লেবাননে হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইসরায়েলের

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ফাইল ছবি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও লেবাননে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকেই লেবাননের ওপর ইসরায়েলি বিমান হামলার তীব্রতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিক্রিয়ায় হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে সীমিত পর্যায়ে রকেট হামলা চালানো হলেও ইসরায়েল এই পরিস্থিতিকে ব্যবহার করে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করতে চাইছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, হিজবুল্লাহর সক্ষমতাকে তারা শুরুতে অবমূল্যায়ন করেছিল। তাদের ধারণা, হিজবুল্লাহ গত দফার লড়াইয়ের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে এখন বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং হাজার হাজার যোদ্ধা ও শত শত রকেট নিয়ে তারা এখনো সক্রিয়। এই যুক্তিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেই লেবাননে সামরিক অভিযান জারি রাখার চেষ্টা করছে তেল আবিব।

তবে কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এখন তীব্র সংকটের মুখে পড়েছেন।

ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করা এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দখল করার যে বিশাল প্রতিশ্রুতি নেতানিয়াহু দিয়েছিলেন, বর্তমান বাস্তবতায় তা অবাস্তব প্রমাণিত হচ্ছে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, যুদ্ধের লক্ষ্য পূরণে এই ব্যর্থতা ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতার চেয়েও নেতানিয়াহুর জন্য বেশি ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। বছরের শেষের দিকে সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার ল্যাপিডও এখন জনসমক্ষে নেতানিয়াহুর কড়া সমালোচনা শুরু করেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে নেতানিয়াহু আগামীর দিনগুলোতে কোন কৌশলে এগোন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন ?

সূত্র: আল জাজিরা

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিউইয়র্কে বিএনপি-আওয়ামী লীগ হাতাহাতি

পরে দুই দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হতে থাকলে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে পালটাপালটি ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগানসহ বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক স্লোগান দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ-সমর্থকদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও শোনা যায়।

১০ ঘণ্টা আগে

ডেমোক্র্যাটদের ‘কমিউনিস্ট’ বলে ‘গালি’ ট্রাম্পের, জিনপিংয়ের জন্য রাজকীয় আয়োজন

ডেমোক্র‍্যাটদের ট্রাম্প এমনভাবে ‘কমিউনিস্ট’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন, যেন তা গালির সমতুল্য। অথচ একই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কমিউনিস্ট রাষ্ট্র চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের জন্য হোয়াইট হাউজে আয়োজন করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সফর ও নৈশভোজের।

১০ ঘণ্টা আগে

ন্যাটো— রাশিয়াকে নিয়ে বড় সতর্কতা ইউরোপীয় গোয়েন্দাদের

পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্কও সম্প্রতি পার্লামেন্টে একই ধরনের আশঙ্কার কথা জানান। তার ভাষ্য, গোয়েন্দা মূল্যায়নে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, আগামী কয়েক মাসে রাশিয়া ন্যাটোর ভূখণ্ডে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে জোটের ‘আর্টিকেল ৫’ কতটা কার্যকর, তা পরীক্ষা করতে পারে। ন্যাটোর এই ধারায় একটি সদস্য

১২ ঘণ্টা আগে

‘শত্রু’ জিনপিংয়ের জন্য কেন লালগালিচা ট্রাম্পের?

গত বছর চীনের ওপর একের পর এক উচ্চ শুল্ক ও প্রযুক্তি-নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বেইজিংকে চাপে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু তাতে চীনের আচরণ বদলানোর বদলে উলটো যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই চাপ তৈরি হয়। বিশেষ করে ইলেকট্রনিকস, সামরিক সরঞ্জাম ও উচ্চপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত বিরল খনিজের সরবরাহে চীনের শক্তিশালী অবস্থান ওয়

১৩ ঘণ্টা আগে
Advertisement