
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধ ঘিরে বৈশ্বিকভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের মধ্যে শেষ পর্যন্ত পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে ভারত। দুই ধরনের জ্বালানির দামই প্রতি লিটারে বেড়েছে ৩ রুপি করে, যা তিন শতাংশের কিছু বেশি। চার বছর পর এই প্রথম জ্বালানির দাম বাড়ল দেশটিতে।
ভারতের গণমাধ্যমগুলোর তথ্য বলছে, দিল্লিতে এখন প্রতি লিটার ডিজেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯০ দশমিক ৬৭ রুপি, যা আগে ছিল ৮৭ দশমিক ৬৭ রুপি। অন্যদিকে প্রতি লিটার পেট্রোলের নতুন দাম ৯৭ দশমিক ৭৭ রুপি, যা আগে ছিল ৯৪ দশমিক ৭৭ রুপি। সে হিসাবে ডিজেলের দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ, পেট্রোলের ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া যুদ্ধ শুরু হলে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। বৈশ্বিকভাবে সমুদ্রপথে পারবাহিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়ে থাকে। ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিকভাবেই তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
আন্তর্জাতিক বাজারের তথ্য বলছে, যুদ্ধ শুরুর আগে যেখানে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম (ব্রেন্ট ক্রুড) ছিল ৬৫ ডলারের আশপাশে, সেখানে যুদ্ধ শুরুর পর তা ১০০ ডলার তো বটেই, ১২০ পর্যন্ত উঠে যায়। পরে তা কিছুটা কমে ১০০ থেকে ১০৫ ডলারের মধ্যে নেমে আসে।
জ্বালানি বাজারের এ অস্থিরতার প্রভাবে অনেক দেশই জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে, অনেক দেশ চালু করেছে রেশনিং। পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। গত বাংলাদেশও পেট্রোল, ডিজেল, অকটেন ও কেরোসিন— এই চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। এবার দাম বাড়াতে বাধ্য হলো ভারত।
মুম্বাইভিত্তিক এমকে ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের প্রধান অর্থনীতিবিদ মাধবী অরোরা পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব প্রসঙ্গে বলেন, জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব ভোক্তা মূল্যস্ফীতিতে প্রায় ১৫ বেসিস পয়েন্টের মতো সীমিত থাকবে। তবে পরোক্ষ প্রভাব আরও বড় হবে।
ভারতের জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রায়ত্ত তিন করপোরেশনের হাতে— ইন্ডিয়ান ওয়েল করপোরেশন, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ও ভারত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। দেশটির এক লাখ ৩ হাজারের বেশি জ্বালানি স্টেশনের ৯০ শতাংশেরও বেশি এই তিন করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে, যারা সমন্বিতভাবেই ডিজেল ও পেট্রোলের দাম নির্ধারণ করে।
এর আগে গত এপ্রিল মাসে ভারতের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সুজাতা শর্মা বলেছিলেন, খুচরা বিক্রিতে প্রতি লিটার ডিজেলে প্রায় ১০০ রুপি ও পেট্রোলে প্রায় ২০ রুপি লোকসান গুনতে হচ্ছে বিক্রেতাদের। এর আগে মার্চের শেষ দিকে রাশিয়া-সমর্থিত ভারতীয় বেসরকারি পরিশোধন কোম্পানি নায়ারা এনার্জি খুচরা বিক্রিতে আয়ের ক্ষতি কিছুটা কমাতে পাম্প পর্যায়ে জ্বালানির দাম বাড়িয়েছিল।

ইরান যুদ্ধ ঘিরে বৈশ্বিকভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের মধ্যে শেষ পর্যন্ত পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে ভারত। দুই ধরনের জ্বালানির দামই প্রতি লিটারে বেড়েছে ৩ রুপি করে, যা তিন শতাংশের কিছু বেশি। চার বছর পর এই প্রথম জ্বালানির দাম বাড়ল দেশটিতে।
ভারতের গণমাধ্যমগুলোর তথ্য বলছে, দিল্লিতে এখন প্রতি লিটার ডিজেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯০ দশমিক ৬৭ রুপি, যা আগে ছিল ৮৭ দশমিক ৬৭ রুপি। অন্যদিকে প্রতি লিটার পেট্রোলের নতুন দাম ৯৭ দশমিক ৭৭ রুপি, যা আগে ছিল ৯৪ দশমিক ৭৭ রুপি। সে হিসাবে ডিজেলের দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ, পেট্রোলের ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া যুদ্ধ শুরু হলে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। বৈশ্বিকভাবে সমুদ্রপথে পারবাহিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়ে থাকে। ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিকভাবেই তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
আন্তর্জাতিক বাজারের তথ্য বলছে, যুদ্ধ শুরুর আগে যেখানে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম (ব্রেন্ট ক্রুড) ছিল ৬৫ ডলারের আশপাশে, সেখানে যুদ্ধ শুরুর পর তা ১০০ ডলার তো বটেই, ১২০ পর্যন্ত উঠে যায়। পরে তা কিছুটা কমে ১০০ থেকে ১০৫ ডলারের মধ্যে নেমে আসে।
জ্বালানি বাজারের এ অস্থিরতার প্রভাবে অনেক দেশই জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে, অনেক দেশ চালু করেছে রেশনিং। পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। গত বাংলাদেশও পেট্রোল, ডিজেল, অকটেন ও কেরোসিন— এই চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। এবার দাম বাড়াতে বাধ্য হলো ভারত।
মুম্বাইভিত্তিক এমকে ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের প্রধান অর্থনীতিবিদ মাধবী অরোরা পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব প্রসঙ্গে বলেন, জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব ভোক্তা মূল্যস্ফীতিতে প্রায় ১৫ বেসিস পয়েন্টের মতো সীমিত থাকবে। তবে পরোক্ষ প্রভাব আরও বড় হবে।
ভারতের জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রায়ত্ত তিন করপোরেশনের হাতে— ইন্ডিয়ান ওয়েল করপোরেশন, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ও ভারত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। দেশটির এক লাখ ৩ হাজারের বেশি জ্বালানি স্টেশনের ৯০ শতাংশেরও বেশি এই তিন করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে, যারা সমন্বিতভাবেই ডিজেল ও পেট্রোলের দাম নির্ধারণ করে।
এর আগে গত এপ্রিল মাসে ভারতের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সুজাতা শর্মা বলেছিলেন, খুচরা বিক্রিতে প্রতি লিটার ডিজেলে প্রায় ১০০ রুপি ও পেট্রোলে প্রায় ২০ রুপি লোকসান গুনতে হচ্ছে বিক্রেতাদের। এর আগে মার্চের শেষ দিকে রাশিয়া-সমর্থিত ভারতীয় বেসরকারি পরিশোধন কোম্পানি নায়ারা এনার্জি খুচরা বিক্রিতে আয়ের ক্ষতি কিছুটা কমাতে পাম্প পর্যায়ে জ্বালানির দাম বাড়িয়েছিল।

মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, সাজাপ্রাপ্ত এসব নাগরিকদের মূলত মাদক সংক্রান্ত অপরাধ, হত্যা, ইসরায়েলের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে বড় একটি অংশকেই ঝুলিয়ে মারা হয়েছে মাদকসংক্রান্ত মামলায়।
২০ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানিয়েছে, প্রধান অভিযুক্তের অতীতেও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার রেকর্ড রয়েছে। ইতিমধ্যে হামলাকারীদের শনাক্ত করা গেছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে