আপনি বললেই তো নির্বাচন হবে না: প্রধান উপদেষ্টাকে মান্না

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমরা তার (ড. ইউনূস) সঙ্গে দেখা করে প্রস্তাব করলাম যে, আপনার উচিত হবে সব পার্টিকে নিয়ে একটা কাউন্সিল করা। যখন-তখন দরকার হলে বসবেন, কথা বলবেন। সংকট হলে, তাদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেভাবে দেশ চালাবেন। কিন্তু একদিনও সেটি করেননি। যখন সংকট হয় তখন শুধু আমাদের ডাকেন।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত ‘বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ড. ইউনূসের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, প্রফেসর ইউনূসকে আমি বলি, ওই রকম করে আপনার দৃঢ়তা দেখানোর তো কোনো দরকার নেই যে ‘নির্বাচন হবেই’। আরে, আপনি বললেই তো হবে না। আপনি বললেই তো পাথর আটকাতে পারেন না, বালু আটকাতে পারেন না, ধর্ষণ আটকাতে পারেন না। কারণ, আপনি যে সরকার চালান সেই ‘সরকার’ শব্দটাকেই মূলত ঠিকভাবে জানেন না। কারও ওপর আপনার নিয়ন্ত্রণ নেই।

তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, আলাদা করে তিন দল, আলাদা করে সাত দলকে ডাকা না রেখে একসঙ্গে সব দলকে ডাকুন। ডেকে বলুন, এটাই বাংলাদেশের চিত্র। আমি চাই আপনারা আমাকে সাহায্য করুন যেন এই ভোটটা আমি করতে পারি। শুধু রাজনৈতিক দল নয়, যত স্টেকহোল্ডার আছে-আর্মি, পুলিশ-সবাইকে ডেকে কথা বলুন।

সব সংস্কারের আগে পুলিশ সংস্কারের প্রয়োজন ছিল জানিয়ে মান্না বলেন, কোনো এলাকায় পুলিশ কারও কথা শোনে না। সরকার বলে কিছু আছে? সাদা পাথর চলে যায়, বালু চলে যায়। সরকার ঠেকাতে পারে না।

আলোচনা সভায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গণতন্ত্র মঞ্চভুক্ত দলগুলোর শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

এনসিপি নির্বাচনে যাবে কি না চিন্তাভাবনা করছে : আসিফ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনে আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য রাজনৈতিক দল বা জনগণের যে কনফিডেন্স অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা হারিয়েছে তারা। যদি এভাবে নির্বাচনের কার্যক্রম সামনের দিকে যেতে থাকে, তাহলে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচ

১৯ ঘণ্টা আগে

ফয়জুল করীমের আসনে প্রার্থী দেবে না জামায়াত

চরমোনাইর পিরসাহেব, ইসলামী আন্দোলনের আমির, উনি নির্বাচন করছেন না। সেই জায়গায় উনাদের যে নায়েবে আমির আছেন, ফয়জুল করীম সাহেব, আমরা তার জন্য আমাদের ক্যান্ডিডেটকে উইথড্র করবে। কারণ আমরা তো জোটে ছিলাম। সেই কন্ট্রিবিউশনের একটা সৌজন্যতার জন্য এ সিদ্ধান্ত।

২০ ঘণ্টা আগে

ভোটার স্থানান্তরসহ সিইসির কাছে ৫ অভিযোগ বিএনপির

নাম উল্লেখ না করে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জিততে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে বিপুল পরিমাণ ভোটার স্থানান্তরের ‘কূটকৌশল’ গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ ধরনের স্থানান্তরিত ভোটারের তালিকা সরবরাহে

২০ ঘণ্টা আগে

প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : জামায়াত

তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

২০ ঘণ্টা আগে