
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দক্ষিণ ক্যারিবীয় সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হওয়ার পর উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে সাধারণ মানুষকে অস্ত্র চালনায় প্রশিক্ষণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদরিনো যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী মোতায়েন ও হামলাকে “অঘোষিত যুদ্ধ” বলে উল্লেখ করেছেন। মাদুরো দ্রুত ন্যাশনাল বলিভারিয়ান মিলিশিয়াকে সক্রিয় ডিউটিতে নিয়ে আসার ঘোষণা দেন। খবর বিবিসির।
কারাকাসের পেতারে ও অন্যান্য এলাকায় সেনারা সাধারণ মানুষকে রাশিয়ার তৈরি রাইফেল, ট্যাঙ্ক এবং যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে মিলিশিয়ার সদস্য ৬৮ বছর বয়সী এডিথ পেরালেস বলেন, “আমাদের মাতৃভূমি রক্ষার জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।”
৬৯ বছর বয়সী ফ্রান্সিসকো ওহেদা বলেন, “যদি যুদ্ধে জীবন দিতে হয়, আমি দেব। এমনকি বিড়ালও বন্দুক হাতে নিয়ে দেশ রক্ষা করতে বের হবে।”
৬৭ বছর বয়সী গ্ল্যাডি রদ্রিগেজ দৃঢ় কণ্ঠে জানান, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আক্রমণ করতে দেব না।”
ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন ও কারাকাসের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোর পুনর্নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেয়নি। বিরোধী প্রার্থী এডমুন্ডো গনসালেজকে জয়ী দাবি করেছে পশ্চিমা দেশগুলো।
ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোকে মাদকচক্রের সহযোগী আখ্যা দিয়ে তার গ্রেপ্তারে ৫ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার অপরাধী গ্যাং ট্রেন দে আরাগুয়াকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক বেনিগনো আলারকন মনে করেন, মাদুরো সাধারণ মানুষকে মিলিশিয়ায় যুক্ত করে মূলত “মানবঢাল” তৈরি করতে চাইছেন, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
মাদুরো দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলায় ৮২ লাখের বেশি মানুষ মিলিশিয়া ও রিজার্ভে নিবন্ধিত। তবে এই সংখ্যাটি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী সম্প্রতি ভেনেজুয়েলা থেকে মাদকবাহী সন্দেহে অন্তত তিনটি নৌকা ধ্বংস করেছে, যাতে ১৭ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দক্ষিণ ক্যারিবীয় সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হওয়ার পর উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে সাধারণ মানুষকে অস্ত্র চালনায় প্রশিক্ষণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদরিনো যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী মোতায়েন ও হামলাকে “অঘোষিত যুদ্ধ” বলে উল্লেখ করেছেন। মাদুরো দ্রুত ন্যাশনাল বলিভারিয়ান মিলিশিয়াকে সক্রিয় ডিউটিতে নিয়ে আসার ঘোষণা দেন। খবর বিবিসির।
কারাকাসের পেতারে ও অন্যান্য এলাকায় সেনারা সাধারণ মানুষকে রাশিয়ার তৈরি রাইফেল, ট্যাঙ্ক এবং যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে মিলিশিয়ার সদস্য ৬৮ বছর বয়সী এডিথ পেরালেস বলেন, “আমাদের মাতৃভূমি রক্ষার জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।”
৬৯ বছর বয়সী ফ্রান্সিসকো ওহেদা বলেন, “যদি যুদ্ধে জীবন দিতে হয়, আমি দেব। এমনকি বিড়ালও বন্দুক হাতে নিয়ে দেশ রক্ষা করতে বের হবে।”
৬৭ বছর বয়সী গ্ল্যাডি রদ্রিগেজ দৃঢ় কণ্ঠে জানান, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আক্রমণ করতে দেব না।”
ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন ও কারাকাসের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোর পুনর্নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেয়নি। বিরোধী প্রার্থী এডমুন্ডো গনসালেজকে জয়ী দাবি করেছে পশ্চিমা দেশগুলো।
ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোকে মাদকচক্রের সহযোগী আখ্যা দিয়ে তার গ্রেপ্তারে ৫ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার অপরাধী গ্যাং ট্রেন দে আরাগুয়াকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক বেনিগনো আলারকন মনে করেন, মাদুরো সাধারণ মানুষকে মিলিশিয়ায় যুক্ত করে মূলত “মানবঢাল” তৈরি করতে চাইছেন, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
মাদুরো দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলায় ৮২ লাখের বেশি মানুষ মিলিশিয়া ও রিজার্ভে নিবন্ধিত। তবে এই সংখ্যাটি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী সম্প্রতি ভেনেজুয়েলা থেকে মাদকবাহী সন্দেহে অন্তত তিনটি নৌকা ধ্বংস করেছে, যাতে ১৭ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ইরানি সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ও জ্বালানি ট্যাংকার উভয় জাহাজেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর ওই এলাকা থেকে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানানো হয়। যদিও এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কি
৮ ঘণ্টা আগে
এদিকে যুদ্ধের প্রভাবে ইরাকের তেল উৎপাদন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে; দেশটির রুমাইলা ও ওয়েস্ট কুর্না-২ এর মতো বৃহৎ তেলক্ষেত্রগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সংঘাতের উত্তাপ ছড়িয়েছে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতেও; দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেট ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার খবর পাওয়া
৯ ঘণ্টা আগে
সংঘাত চলাকালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও হামলা হয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, দুটি ড্রোন ব্যবহার করে দূতাবাসটিতে হামলা চালানো হয়। এতে সীমিত আকারে আগুন লাগে। কিছু বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
অ্যাডমিরাল কুপার দাবি করেছেন, মার্কিন হামলায় ইরানের একটি সাবমেরিনসহ অন্তত ১৭টি রণতরি ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার ও ড্রোন গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই অভিযানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, ২০০
১১ ঘণ্টা আগে