
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মিয়ামি শহরের মেয়র নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প-সমর্থিত রিপাবলিকান প্রার্থী এমিলিও গনজালেসকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আইলিন হিগিনস। তার হাত ধরেই প্রায় ৩০ বছর পর মিয়ামির মেয়র পদ পুনরুদ্ধার করল ডেমোক্র্যাটরা।
এনবিসির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবারের (৯ ডিসেম্বর) রান-অফ নির্বাচনে ৫৯ শতাংশ ভোট পেয়ে হিগিনস এই ঐতিহাসিক জয় পেয়েছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী এমিলিও গনজালেস পেয়েছেন ৪১ শতাংশ ভোট।
হিগিনসের এই জয়কে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় রাজনীতিতে কেবল বড় চমকই নয়, বরং ডেমোক্র্যাটদের জন্য বিশেষ অর্থবহ মনে করা হচ্ছে। কারণ কেবল মিয়ামির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নয়, এই ভোটকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতির বিরুদ্ধে দক্ষিণ ফ্লোরিডার জনমতের বড় পরিবর্তন বলেও বিবেচনা করছেন বিশ্লেষকরা।
মিয়ামিতে নির্বাচনি প্রচারে দুই প্রার্থীই আগের মেয়রের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের ভুল ও দুর্নীতি থেকে শহরকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তে এ নির্বাচন মার্কিন জাতীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আলোচিত হয়ে উঠেছিল।
আইলিন হিগিনস তার কাউন্টি কমিশনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নির্বাচনি প্রচার চালিয়েছেন। নগর জীবনের মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, সাশ্রয়ী বাসস্থান ও শহরের প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত ও স্বচ্ছ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সমর্থিত গনজালেসের বিরুদ্ধে নির্বাচনি প্রচারে কঠোর সমালোচনা করেছেন হিগিনস। তিনি বলেন, হিস্পানিক ও হাইতিয়ান ভোটাররা তাকে জানিয়েছে যে তারা সরকারের নীতি নিয়ে ভয় পাচ্ছেন।
এ ছাড়া হিগিনস ভোটারদের জানিয়েছেন, শুল্ক (ট্যারিফ) স্থানীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও তারা নিজেদের আওতায় থাকা বিষয়গুলোকে সাশ্রয়ী করে তুলবে। মার্কিন শুল্কারোপ নীতি দেশে সংকট তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
নির্বাচনের বিজয়ী হয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হিগিনস বলেন, আজ রাত মিয়ামির মানুষের জন্য ইতিহাসের রাত। আমরা অতীতের দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলার অধ্যায় বন্ধ করে নতুন যুগের সূচনা করেছি, যেখানে নেতৃত্ব হবে নৈতিক, দায়িত্বশীল এবং মানুষকে বাস্তব সেবা দেওয়ার দিকে মনোযোগী।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মিয়ামি শহরের মেয়র নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প-সমর্থিত রিপাবলিকান প্রার্থী এমিলিও গনজালেসকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আইলিন হিগিনস। তার হাত ধরেই প্রায় ৩০ বছর পর মিয়ামির মেয়র পদ পুনরুদ্ধার করল ডেমোক্র্যাটরা।
এনবিসির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবারের (৯ ডিসেম্বর) রান-অফ নির্বাচনে ৫৯ শতাংশ ভোট পেয়ে হিগিনস এই ঐতিহাসিক জয় পেয়েছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী এমিলিও গনজালেস পেয়েছেন ৪১ শতাংশ ভোট।
হিগিনসের এই জয়কে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় রাজনীতিতে কেবল বড় চমকই নয়, বরং ডেমোক্র্যাটদের জন্য বিশেষ অর্থবহ মনে করা হচ্ছে। কারণ কেবল মিয়ামির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নয়, এই ভোটকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতির বিরুদ্ধে দক্ষিণ ফ্লোরিডার জনমতের বড় পরিবর্তন বলেও বিবেচনা করছেন বিশ্লেষকরা।
মিয়ামিতে নির্বাচনি প্রচারে দুই প্রার্থীই আগের মেয়রের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের ভুল ও দুর্নীতি থেকে শহরকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তে এ নির্বাচন মার্কিন জাতীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আলোচিত হয়ে উঠেছিল।
আইলিন হিগিনস তার কাউন্টি কমিশনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নির্বাচনি প্রচার চালিয়েছেন। নগর জীবনের মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, সাশ্রয়ী বাসস্থান ও শহরের প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত ও স্বচ্ছ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সমর্থিত গনজালেসের বিরুদ্ধে নির্বাচনি প্রচারে কঠোর সমালোচনা করেছেন হিগিনস। তিনি বলেন, হিস্পানিক ও হাইতিয়ান ভোটাররা তাকে জানিয়েছে যে তারা সরকারের নীতি নিয়ে ভয় পাচ্ছেন।
এ ছাড়া হিগিনস ভোটারদের জানিয়েছেন, শুল্ক (ট্যারিফ) স্থানীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও তারা নিজেদের আওতায় থাকা বিষয়গুলোকে সাশ্রয়ী করে তুলবে। মার্কিন শুল্কারোপ নীতি দেশে সংকট তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
নির্বাচনের বিজয়ী হয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হিগিনস বলেন, আজ রাত মিয়ামির মানুষের জন্য ইতিহাসের রাত। আমরা অতীতের দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলার অধ্যায় বন্ধ করে নতুন যুগের সূচনা করেছি, যেখানে নেতৃত্ব হবে নৈতিক, দায়িত্বশীল এবং মানুষকে বাস্তব সেবা দেওয়ার দিকে মনোযোগী।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে