
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সফল হওয়ার পর দেশে নতুন করে বৈষম্য শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।
তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাজ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হলো, বৈষম্য থেকে মুক্তি। স্বাধীনতাযুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্যমুক্ত নিজেদের স্বাধীন একটি দেশ। যে দেশের মালিক হবে জনসাধারণ। কিন্তু আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সফল হওয়ায় আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে।’
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি অনলাইন কর্মীদের সঙ্গে এবং ঢাকা বিভাগীয় জেলার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময়সভায় যোগ দিয়ে গোলাম মোহাম্মদ কাদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জাতীয় পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। অথচ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের মামলায় জাতীয় পার্টি নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এই অন্যায় আমরা মেনে নেব না।’
২০২৪ সালে যখন চাকরিতে কোটাবিরোধী ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ শুরু হয় তখন থেকেই জাতীয় পার্টি আন্দোলনরত ছাত্রদের পাশে ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি।
যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি কখনোই মঙ্গল বয়ে আনে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে রংপুরে ১১টি মিথ্যা মামলায় জাতীয় পার্টির অন্তত ৩৩ জন নেতাকর্মী আসামি হয়েছেন। তাদের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন। রংপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির দুজন নেতা শহীদ হয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রাজধানীতেও জাতীয় পার্টি সক্রিয় অংশ নিয়েছে। জাতীয় ছাত্রসমাজের নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করেছে।
জাপা চেয়ারম্যান আরো বলেন, ‘দুঃখের বিষয় হচ্ছে, জাতীয় পার্টি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে। আমাদের নেতাকর্মীরা শহীদ হয়েছেন, অনেকে জেল খেটেছেন। জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয়ভাবে যৌথসভা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে। সারা দেশের নেতাকর্মীদের ছাত্রদের পক্ষে কাজ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। অথচ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র হত্যা মামলায় জাতীয় পার্টি নেতাদের আসামি করা হচ্ছে। এই অন্যায় আমরা মেনে নিতে পারি না, আমরা এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করবই।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সফল হওয়ার পর দেশে নতুন করে বৈষম্য শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।
তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাজ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হলো, বৈষম্য থেকে মুক্তি। স্বাধীনতাযুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্যমুক্ত নিজেদের স্বাধীন একটি দেশ। যে দেশের মালিক হবে জনসাধারণ। কিন্তু আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করেছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সফল হওয়ায় আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে।’
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি অনলাইন কর্মীদের সঙ্গে এবং ঢাকা বিভাগীয় জেলার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময়সভায় যোগ দিয়ে গোলাম মোহাম্মদ কাদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জাতীয় পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। অথচ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ছাত্রদের মামলায় জাতীয় পার্টি নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এই অন্যায় আমরা মেনে নেব না।’
২০২৪ সালে যখন চাকরিতে কোটাবিরোধী ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ শুরু হয় তখন থেকেই জাতীয় পার্টি আন্দোলনরত ছাত্রদের পাশে ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি।
যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি কখনোই মঙ্গল বয়ে আনে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে রংপুরে ১১টি মিথ্যা মামলায় জাতীয় পার্টির অন্তত ৩৩ জন নেতাকর্মী আসামি হয়েছেন। তাদের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন। রংপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির দুজন নেতা শহীদ হয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রাজধানীতেও জাতীয় পার্টি সক্রিয় অংশ নিয়েছে। জাতীয় ছাত্রসমাজের নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করেছে।
জাপা চেয়ারম্যান আরো বলেন, ‘দুঃখের বিষয় হচ্ছে, জাতীয় পার্টি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে। আমাদের নেতাকর্মীরা শহীদ হয়েছেন, অনেকে জেল খেটেছেন। জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয়ভাবে যৌথসভা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে। সারা দেশের নেতাকর্মীদের ছাত্রদের পক্ষে কাজ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। অথচ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র হত্যা মামলায় জাতীয় পার্টি নেতাদের আসামি করা হচ্ছে। এই অন্যায় আমরা মেনে নিতে পারি না, আমরা এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করবই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
২ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৪ দিন আগে