
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটকের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটির রাজধানী কারাকাস। রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোর থেকেই মাদুরো সরকারের অনুগত হাজার হাজার সমর্থক রাজপথে নেমে তার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন।
মাদুরোপন্থী হিসেবে পরিচিত কারাকাসের মেয়র কারমেন মেলান্দেজ সরাসরি এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন। বিক্ষোভ সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডিকে যুক্তরাষ্ট্র আইনসংগতভাবে আটক করেনি, বরং তাদের "অপহরণ" করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা কারাকাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়ে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন। রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতির মধ্যেই মাদুরো সমর্থকদের এই কর্মসূচি পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে দেশটিতে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের এক রক্তক্ষয়ী সামরিক অভিযানে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক আটকের ঘটনাকে বিশ্ব রাজনীতির জন্য একটি ‘বিপজ্জনক নজির’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অভিযানে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি একে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই নজিরবিহীন পরিস্থিতিতে উদ্ভূত সংকট নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে আগামী সোমবার নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে।
মার্কিন বাহিনী 'ডেল্টা ফোর্স' অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্যানুযায়ী, 'মাদক-সন্ত্রাসবাদে'র অভিযোগে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে কারাকাস থেকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে ব্রুকলিনের একটি ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি মাদুরোকে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখা গেছে। আটকের পর নিউ ইয়র্কে মাদুরোকে হাতকড়া পরিয়ে হাঁটিয়ে নেওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটকের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটির রাজধানী কারাকাস। রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোর থেকেই মাদুরো সরকারের অনুগত হাজার হাজার সমর্থক রাজপথে নেমে তার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন।
মাদুরোপন্থী হিসেবে পরিচিত কারাকাসের মেয়র কারমেন মেলান্দেজ সরাসরি এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন। বিক্ষোভ সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডিকে যুক্তরাষ্ট্র আইনসংগতভাবে আটক করেনি, বরং তাদের "অপহরণ" করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা কারাকাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়ে মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন। রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতির মধ্যেই মাদুরো সমর্থকদের এই কর্মসূচি পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে দেশটিতে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের এক রক্তক্ষয়ী সামরিক অভিযানে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক আটকের ঘটনাকে বিশ্ব রাজনীতির জন্য একটি ‘বিপজ্জনক নজির’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অভিযানে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি একে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই নজিরবিহীন পরিস্থিতিতে উদ্ভূত সংকট নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে আগামী সোমবার নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে।
মার্কিন বাহিনী 'ডেল্টা ফোর্স' অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্যানুযায়ী, 'মাদক-সন্ত্রাসবাদে'র অভিযোগে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে কারাকাস থেকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে ব্রুকলিনের একটি ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি মাদুরোকে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখা গেছে। আটকের পর নিউ ইয়র্কে মাদুরোকে হাতকড়া পরিয়ে হাঁটিয়ে নেওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৭ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
২১ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
২১ ঘণ্টা আগে