
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রওশনপন্থি জাতীয় পার্টির এক কো–চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
রওশন এরশাদের জাতীয় পার্টি থেকে কো–চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম (সেন্টু) পদত্যাগ করেছেন। গতকাল সোমবার বিকেলে পার্টির চেয়ারম্যান রওশন এরশাদের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র দেন।
এর আগে গত শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পার্টির রওশনপন্থিদের কাউন্সিলে শফিকুল ইসলামকে কো–চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। রওশন এরশাদের নেতৃত্বে পৃথক কাউন্সিল করার এক দিন পরই পদত্যাগ করেন শফিকুল ইসলাম।
কাউন্সিলে তাকে কো–চেয়ারম্যান করার কথা উল্লেখ করে পদত্যাগপত্রে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মাধ্যমে এত বড় দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। কারণ, আমার পারিবারিক কাজ এবং স্বাস্থ্যগত সমস্যা, উপরন্তু এলাকার মানুষের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সার্বক্ষণিক ব্যস্ততার মধ্যে থাকতে হয়। এমতাবস্থায় উপরিউক্ত বিষয়গুলোর আলোকে কো–চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করছি।’
দল থেকে পদত্যাগ, নাকি কো–চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ—জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে আমি আর নেই। এখন আমি এলাকার মানুষকে সময় দেব।’
শফিকুল ইসলাম ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর এলাকার কাউন্সিলর। জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। গত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৩ আসন থেকে জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি থেকে সরকারের সঙ্গে ‘সমঝোতার’ প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জাতীয় পার্টিকে দেওয়া ২৬ আসনে তাঁর নাম ছিল না।

রওশনপন্থি জাতীয় পার্টির এক কো–চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
রওশন এরশাদের জাতীয় পার্টি থেকে কো–চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম (সেন্টু) পদত্যাগ করেছেন। গতকাল সোমবার বিকেলে পার্টির চেয়ারম্যান রওশন এরশাদের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র দেন।
এর আগে গত শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পার্টির রওশনপন্থিদের কাউন্সিলে শফিকুল ইসলামকে কো–চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। রওশন এরশাদের নেতৃত্বে পৃথক কাউন্সিল করার এক দিন পরই পদত্যাগ করেন শফিকুল ইসলাম।
কাউন্সিলে তাকে কো–চেয়ারম্যান করার কথা উল্লেখ করে পদত্যাগপত্রে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মাধ্যমে এত বড় দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। কারণ, আমার পারিবারিক কাজ এবং স্বাস্থ্যগত সমস্যা, উপরন্তু এলাকার মানুষের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সার্বক্ষণিক ব্যস্ততার মধ্যে থাকতে হয়। এমতাবস্থায় উপরিউক্ত বিষয়গুলোর আলোকে কো–চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করছি।’
দল থেকে পদত্যাগ, নাকি কো–চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ—জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে আমি আর নেই। এখন আমি এলাকার মানুষকে সময় দেব।’
শফিকুল ইসলাম ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর এলাকার কাউন্সিলর। জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। গত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৩ আসন থেকে জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি থেকে সরকারের সঙ্গে ‘সমঝোতার’ প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জাতীয় পার্টিকে দেওয়া ২৬ আসনে তাঁর নাম ছিল না।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে