
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনবিরোধী ধরপাকড়ের মধ্যে বাংলাদেশিদের নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক পোস্ট নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। বাংলাদেশি অধ্যুষিত নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকায় এখন উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মধ্যে অভিবাসন সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
সোমবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পরিসংখ্যানভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করেন। এতে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে কত শতাংশ সরকারি সহায়তা গ্রহণ করছে, তা তুলে ধরা হয়।
প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, বাংলাদেশি পরিবারগুলো এই তালিকায় ১৯তম অবস্থানে রয়েছে এবং তাদের মধ্যে ৫৪ শতাংশের বেশি সরকারি সহায়তা পাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য চাপ হিসেবে তুলে ধরে আসছেন। তিনি সরকারি সুযোগ-সুবিধা সীমিত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তার এমন বক্তব্য ও অবস্থানের ফলে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি আইনজীবী মঈন চৌধুরী বলেন, যারা আইন মেনে বৈধভাবে বসবাস করছেন এবং সঠিক তথ্য দিয়ে সরকারি সহায়তা নিচ্ছেন, তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
তিনি আরও জানান, তবে কেউ যদি মিথ্যা তথ্য প্রদান করে বা অবৈধভাবে সরকারি সুবিধা গ্রহণ করে থাকেন, সে ক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে গ্রিন কার্ড বাতিলের ঝুঁকিও থাকতে পারে।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্কসহ পাঁচটি অঙ্গরাজ্যের জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ফেডারেল সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যগুলোতে চাইল্ড কেয়ারসহ বিভিন্ন সামাজিক সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনবিরোধী ধরপাকড়ের মধ্যে বাংলাদেশিদের নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক পোস্ট নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। বাংলাদেশি অধ্যুষিত নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকায় এখন উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মধ্যে অভিবাসন সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
সোমবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পরিসংখ্যানভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করেন। এতে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে কত শতাংশ সরকারি সহায়তা গ্রহণ করছে, তা তুলে ধরা হয়।
প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, বাংলাদেশি পরিবারগুলো এই তালিকায় ১৯তম অবস্থানে রয়েছে এবং তাদের মধ্যে ৫৪ শতাংশের বেশি সরকারি সহায়তা পাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য চাপ হিসেবে তুলে ধরে আসছেন। তিনি সরকারি সুযোগ-সুবিধা সীমিত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তার এমন বক্তব্য ও অবস্থানের ফলে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি আইনজীবী মঈন চৌধুরী বলেন, যারা আইন মেনে বৈধভাবে বসবাস করছেন এবং সঠিক তথ্য দিয়ে সরকারি সহায়তা নিচ্ছেন, তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
তিনি আরও জানান, তবে কেউ যদি মিথ্যা তথ্য প্রদান করে বা অবৈধভাবে সরকারি সুবিধা গ্রহণ করে থাকেন, সে ক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে গ্রিন কার্ড বাতিলের ঝুঁকিও থাকতে পারে।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্কসহ পাঁচটি অঙ্গরাজ্যের জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ফেডারেল সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যগুলোতে চাইল্ড কেয়ারসহ বিভিন্ন সামাজিক সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

এনডিটিভি ও নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে বহুজাতিক ব্যাংকটিতে দায়িত্বপালনকারী পিয়াচেন্টিকে কোনো উসকানি ছাড়াই আচমকা আক্রমণ করেন পামেলা সিসনেরোস নামের ওই নারী। এই ঘটনায় আরও এক বৃদ্ধ (৬৮) আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
৪ ঘণ্টা আগে
হামলার বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এবং সিরিক কাউন্টির গভর্নর রেজা শহীদিয়ান জানান, বিয়েবাড়িতে হামলায় গুরুতর আহত ৫০ জন নারী ও শিশুকে মিনাব শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী এক শিশুর ভাষ্যমতে, অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পরপরই এক বিকট বিস্ফোরণে চারপাশ ধ্বংসস
৭ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডব্রিন্ট বলেন, পুলিশি তদন্ত, হামলার ধরন ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে সরকার এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে ড্রোনটি নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিরা রুশ রাষ্ট্রীয় সংস্থার পক্ষে কাজ করছিলেন। ফলে ঘটনাটিকে জার্মান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ‘রুশ হাইব্রিড হামলা’ হিসেবে চিহ্নিত করে
৭ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসি-র বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জর্ডানের ‘প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটি’তে অবস্থিত মার্কিন ড্রোন হ্যাঙ্গারগুলো লক্ষ্য করে একটি ভারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মারা হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় বেশ কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন মার্কিন সেনা ও কারিগরি কর্মী নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জর্
৭ ঘণ্টা আগে