
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমরা যে পরিবর্তন আশা করছি তা সর্বত্রই হতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন শুধু বৈষম্যমূলক চাকরি ব্যবস্থা বা কর্মসংস্থানের জন্য নয়। সেটি ছিল দীর্ঘ ১৫/১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ শাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের বহিঃপ্রকাশ। যে কারণে দ্রুত গতিতে এক দফার ভিত্তিতে সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হয় এবং বহু লড়াই সংগ্রাম ও রক্তের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন হলে ‘চব্বিশোত্তর বাংলাদেশে তারুণ্যের ভাবনায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সকল রাজনৈতিক দলকে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে চিন্তা করে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হবে যত সংস্কারই আমরা করি না কেন মানসিক সংস্কার আগে করতে হবে। না হলে আমরা যত সংস্কারের কথা বলি না কেন আমরা কিন্তু আইনে রূপান্তর করতে পারব না। গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী আইনি রূপান্তর ঘটাতে পারলে জাতির মুক্তি হবে। আসুন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে আমরা সবাই একসঙ্গে হই।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, সবক্ষেত্রে মেধা, জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হবে। সমাজের যে স্তরেই আমরা কাজ করি না কেন, আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা ব্যাপক। কারণ তারা তরুণ প্রজন্মকে শেখান।
তিনি বলেন, আমাদের জনসংখ্যার কর্মসংস্থান অবশ্যই করতে হবে। এক্ষেত্রে শুধু সরকারের ওপর নির্ভরশীল হলে চলবে না; বরং আত্মনির্ভরশীল হয়ে নিজ উদ্যোগে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গতকাল একটি দল বলেছে—আমরা নাকি চাপে জুলাই সনদে গণভোটের প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। আমরা বলেছি, জাতীয় নির্বাচনের দিনই জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট হতে পারে। এখন একটি রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ খুঁজছে। তবে তাদের কিছু দাবি-দাওয়া আছে। আমরা আশা করছি সুন্দর সমাধান হবে।
আমরা কিন্তু আইনে রূপান্তর করতে পারব না। গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী আইনি রূপান্তর ঘটাতে পারলে জাতির মুক্তি হবে। আসুন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে আমরা সবাই একসঙ্গে হই।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, গতকাল একটি দল বলেছে—আমরা নাকি চাপে জুলাই সনদে গণভোটের প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। আমরা বলেছি, জাতীয় নির্বাচনের দিনই জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট হতে পারে। এখন একটি রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ খুঁজছে। তবে তাদের কিছু দাবি দাওয়া আছে। আমরা আশা করছি সুন্দর সমাধান হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আদেশ জারি ও প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জুলাই সনদকে আইনি কাঠামো দিতে পারেন। সবই হতে হবে বাস্তবতার নিরিখে এবং আইন দিয়ে। যাতে ভবিষ্যতে কেউ বাতিলের দাবি তুলতে পারে। সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।
স্বাগত বক্তব্যে ইউট্যাবের মহাসচিব ড. মোর্শেদ হাসান খান বলেন, আমাদের দল বিএনপি মনে করে একটি জাতি গঠনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু শিক্ষাকে হতে হবে সম্পূর্ণ কর্মসংস্থানমুখী ও যুগোপযোগী। গত কয়েক দশকে আমরা দেখেছি সার্টিফিকেটসর্বস্ব একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যা কেবল বেকারত্বের সংখ্যা বাড়িয়েছে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে তরুণদের ভাবনা হওয়া উচিত একটি জ্ঞানভিত্তিক ও চাহিদাভিত্তিক শিক্ষার। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে ঢেলে সাজাতে হবে, যেখানে কারিগরি, ভোকেশনাল এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের উদাসীনতার কারণে বাংলাদেশের শিক্ষার মান নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সুতরাং আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের অবস্থান বদনাম ঘোচাতে হবে। বিগত ১৭ বছরে শিক্ষার জঞ্জাল সরিয়ে শিক্ষাকে বাঁচাতে হবে। কারিকুলাম পরিবর্তনের মাধ্যমে কর্মমুখী ও বিজ্ঞানমনস্ক যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক লুৎফর রহমান ও অধ্যাপক নূরুল ইসলাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মো. শামীম, ইউট্যাবের নেতা অধ্যাপক ড. আব্দুল করিম, অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল, অধ্যাপক ড. আবদুল করিম, অধ্যাপক শামসুল আলম, অধ্যাপক ড. ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, অধ্যাপক খায়রুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ভিসি-প্রোভিসি, সাংবাদিক, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী নেতারা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমরা যে পরিবর্তন আশা করছি তা সর্বত্রই হতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন শুধু বৈষম্যমূলক চাকরি ব্যবস্থা বা কর্মসংস্থানের জন্য নয়। সেটি ছিল দীর্ঘ ১৫/১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ শাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের বহিঃপ্রকাশ। যে কারণে দ্রুত গতিতে এক দফার ভিত্তিতে সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হয় এবং বহু লড়াই সংগ্রাম ও রক্তের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন হলে ‘চব্বিশোত্তর বাংলাদেশে তারুণ্যের ভাবনায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সকল রাজনৈতিক দলকে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে চিন্তা করে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হবে যত সংস্কারই আমরা করি না কেন মানসিক সংস্কার আগে করতে হবে। না হলে আমরা যত সংস্কারের কথা বলি না কেন আমরা কিন্তু আইনে রূপান্তর করতে পারব না। গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী আইনি রূপান্তর ঘটাতে পারলে জাতির মুক্তি হবে। আসুন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে আমরা সবাই একসঙ্গে হই।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, সবক্ষেত্রে মেধা, জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হবে। সমাজের যে স্তরেই আমরা কাজ করি না কেন, আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা ব্যাপক। কারণ তারা তরুণ প্রজন্মকে শেখান।
তিনি বলেন, আমাদের জনসংখ্যার কর্মসংস্থান অবশ্যই করতে হবে। এক্ষেত্রে শুধু সরকারের ওপর নির্ভরশীল হলে চলবে না; বরং আত্মনির্ভরশীল হয়ে নিজ উদ্যোগে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গতকাল একটি দল বলেছে—আমরা নাকি চাপে জুলাই সনদে গণভোটের প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। আমরা বলেছি, জাতীয় নির্বাচনের দিনই জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট হতে পারে। এখন একটি রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ খুঁজছে। তবে তাদের কিছু দাবি-দাওয়া আছে। আমরা আশা করছি সুন্দর সমাধান হবে।
আমরা কিন্তু আইনে রূপান্তর করতে পারব না। গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী আইনি রূপান্তর ঘটাতে পারলে জাতির মুক্তি হবে। আসুন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে আমরা সবাই একসঙ্গে হই।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, গতকাল একটি দল বলেছে—আমরা নাকি চাপে জুলাই সনদে গণভোটের প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। আমরা বলেছি, জাতীয় নির্বাচনের দিনই জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট হতে পারে। এখন একটি রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ খুঁজছে। তবে তাদের কিছু দাবি দাওয়া আছে। আমরা আশা করছি সুন্দর সমাধান হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আদেশ জারি ও প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জুলাই সনদকে আইনি কাঠামো দিতে পারেন। সবই হতে হবে বাস্তবতার নিরিখে এবং আইন দিয়ে। যাতে ভবিষ্যতে কেউ বাতিলের দাবি তুলতে পারে। সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।
স্বাগত বক্তব্যে ইউট্যাবের মহাসচিব ড. মোর্শেদ হাসান খান বলেন, আমাদের দল বিএনপি মনে করে একটি জাতি গঠনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু শিক্ষাকে হতে হবে সম্পূর্ণ কর্মসংস্থানমুখী ও যুগোপযোগী। গত কয়েক দশকে আমরা দেখেছি সার্টিফিকেটসর্বস্ব একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যা কেবল বেকারত্বের সংখ্যা বাড়িয়েছে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে তরুণদের ভাবনা হওয়া উচিত একটি জ্ঞানভিত্তিক ও চাহিদাভিত্তিক শিক্ষার। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে ঢেলে সাজাতে হবে, যেখানে কারিগরি, ভোকেশনাল এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের উদাসীনতার কারণে বাংলাদেশের শিক্ষার মান নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সুতরাং আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের অবস্থান বদনাম ঘোচাতে হবে। বিগত ১৭ বছরে শিক্ষার জঞ্জাল সরিয়ে শিক্ষাকে বাঁচাতে হবে। কারিকুলাম পরিবর্তনের মাধ্যমে কর্মমুখী ও বিজ্ঞানমনস্ক যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক লুৎফর রহমান ও অধ্যাপক নূরুল ইসলাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মো. শামীম, ইউট্যাবের নেতা অধ্যাপক ড. আব্দুল করিম, অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল, অধ্যাপক ড. আবদুল করিম, অধ্যাপক শামসুল আলম, অধ্যাপক ড. ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, অধ্যাপক খায়রুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ভিসি-প্রোভিসি, সাংবাদিক, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী নেতারা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে