
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নুর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে তাদের পদত্যাগ দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির একাংশের দাবিদার রওশন এরশাদ ও তার অনুসারী ১৩ জন নেতা। এই ১৩ জন নেতা জাপার সাবেক সংসদ সদস্য।
বুধবার (৩১ জুলাই) রাতে রওশন এরশাদসহ সাবেক সংসদ সদস্যদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার দায় নিয়ে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়েছেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মুজিবুল হক চুন্নু। তাদের দাবিকে স্বাগত জানিয়ে বলতে চাই, সরকারকে পদত্যাগের আলটিমেটাম দেওয়ার আগে নিজেরা পদত্যাগ করে জনতার কাতারে আসুন। অযথা চাটুকারিতা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’
রওশন এরশাদ ও তার অনুসারীরা বলেন, ‘সরকারের পদত্যাগের দাবি করা জি এম কাদের ও মুজিবুল হক চুন্নু জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।’
রওশন এরশাদ ছাড়াও বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন কাজী ফিরোজ রশিদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, গোলাম সারোয়ার মিলন, রুস্তম আলী ফরাজি, জিয়াউল হক মৃধা, নুরুল ইসলাম মিলন, ইয়াহিয়া চৌধুরী, আব্দুল গাফফার বিশ্বাস, মোক্তার হোসেন, রাহগির আল মাহি শাদ, এমএ গোফরান, ইঞ্জিনিয়ার মামুনুর রশিদ এবং আবুল কাশেম সরকার।
বিবৃতিতে তারা জি এম কাদেরের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে সরকারের পদত্যাগ দাবি করে জনগণকে ভাঁওতা দেবেন না। মানুষ আপনাদের বিশ্বাস করে না। আগে নিজেরা পদত্যাগ করে জনগণকে দেখান যে, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি।’

বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নুর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে তাদের পদত্যাগ দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির একাংশের দাবিদার রওশন এরশাদ ও তার অনুসারী ১৩ জন নেতা। এই ১৩ জন নেতা জাপার সাবেক সংসদ সদস্য।
বুধবার (৩১ জুলাই) রাতে রওশন এরশাদসহ সাবেক সংসদ সদস্যদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার দায় নিয়ে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়েছেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মুজিবুল হক চুন্নু। তাদের দাবিকে স্বাগত জানিয়ে বলতে চাই, সরকারকে পদত্যাগের আলটিমেটাম দেওয়ার আগে নিজেরা পদত্যাগ করে জনতার কাতারে আসুন। অযথা চাটুকারিতা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’
রওশন এরশাদ ও তার অনুসারীরা বলেন, ‘সরকারের পদত্যাগের দাবি করা জি এম কাদের ও মুজিবুল হক চুন্নু জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।’
রওশন এরশাদ ছাড়াও বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন কাজী ফিরোজ রশিদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, গোলাম সারোয়ার মিলন, রুস্তম আলী ফরাজি, জিয়াউল হক মৃধা, নুরুল ইসলাম মিলন, ইয়াহিয়া চৌধুরী, আব্দুল গাফফার বিশ্বাস, মোক্তার হোসেন, রাহগির আল মাহি শাদ, এমএ গোফরান, ইঞ্জিনিয়ার মামুনুর রশিদ এবং আবুল কাশেম সরকার।
বিবৃতিতে তারা জি এম কাদেরের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে সরকারের পদত্যাগ দাবি করে জনগণকে ভাঁওতা দেবেন না। মানুষ আপনাদের বিশ্বাস করে না। আগে নিজেরা পদত্যাগ করে জনগণকে দেখান যে, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি।’

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এখন তার দ্বিতীয় বিয়ের দাবি, ভাইরাল হওয়া একটি বায়োডাটার তথ্য এবং ভিডিও ধারণের সময়কাল— সবকিছু ঘিরেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দ
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি দলের নজরে রয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে ছিলাম। কেন কাউকে সরিয়ে দেবো? আমরা একসঙ্গেই থাকব। চলতে গেলে এদিক-ওদিক হতেই পারে। কেউ একজন বলেছেন, এটা ফেয়ারওয়েল ডিনার কি না। কেন ফেয়ারওয়েল হবে? ফেয়ারওয়েল ডিনার যদি দিতে হয়, গুপ্ত-সুপ্তদের বলতে পারি, স্বৈরাচারকে বলতে পারি। কিন্তু আমরা যারা ছিলাম, আমরা ইনশাল্লাহ এক
২ দিন আগে
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বৈঠক শুরুর আগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
২ দিন আগে