
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাছাইয়ের পদ্ধতিতে মৌলিক পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে দেশটির ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে’র ডাক দিয়েছেন শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী ও অধিকার কর্মী সোনম ওয়াংচুক। স্বাধীনতা দিবস সামনে রেখে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত ও সম্মানজনক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে ‘শান্তিপূর্ণ বিপ্লব’ প্রয়োজন।
ওয়াংচুক বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এমন ‘নিঃস্বার্থ, নির্ভীক ও চরিত্রবান’ নারী-পুরুষকে সামনে আনতে হবে, যারা ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করবেন। এ জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অন্তত একজন করে যোগ্য ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভারতীয় সময় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিট) নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এ ভিডিওবার্তা দেন সোনম। ভিডিওবার্তায় তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৪৭ সালেও ভারত উন্নত দেশের তালিকায় পৌঁছাতে পারবে না।
THIS INDIPENDENCE DAY, I NEED YOUR HELP...
— Sonam Wangchuk (@Wangchuk66) August 13, 2026
This country needs a peaceful revolution, at least in how we chose our leaders... if we are to remain even a respectable nation by 2047.
Close to half of our MPs have criminal cases and a third have serious charges like murder, rape &… pic.twitter.com/10byPuzwtX
ওয়াংচুকের মতে, ভারতের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর। শিক্ষা যত দিন পিছিয়ে থাকবে, দেশের ভবিষ্যৎও তত দিন পিছিয়ে থাকবে বলে মনে করেন তিনি। সাম্প্রতিক আন্দোলনের মাধ্যমে পরিবর্তনের দাবি তোলা তরুণদের প্রশংসাও করেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর নতুন শিক্ষামন্ত্রীর অধীনে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে— এমন প্রত্যাশার কারণও এখনো তিনি দেখছেন না বলে জানান।
ভারতের রাজনৈতিক সংকটকে কোনো নির্দিষ্ট দলের সমস্যা হিসেবে দেখতে রাজি নন ওয়াংচুক। তার দাবি, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলের সরকারই ভিন্নমতের প্রতি একই ধরনের আচরণ করেছে। ফলে মূল সমস্যা দল নয়, বরং দেশের শাসনব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব নির্বাচনের পদ্ধতিতে।
২০১২-১৩ সালের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গ চেনে ওয়াংচুক বলেন, ওই আন্দোলনের ফলে সরকার পরিবর্তন হলেও দুর্নীতি ও অবিচার দূর হয়নি। বরং ১২ বছর পর এসব সমস্যাই নতুন ও আরও উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে।
ওয়াংচুক বলেন, ‘আমাদের খুব বড় পরিবর্তন দরকার। আমাদের একটি শান্তিপূর্ণ বিপ্লব দরকার, যেন আমরা সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে পারি। কারণ সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো নেতৃত্ব বাছাইয়ের পদ্ধতি। নেতৃত্ব সঠিক না হওয়া পর্যন্ত পুরো দেশই ভুল পথে থাকবে।’
নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে থাকা ফৌজদারি মামলাগুলোর বিষয়েও উদ্বেগ জানান তিনি। তবে তার বক্তব্য কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা বিরোধীদের বিরুদ্ধে নয় বলেও স্পষ্ট করেন।
ওয়াংচুক জানান, তিনি ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে কথা বলে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করতে চান। এ জন্য ‘দেশের সেরা মেধাবী’দের একত্রিত করে মতবিনিময়ের পরিকল্পনাও রয়েছে তার।
তবে এ উদ্যোগ শুধু শিক্ষাবিদ বা বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না সোনম। সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বের নাম চেয়েছেন ওয়াংচুক। তিনি বলেন, লাদাখের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসে তিনি জানেন না দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমন মানুষ কারা। তাই প্রত্যেককে নিজ নিজ অঞ্চল থেকে অন্তত একজনের নাম প্রস্তাব করার আহ্বান জানান।
আগামী দিনে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও শহরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সেখানকার মানুষের মতামত নিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের একটি নতুন ‘মানচিত্র’ তৈরির কথা বলেন ওয়াংচুক।
ভিডিওবার্তার শেষ ভাগে ওয়াংচুক আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, ভারতের দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করি।’
বার্তাটি বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। তার এই বক্তব্যে শিক্ষা সংস্কার ও নির্দিষ্ট নীতিগত দাবির আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়ে ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও শাসনব্যবস্থার মৌলিক সংস্কারের দাবিতে রূপ নেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাছাইয়ের পদ্ধতিতে মৌলিক পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে দেশটির ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে’র ডাক দিয়েছেন শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী ও অধিকার কর্মী সোনম ওয়াংচুক। স্বাধীনতা দিবস সামনে রেখে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত ও সম্মানজনক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে ‘শান্তিপূর্ণ বিপ্লব’ প্রয়োজন।
ওয়াংচুক বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এমন ‘নিঃস্বার্থ, নির্ভীক ও চরিত্রবান’ নারী-পুরুষকে সামনে আনতে হবে, যারা ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করবেন। এ জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অন্তত একজন করে যোগ্য ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভারতীয় সময় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিট) নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এ ভিডিওবার্তা দেন সোনম। ভিডিওবার্তায় তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৪৭ সালেও ভারত উন্নত দেশের তালিকায় পৌঁছাতে পারবে না।
THIS INDIPENDENCE DAY, I NEED YOUR HELP...
— Sonam Wangchuk (@Wangchuk66) August 13, 2026
This country needs a peaceful revolution, at least in how we chose our leaders... if we are to remain even a respectable nation by 2047.
Close to half of our MPs have criminal cases and a third have serious charges like murder, rape &… pic.twitter.com/10byPuzwtX
ওয়াংচুকের মতে, ভারতের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর। শিক্ষা যত দিন পিছিয়ে থাকবে, দেশের ভবিষ্যৎও তত দিন পিছিয়ে থাকবে বলে মনে করেন তিনি। সাম্প্রতিক আন্দোলনের মাধ্যমে পরিবর্তনের দাবি তোলা তরুণদের প্রশংসাও করেন তিনি।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর নতুন শিক্ষামন্ত্রীর অধীনে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে— এমন প্রত্যাশার কারণও এখনো তিনি দেখছেন না বলে জানান।
ভারতের রাজনৈতিক সংকটকে কোনো নির্দিষ্ট দলের সমস্যা হিসেবে দেখতে রাজি নন ওয়াংচুক। তার দাবি, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলের সরকারই ভিন্নমতের প্রতি একই ধরনের আচরণ করেছে। ফলে মূল সমস্যা দল নয়, বরং দেশের শাসনব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব নির্বাচনের পদ্ধতিতে।
২০১২-১৩ সালের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গ চেনে ওয়াংচুক বলেন, ওই আন্দোলনের ফলে সরকার পরিবর্তন হলেও দুর্নীতি ও অবিচার দূর হয়নি। বরং ১২ বছর পর এসব সমস্যাই নতুন ও আরও উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে।
ওয়াংচুক বলেন, ‘আমাদের খুব বড় পরিবর্তন দরকার। আমাদের একটি শান্তিপূর্ণ বিপ্লব দরকার, যেন আমরা সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে পারি। কারণ সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো নেতৃত্ব বাছাইয়ের পদ্ধতি। নেতৃত্ব সঠিক না হওয়া পর্যন্ত পুরো দেশই ভুল পথে থাকবে।’
নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে থাকা ফৌজদারি মামলাগুলোর বিষয়েও উদ্বেগ জানান তিনি। তবে তার বক্তব্য কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা বিরোধীদের বিরুদ্ধে নয় বলেও স্পষ্ট করেন।
ওয়াংচুক জানান, তিনি ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে কথা বলে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করতে চান। এ জন্য ‘দেশের সেরা মেধাবী’দের একত্রিত করে মতবিনিময়ের পরিকল্পনাও রয়েছে তার।
তবে এ উদ্যোগ শুধু শিক্ষাবিদ বা বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না সোনম। সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বের নাম চেয়েছেন ওয়াংচুক। তিনি বলেন, লাদাখের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসে তিনি জানেন না দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমন মানুষ কারা। তাই প্রত্যেককে নিজ নিজ অঞ্চল থেকে অন্তত একজনের নাম প্রস্তাব করার আহ্বান জানান।
আগামী দিনে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও শহরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সেখানকার মানুষের মতামত নিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের একটি নতুন ‘মানচিত্র’ তৈরির কথা বলেন ওয়াংচুক।
ভিডিওবার্তার শেষ ভাগে ওয়াংচুক আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, ভারতের দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করি।’
বার্তাটি বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। তার এই বক্তব্যে শিক্ষা সংস্কার ও নির্দিষ্ট নীতিগত দাবির আন্দোলন আরও বিস্তৃত হয়ে ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও শাসনব্যবস্থার মৌলিক সংস্কারের দাবিতে রূপ নেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুদণ্ডবিষয়ক তথ্যকেন্দ্র ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের (ডিপিআইসি) হিসাবে, ২০১০ সালের পর দেশটিতে এক দিনে এত বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা আর ঘটেনি।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে নিজেদের সেল প্রতিষ্ঠার জন্য একিউআইএস দেশটিকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে বলেও প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লাল কেল্লার সামনে বোমা বিস্ফোরণের পেছনেও একিউআইএসের সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন নৌ বাহিনীর প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক নিয়ে থাকা আব্রাহাম লিংকন গত বছরের ২১ নভেম্বর সান দিয়েগো থেকে নিয়মিত প্রশান্ত মহাসাগরীয় মহড়ায় বের হয়েছিল। পরে সেটিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়। ইরানবিরোধী মার্কিন সামরিক অভিযানে যুক্ত হওয়ার পরও জাহাজটির মোতায়েন শেষ হয়নি। টানা ২৫০ দিনের বেশি সমুদ্রে থাকার পরও ফের
১ দিন আগে
খবর বলছে, লন্ডনের কিউ গার্ডেনে ৩৮ দশমিক ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বৃহস্পতিবারে। দিনটি যুক্তরাজ্যের এ বছরের সবচেয়ে উষ্ণ দিনে পরিণত হয়েছে। এ নিয়ে এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো দেশটিতে ৩৮ ডিগ্রি বা তার বেশি তাপমাত্রা ওঠার ঘটনা ঘটল— এমনটি এর আগে কেবল ২০২২ সালে এক বছরে দুবার ঘটেছিল।
১ দিন আগে