে জীবনযাপন করতে হয়, তা শেখায়।
১ দিন আগে
সৌদি আরবের তায়েফে এক সৌদি তরুণের গুলিতে মো. কামরুল জামান (৩৭) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন। পরে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন ওই সৌদি তরুণ। স্থানীয় সময় রোববার (৩০ আগস্ট) ভোরে তায়েফের হাওয়াইয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
তবে টানেলের ভেতর থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। টানেলে ঠিক কতজন আটকে আছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। নেপালি সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত মূল্যায়নে অন্তত ৩৫ জন সেখানে আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নেপাল পুলিশের হিসাবে সংখ্যাটি প্রায় ২০০ হতে পারে।
১ দিন আগে
সেই ধারণা থেকেই শুরু হয় তল্লাশি। নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা সঞ্জু খাত্রির নেতৃত্বে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরাতে শুরু করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় মনীষাকে। তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে, মা-বাবার কাছে। এ সময় এক আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়।
২ দিন আগে