
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের রাজধানী তেহরানের নিলুফার স্কয়ারে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরান। তবে এ হামলায় হতাহতের কোনো তথ্য জানা যায়নি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক্সে এক পোস্টে এ হামলার কথা জানিয়েছেন। শহিদ হামেদানি নামে ওই স্কুলে হামলার আগের ও পরে ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। এ বিষয়ে আর বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এটি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের চতুর্থ কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসতায়েলের হামলার ঘটনা।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর দিনেই ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব শহরে শাজারেহ তাইয়েবা গার্লস স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে স্কুলটির অন্তত ১৬০ শিক্ষার্থী ও পাঁচ কর্মীর মৃত্যু হয়।
এরপর বৃহস্পতিবারও তেহরানের দক্ষিণপশ্চিমের পারান্দ শহরে দুটি স্কুলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মিনাবের গার্লস স্কুলটি ইরানের বিপ্লবী গার্ড আইআরজিসির ঘাঁটির অংশ। তবে আল।জাজিরা বিভিন্ন সময়ের উপগ্রহ চিত্রসহ অন্যান্য প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর সে দাবি সত্য নয়। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রও স্বীকার করে নিয়েছে এ হামলার তথ্য। জানিয়েছে, তাদের সামরিক বাহিনী ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স দুই মার্কিন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে এক প্রতিবেদনে জানায়, মিনাবের ওই স্কুলে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীই দায়ী বলে প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধান ফলকার টুর্ক শুক্রবার ওয়াশিংটনের প্রতি এ হামলা নিয়ে তাদের তদন্ত দ্রুত শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
জেনাভায় ফলকার টুর্ক বলেন, আমরা চাই এই তদন্ত তাড়াতাড়ি শেষ হোক। আমরা চাই যেন দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয় এবং হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।
শুক্রবার জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, ইরানে হামলায় এখন পর্যন্ত এক হাজার ৩০০ প্রাণহানির তথ্য মিলেছে, যার মধ্যে অন্তত ১৮১ জনই শিশু।

ইরানের রাজধানী তেহরানের নিলুফার স্কয়ারে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরান। তবে এ হামলায় হতাহতের কোনো তথ্য জানা যায়নি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক্সে এক পোস্টে এ হামলার কথা জানিয়েছেন। শহিদ হামেদানি নামে ওই স্কুলে হামলার আগের ও পরে ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। এ বিষয়ে আর বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এটি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের চতুর্থ কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসতায়েলের হামলার ঘটনা।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর দিনেই ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব শহরে শাজারেহ তাইয়েবা গার্লস স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে স্কুলটির অন্তত ১৬০ শিক্ষার্থী ও পাঁচ কর্মীর মৃত্যু হয়।
এরপর বৃহস্পতিবারও তেহরানের দক্ষিণপশ্চিমের পারান্দ শহরে দুটি স্কুলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মিনাবের গার্লস স্কুলটি ইরানের বিপ্লবী গার্ড আইআরজিসির ঘাঁটির অংশ। তবে আল।জাজিরা বিভিন্ন সময়ের উপগ্রহ চিত্রসহ অন্যান্য প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর সে দাবি সত্য নয়। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রও স্বীকার করে নিয়েছে এ হামলার তথ্য। জানিয়েছে, তাদের সামরিক বাহিনী ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স দুই মার্কিন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে এক প্রতিবেদনে জানায়, মিনাবের ওই স্কুলে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীই দায়ী বলে প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধান ফলকার টুর্ক শুক্রবার ওয়াশিংটনের প্রতি এ হামলা নিয়ে তাদের তদন্ত দ্রুত শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
জেনাভায় ফলকার টুর্ক বলেন, আমরা চাই এই তদন্ত তাড়াতাড়ি শেষ হোক। আমরা চাই যেন দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয় এবং হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।
শুক্রবার জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, ইরানে হামলায় এখন পর্যন্ত এক হাজার ৩০০ প্রাণহানির তথ্য মিলেছে, যার মধ্যে অন্তত ১৮১ জনই শিশু।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে চুক্তির খসড়া সংশোধনের কাজ চলার মধ্যে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা হ্রাসের কৃতিত্ব নিজের কাঁধে নিলেও, ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—জনগণের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনো চুক্তিতে সই করবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২৪৭ কিলোমিটার (১৫৩ মাইল) গভীরে। এটি কালাব্রিয়া অঞ্চলের কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার (২৩ মাইল) দূরে আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনও হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
৩ ঘণ্টা আগে
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের কার্যালয়ের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডেল থেকে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'হিজবুল্লাহ লেবানন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে যে, পারস্পরিক হামলা বন্ধে তারা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে।'
৭ ঘণ্টা আগে
লেবাননের অভ্যন্তরে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই আরও জোরদার করতে ইসরায়েলি সেনাদের দেশটির আরও গভীরে প্রবেশের নির্দেশের পর, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান পরোক্ষ আলোচনা স্থগিত করেছে ইরান। তেহরানের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের তিন মাস ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নতুন করে বড় ধরনের জটিলত
১৩ ঘণ্টা আগে