
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন চান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা যেহেতু মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামি, ফলে এই রায় কার্যকর করার জন্যও তাকে দেশে ফিরতে হবে।
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নহিদ বলেন, বাংলাদেশে রায় হয়ে গেছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ (এমএসএমই) দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে ন্যাশনাল এসএমই অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী আশিকিন আলম। সারা দেশ থেকে আসা বিভিন্ন উদ্যোক্তারা এতে অংশ নেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আজ এক ইন্টারভিউয়ে (বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার) আমরা দেখলাম, ডিসেম্বরে কেউ একজন দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। দেশ তো এরই মধ্যে (অলরেডি) ১৬ বছরের ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। এখন আমরাও চাই তিনি দেশে ফিরবেন, ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য।’
জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একটি মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ রায় কার্যকর প্রসঙ্গে এনসিপি নেতা নাহিদ বলেন, এ সরকারের দ্রুত রায়টি কার্যকর করা উচিত। এ ছাড়া অন্য কোনো পরিকল্পনার কথা কেউ ভাবলে কারও জন্যই ভালো হবে না।
নহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা অংশগ্রহণ করেছে, রাজনৈতিকভাবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা প্রস্তুত আছে। দেশের স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্ব, অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি।’
পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার যদি কোনো ধরনের পাঁয়তারা হয় আর সরকার যদি সেটাকে প্রশ্রয় দেয়, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন সরকারই হবে। আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের মুখোমুখি করার কথা সরকারও ভাবছে। আমরা মনে করি, এটাই সঠিক রাস্তা। শেখ হাসিনার রায় অলরেডি হয়ে গিয়েছে। এখন এটা কার্যকর করতে হবে। শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে, কেবল ফিরবে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য।’

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন চান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা যেহেতু মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামি, ফলে এই রায় কার্যকর করার জন্যও তাকে দেশে ফিরতে হবে।
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নহিদ বলেন, বাংলাদেশে রায় হয়ে গেছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প বা উদ্যোগ (এমএসএমই) দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে ন্যাশনাল এসএমই অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী আশিকিন আলম। সারা দেশ থেকে আসা বিভিন্ন উদ্যোক্তারা এতে অংশ নেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আজ এক ইন্টারভিউয়ে (বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার) আমরা দেখলাম, ডিসেম্বরে কেউ একজন দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। দেশ তো এরই মধ্যে (অলরেডি) ১৬ বছরের ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। এখন আমরাও চাই তিনি দেশে ফিরবেন, ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য।’
জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একটি মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ রায় কার্যকর প্রসঙ্গে এনসিপি নেতা নাহিদ বলেন, এ সরকারের দ্রুত রায়টি কার্যকর করা উচিত। এ ছাড়া অন্য কোনো পরিকল্পনার কথা কেউ ভাবলে কারও জন্যই ভালো হবে না।
নহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা অংশগ্রহণ করেছে, রাজনৈতিকভাবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা প্রস্তুত আছে। দেশের স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্ব, অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছি।’
পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার যদি কোনো ধরনের পাঁয়তারা হয় আর সরকার যদি সেটাকে প্রশ্রয় দেয়, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন সরকারই হবে। আওয়ামী লীগকে দলগতভাবে বিচারের মুখোমুখি করার কথা সরকারও ভাবছে। আমরা মনে করি, এটাই সঠিক রাস্তা। শেখ হাসিনার রায় অলরেডি হয়ে গিয়েছে। এখন এটা কার্যকর করতে হবে। শেখ হাসিনা যদি দেশে ফিরে, কেবল ফিরবে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য।’

রোববারের বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে ঘিরে ধরেছিলেন সাংবাদিকরা। তারা বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে জানতে চান মন্ত্রীর কাছে। তবে খলিলুর রহমান বৈঠকের আলোচনা নিয়ে কিছু বলেননি। তিনিও কেবল জানিয়েছেন, সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতীয় হাইকমিশনার। ওই বৈঠকের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে ব
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন সময় দেশ গড়ার, এখন সময় জাতির ভাগ্য গঠনের। কাজেই আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তরিত করতে হবে। আমাদের দেশকে সামনের দিনগুলোতে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
২১ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থী হিসেবে অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
বৈঠক শেষে দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধী দলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে