
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার আর সংস্কার করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজিত জ্বালানি, অর্থনীতি সংস্কার ও গণভোট বিষয়ে জাতীয় কনভেনশনে তিনি এ কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, বিএনপি ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশভাবে উপভোগ করতে চায়। কিন্তু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বের ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়, সেটাকে ক্ষমতার দৃষ্টিতে দেখার যে মানসিকতা, সেখান থেকে তারা এখনো বের হতে পারেননি।
আখতার হোসেন বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন ‘সংস্কারের বাহানায় যদি নির্বাচনটা হতে দেওয়া না হয়, সে কারণে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছেন।’ তারা বারবার নোট অব ডিসেন্টের কথা বলছেন। ঐকমত্য কমিশনে যখন আমরা আলাপ করেছিলাম, তখন নোট অব ডিসেন্টের অর্থ এই ছিল যে, আমরা মূল সিদ্ধান্তকে মেনে নিলাম, যার একটা ভিন্ন মত রয়েছে। তিনি সে ভিন্ন মতটা উল্লেখ করে রাখলেন। নোট অব ডিসেন্টটা এখানে মুখ্য বিষয় নয়। এখানে মূল যে সিদ্ধান্ত, রাজনৈতিক দলগুলো এবং ঐকমত্য কমিশন উপনীত হয়েছে সেটাই এখানে কার্যকর হবে।
তিনি আরও বলেন, গণভোট হয়ে যাওয়ার পরে বিএনপি কোন বিষয়ে রাজি বা কোন বিষয়ে নারাজি সেটার মুখ্য বিষয় হতে পারে না। সেই গণভোটের বিষয়গুলোর দিকে একটু তাকিয়ে দেখি। তারা বলছেন, যে চারটা কোশ্চেনের মধ্যে সাড়ে তিনটা কোশ্চেনে তাদের আপত্তি নাই। আধাটা কোশ্চেনে তাদের আপত্তি। আমরা আসলে ক্লিয়ার হতে চাই যে, গণভোটের কোন আধাটার বিষয়ে আপনাদের আপত্তি ছিল। কারণ গণভোটের প্রশ্নগুলোতে খুবই স্পষ্ট করে বলা ছিল যে, একটা উচ্চকক্ষ হবে ভোটের পিআর অনুযায়ী। তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে নতুন একটা ফর্মুলা অনুযায়ী, আর সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ হবে একটা নিরপেক্ষ ভোটিংয়ের মধ্য দিয়ে, যে বিষয়গুলোতে আমরা সবাই একমত হয়েছিলাম।
এনসিপির এই সদস্য সচিব বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনের সময়টাতে আপনারা (বিএনপি) গণভোটে ‘হ্যাঁ’য়ের কথা বলেছিলেন। কারণ আপনারা জানতেন যে, তখন গণভোটে যদি আপনারা ‘না’য়ের পক্ষে অবস্থান নিতেন। জনগণও আপনাদের বিপক্ষে চলে যেত। সে জনগণ তো ভোটের পরে তারা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে, ব্যাপারটা এমন না। শুধুমাত্র নির্বাচনের মধ্য দিয়েই বা পাঁচ বছর অপেক্ষা করেই তারপরে অনেক কিছু হবে, বিষয়টা তো এমনও না। বাংলাদেশের জনগণ তারা এই জিনিসগুলো দেখভাল করছে, তারা খেয়াল রাখছে এবং তারা সবাই প্রত্যাশা করছে।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, এখন আমরা শুধু এতটুকুই বলবো, সামনের দিনে আমরা দেখতে চাই, আপনারা আসলে কত ভালো আইন আপনারা নিয়ে আসেন। আমরা সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকব। সেটা শুধু আমরা না, বাংলাদেশে আমজনতা সেটা দেখার অপেক্ষায় আছে।
রাজনীতি/একে

ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার আর সংস্কার করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজিত জ্বালানি, অর্থনীতি সংস্কার ও গণভোট বিষয়ে জাতীয় কনভেনশনে তিনি এ কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, বিএনপি ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশভাবে উপভোগ করতে চায়। কিন্তু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বের ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়, সেটাকে ক্ষমতার দৃষ্টিতে দেখার যে মানসিকতা, সেখান থেকে তারা এখনো বের হতে পারেননি।
আখতার হোসেন বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন ‘সংস্কারের বাহানায় যদি নির্বাচনটা হতে দেওয়া না হয়, সে কারণে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছেন।’ তারা বারবার নোট অব ডিসেন্টের কথা বলছেন। ঐকমত্য কমিশনে যখন আমরা আলাপ করেছিলাম, তখন নোট অব ডিসেন্টের অর্থ এই ছিল যে, আমরা মূল সিদ্ধান্তকে মেনে নিলাম, যার একটা ভিন্ন মত রয়েছে। তিনি সে ভিন্ন মতটা উল্লেখ করে রাখলেন। নোট অব ডিসেন্টটা এখানে মুখ্য বিষয় নয়। এখানে মূল যে সিদ্ধান্ত, রাজনৈতিক দলগুলো এবং ঐকমত্য কমিশন উপনীত হয়েছে সেটাই এখানে কার্যকর হবে।
তিনি আরও বলেন, গণভোট হয়ে যাওয়ার পরে বিএনপি কোন বিষয়ে রাজি বা কোন বিষয়ে নারাজি সেটার মুখ্য বিষয় হতে পারে না। সেই গণভোটের বিষয়গুলোর দিকে একটু তাকিয়ে দেখি। তারা বলছেন, যে চারটা কোশ্চেনের মধ্যে সাড়ে তিনটা কোশ্চেনে তাদের আপত্তি নাই। আধাটা কোশ্চেনে তাদের আপত্তি। আমরা আসলে ক্লিয়ার হতে চাই যে, গণভোটের কোন আধাটার বিষয়ে আপনাদের আপত্তি ছিল। কারণ গণভোটের প্রশ্নগুলোতে খুবই স্পষ্ট করে বলা ছিল যে, একটা উচ্চকক্ষ হবে ভোটের পিআর অনুযায়ী। তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে নতুন একটা ফর্মুলা অনুযায়ী, আর সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ হবে একটা নিরপেক্ষ ভোটিংয়ের মধ্য দিয়ে, যে বিষয়গুলোতে আমরা সবাই একমত হয়েছিলাম।
এনসিপির এই সদস্য সচিব বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনের সময়টাতে আপনারা (বিএনপি) গণভোটে ‘হ্যাঁ’য়ের কথা বলেছিলেন। কারণ আপনারা জানতেন যে, তখন গণভোটে যদি আপনারা ‘না’য়ের পক্ষে অবস্থান নিতেন। জনগণও আপনাদের বিপক্ষে চলে যেত। সে জনগণ তো ভোটের পরে তারা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে, ব্যাপারটা এমন না। শুধুমাত্র নির্বাচনের মধ্য দিয়েই বা পাঁচ বছর অপেক্ষা করেই তারপরে অনেক কিছু হবে, বিষয়টা তো এমনও না। বাংলাদেশের জনগণ তারা এই জিনিসগুলো দেখভাল করছে, তারা খেয়াল রাখছে এবং তারা সবাই প্রত্যাশা করছে।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, এখন আমরা শুধু এতটুকুই বলবো, সামনের দিনে আমরা দেখতে চাই, আপনারা আসলে কত ভালো আইন আপনারা নিয়ে আসেন। আমরা সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকব। সেটা শুধু আমরা না, বাংলাদেশে আমজনতা সেটা দেখার অপেক্ষায় আছে।
রাজনীতি/একে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষের আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পরও রাষ্ট্র ও প্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আমি দেখছি যে, কিছুই বদলায়নি।’
৯ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উভয়েই একমত, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং আমি যেমন সবসময় বলি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’
১৩ ঘণ্টা আগে
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
১ দিন আগে
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লি যাবেন কি না— এমন প্রশ্নের উত্তরে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘এ সিদ্ধান্ত নেবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এটি সম্পূর্ণ তার বিষয়। তবে আমরা অধীর আগ্রহে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের অপেক্ষায় আছি।’
১ দিন আগে