
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পিরিয়ডের সময় নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতাকে সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকারের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে আদালত বলেন, পিরিয়ডের সময় স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করা ভারতীয় সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের ‘জীবনের অধিকার’ ও ‘গোপনীয়তার অধিকারে’র অবিচ্ছেদ্য অংশ।
স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের জন্য বিনা মূল্যে স্যানিটারি প্যাড ও যথাযথ স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত চেয়ে করা এক আবেদনের শুনানি ঐতিহাসিক এ রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে কেন্দ্র, রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ও সব স্কুলের জন্য ওই সুবিধা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলকও ঘোষণা করা হয়।
আদালত বলেন, দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে ছাত্রীদের জন্য বিনা মূল্যে পরিবেশবান্ধব (বায়োডিগ্রেডেবল) স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি স্কুলে ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা টয়লেট এবং প্রতিবন্ধীবান্ধব টয়লেট নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া ও দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ এ রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি পারদিওয়ালা বলেন, এ সিদ্ধান্ত শুধু আইনি জগতের অংশীজনদের জন্য নয়, এটা সেই শ্রেণিকক্ষগুলোর জন্যও, যেখানে মেয়েরা সাহায্য চাইতে লজ্জা পায়। সেই শিক্ষকদের জন্য, যারা সাহায্য করতে চান কিন্তু সম্পদের অভাবে পারেন না। আমরা কতটা অগ্রসর, তা বোঝা যায় আমরা দুর্বলদের কতটা সুরক্ষা দিতে পারি।
আদালত স্পষ্ট করে বলেন, পিরিয়ড তথা ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসেবা কোনো দয়া বা নীতিনির্ধারকদের ইচ্ছাধীন বিষয় নয়, এটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন ও সাংবিধানিক অধিকার। ফলে এ নির্দেশ মানা সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক। কোনো প্রতিষ্ঠান আলাদা টয়লেট বা বিনা মূল্যে স্যানিটারি প্যাডের ব্যবস্থা না করলে তাদের স্বীকৃতি বাতিলও করা হতে পারে।
রায়ে আরও বলা হয়, মৌলিক এসব সুবিধা দিতে ব্যর্থ হলে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। কারণ মাসিক নিয়ে কুসংস্কার ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব সরাসরি মেয়েদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
গত বছরের নভেম্বরে হরিয়ানার মহর্ষি দয়ানন্দ ইউনিভার্সিটির এক ঘটনায় এ মামলার সূত্রপাত। ওই ঘটনায় তিনজন নারী পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে তাদের পিরিয়ড চলছে কি না, তা প্রমাণ করতে ব্যবহৃত স্যানিটারি প্যাডের ছবি পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
এ ঘটনা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি আমলে নেন। হরিয়ানা সরকার আদালতকে জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় আগের শুনানিতে আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, পিরিয়ডজনিত ব্যথার কারণে কোনো নারী ভারী কাজ করতে না পারলে তাকে অপমানজনক যাচাইয়ের মুখে না ফেলে বিকল্প কর্মী দিয়ে কাজ করানো উচিত। কেউ যদি বলে এ কারণে সে ভারী কাজ করতে পারছে না, সেটি মেনে নিয়ে অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতে হবে।
সবশেষ এ রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট বার্তা দিলেন— মাসিক কোনো লজ্জার বিষয় নয়, এটি স্বাস্থ্য ও মর্যাদার প্রশ্ন। সেই মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

পিরিয়ডের সময় নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতাকে সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকারের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে আদালত বলেন, পিরিয়ডের সময় স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করা ভারতীয় সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের ‘জীবনের অধিকার’ ও ‘গোপনীয়তার অধিকারে’র অবিচ্ছেদ্য অংশ।
স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের জন্য বিনা মূল্যে স্যানিটারি প্যাড ও যথাযথ স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত চেয়ে করা এক আবেদনের শুনানি ঐতিহাসিক এ রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে কেন্দ্র, রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ও সব স্কুলের জন্য ওই সুবিধা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলকও ঘোষণা করা হয়।
আদালত বলেন, দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে ছাত্রীদের জন্য বিনা মূল্যে পরিবেশবান্ধব (বায়োডিগ্রেডেবল) স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি স্কুলে ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা টয়লেট এবং প্রতিবন্ধীবান্ধব টয়লেট নিশ্চিত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া ও দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ এ রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি পারদিওয়ালা বলেন, এ সিদ্ধান্ত শুধু আইনি জগতের অংশীজনদের জন্য নয়, এটা সেই শ্রেণিকক্ষগুলোর জন্যও, যেখানে মেয়েরা সাহায্য চাইতে লজ্জা পায়। সেই শিক্ষকদের জন্য, যারা সাহায্য করতে চান কিন্তু সম্পদের অভাবে পারেন না। আমরা কতটা অগ্রসর, তা বোঝা যায় আমরা দুর্বলদের কতটা সুরক্ষা দিতে পারি।
আদালত স্পষ্ট করে বলেন, পিরিয়ড তথা ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসেবা কোনো দয়া বা নীতিনির্ধারকদের ইচ্ছাধীন বিষয় নয়, এটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন ও সাংবিধানিক অধিকার। ফলে এ নির্দেশ মানা সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক। কোনো প্রতিষ্ঠান আলাদা টয়লেট বা বিনা মূল্যে স্যানিটারি প্যাডের ব্যবস্থা না করলে তাদের স্বীকৃতি বাতিলও করা হতে পারে।
রায়ে আরও বলা হয়, মৌলিক এসব সুবিধা দিতে ব্যর্থ হলে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। কারণ মাসিক নিয়ে কুসংস্কার ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব সরাসরি মেয়েদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
গত বছরের নভেম্বরে হরিয়ানার মহর্ষি দয়ানন্দ ইউনিভার্সিটির এক ঘটনায় এ মামলার সূত্রপাত। ওই ঘটনায় তিনজন নারী পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে তাদের পিরিয়ড চলছে কি না, তা প্রমাণ করতে ব্যবহৃত স্যানিটারি প্যাডের ছবি পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
এ ঘটনা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি আমলে নেন। হরিয়ানা সরকার আদালতকে জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় আগের শুনানিতে আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, পিরিয়ডজনিত ব্যথার কারণে কোনো নারী ভারী কাজ করতে না পারলে তাকে অপমানজনক যাচাইয়ের মুখে না ফেলে বিকল্প কর্মী দিয়ে কাজ করানো উচিত। কেউ যদি বলে এ কারণে সে ভারী কাজ করতে পারছে না, সেটি মেনে নিয়ে অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতে হবে।
সবশেষ এ রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট বার্তা দিলেন— মাসিক কোনো লজ্জার বিষয় নয়, এটি স্বাস্থ্য ও মর্যাদার প্রশ্ন। সেই মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিডলইস্ট মনিটর জানিয়েছে, জাহাজটিতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। হামলায় কয়েকজন ক্রু আহত হলেও কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
৯ ঘণ্টা আগে
সোমবার এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান-সমর্থিত এই সংগঠন কোনো অবস্থাতেই ইসরায়েলের কাছে "আত্মসমর্পণ করবে না"। ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইসরায়েল লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, হিজবুল্লাহ কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ দিলেও এখন ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য এই যুদ্ধ কেবল একটি সামরিক অভিযান নয়, বরং তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় ‘জুয়া’ও এটি। একদিকে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং মার্কিন সেনাদের মৃত্যু, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে যুদ্ধের বিস্তার— সব মিলিয়ে ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থান এখন খাদের কিনারায়।
১০ ঘণ্টা আগে
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার এই প্রস্তাবটি উঠেছিল মার্কিন সিনেটে। প্রস্তাবের পক্ষে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দেন সিনেটর র্যান্ড পল। আর প্রস্তাবের বিপক্ষে রিপাবলিকানদের সঙ্গে ভোট দেন সিনেটর জন ফেটারম্যান।
১১ ঘণ্টা আগে