
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারত মুখে বাংলাদেশকে ‘বন্ধু’ বললেও তাদের কর্মকাণ্ডে বন্ধুত্বের কোনো প্রতিফলন নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দিল্লির কথা ও কাজের ‘বৈপরীত্য’ তুলে ধরে ভারতের সমালোচনা করে তিনি ফেলানী হত্যাকাণ্ড, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, বাংলাদেশের কোস্টগার্ড ও জাহাজ আটকে দেওয়ার প্রসঙ্গও টেনেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নুরুল ইসলাম মনি।
চিফ হুইপ বলেন, “দেশে দুইদিন পরে আন্দোলন, ঘটনা, ঝামেলা হোক— চাই কি? আচ্ছা, না চাইলে আমরা তো চেষ্টাই করব এই ঘরটা যেন ঠিক থাকে, পানি যাতে না পড়ে, এই ঘরের চাল ঠিক থাকে। এটা আমরা চেষ্টা করব।”
“এই চেষ্টা যাতে করতে না পারি, তার জন্য কিছু মানুষ পরিশ্রম করে, তারা আমাদের বন্ধু না, তারা আমাদের শত্রু। সেই বন্ধুরা কাঁটাতারের বেড়া দিছে না? দেবে, কিন্তু পরে মুখে বলে ‘বন্ধু’। সেই বন্ধুরা আমাদের ফেলানির লাশ রাস্তায় ঝুলিয়ে রাখে কাঁটাতারে,”— যোগ করেন তিনি।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, “সেই বন্ধুরা আমাদের কোস্টগার্ডকে আটকে দেয়, আমাদের জাহাজ আটকে রাখে... আপনাদের মনে আছে, বাংলাদেশের জাহাজ আর বন্ধুর বাড়ির জাহাজ একসাথে যদি চিটাগঙে বার্থিং করে, চিটাগঙে বন্ধুর বাড়ির জাহাজ আগে খালাস হবে মাল, পরে আপনার বাড়ির জাহাজ— সঠিক বলছি?”
“রাইট, একদম সঠিক! আপনার মাল বাংলাদেশের পোর্টে এলে আপনাকে বসে ডেমারেজ দিতে হবে, কিন্তু আমার বন্ধুর বাড়ির মাল খালাস হবে আগে। ১০১টা এমওইউ করেছে, ১০১টা এমওইউর মধ্যে নাই কী? আপনারা খুঁইজা দেখেন, এইরকম করেছে আমার দেশে,”— বলেন চিপ হুইপ।
তিনি আরও জানান, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের করা ১০১টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সরকার পর্যালোচনা করছে এবং ‘অনতিবিলম্বে’ এর ফল পাওয়া যাবে। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা চুক্তিগুলা, মানে ১০১টা এমওইউ নিয়েই আলোচনা করছি এবং অনতিবিলম্বে তার ফল আপনারা পাবেন।”
দেশে বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ভারতের আদানি গ্রুপেরও সমালোচনা করেন তিনি।
আওয়ামী লীগ আমলে ভারতের সঙ্গে করা এমওইউ প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, “আমার এই জমিটা এইখানে, আমি একটা গাছ লাগাইলাম। আমি আপনাকে বুঝাইলাম, এই গাছে আমি পানি দেবো, গাছে আমি সার দেবো, গাছটা পরিচর্যা আমি করব, পোকা ধরলে ওষুধ দেবো, সবকিছু আমি এই গাছে করব; কিন্তু ফল খাবে পাশের বাড়ির জমির লোক। এই জমি আপনারা দেবেন?”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশে আমরা লোন নিছি, লোনের সুদসহ টাকা ফেরত দেব। আমার মাটির উপর রাস্তা যাবে, আমার গাড়ি উঠতে পারবে না; এই মাটি কাটবে, আমার মাটি, আমার দেশ, আমার দেশের উপর যে রাস্তা যাবে, সেই রাস্তায় আমার গাড়ি উঠতে পারবে না। আবার লোন আছে রাস্তা করার জন্য, সেই লোনের টাকা পরিশোধ করতে হবে— এই চুক্তি হয়েছে এবং এদেশে চলছে।”
চিফ হুইপ বলেন, “বাস্তবে আমরা এরকম জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি। আমাদের কেউ শত্রু নাই, সবাই আমাদের বন্ধু; কিন্তু আমাদের দেশ আগে। এজন্য তারেক রহমান সাহেব বলেছেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।”
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য ভারত যে আমন্ত্রণ পাঠিয়েছে, সে বিষয়েও কথা বলেন নুরুল ইসলাম মনি। বলেন, “তারেক সাহেব বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, একটা স্বাধীন দেশকে এতটুকু মর্যাদা আপনারা দেবেন না? এতটুকু মর্যাদা আপনার কাছে আশা করি না?”
সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে পাস হওয়া আইন এবং বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন চিফ হুইপ। তিনি জানান, ৩৯টি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির মধ্যে ২২টি কমিটিতে বিরোধী দলের তিনজন করে সদস্য রাখা হয়েছে।
সম্পত্তি হস্তান্তর বিল, ২০২৬ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর বিরোধিতা প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, “তারা দোহাই দিয়েছে শরিয়া আইনের। আপনাদের কাছে প্রশ্ন করতে চাই, শরিয়া আইন সরকার চালু করবে, এমন কোনো কথা ইশতেহারে লেখা নাই। আমি অনেকবার দেখেছি, আপনারাও দেখবেন, শরিয়া আইন হবে এমন কোনো বাক্যই নাই। ‘শরিয়া আইন চালু করবে না’, এমন দোহাই দিয়েই কিন্তু বিলটার বিরোধিতা করছে।”
তিনি বলেন, “সন্তানরা বাবা-মায়ের কাছ থেকে সম্পত্তি নিয়ে তাদের ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে রাস্তায় নামিয়ে দেবে— এটা হতে পারে না। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের শেষ জীবনের নিরাপত্তা ও সম্পত্তি ভোগের অধিকার নিশ্চিত করতেই আইনটি করা হয়েছে।”
গত কয়েক বছরে শিক্ষিত সন্তানদের হাতে বাবা-মায়ে নিগৃহীত হওয়ার কথাও তুলে ধরেন চিফ হুইপ। বলেন, “বাবা-মা তাদের সম্পদ ভোগ করবেন। বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দ যা করেছেন, ট্রেজারি বেঞ্চ মর্মাহত হয়েছে। যাদের সঙ্গে কথা বলেছি সবাই মর্মাহত হয়েছে। আপনার বাবাকে, আপনার মাকে আপনি কীভাবে সম্মান করবেন— সেটা আপনি বুঝবেন।”
জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, “শরিয়া আইনের বিরোধিতা করছেন, আপনি মুসলিম ল’র বিরোধিতা করেন না কেন?... আপনি কাবিননামায় স্বাক্ষর করেন কেন? সবই তো মানেন। জ্ঞানত আমাদের সকলের মনে হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বুদ্ধি দিয়ে মনে হয়েছে, এটা করার জন্য।”
বিরোধী দলের সঙ্গে মতপার্থক্য নিয়ে একজন সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, “আমাদের মতপার্থক্য হয় নাই। মতপার্থক্য বাড়েও নাই।”
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের বক্তব্য নিয়ে নুরুল ইসলাম মনির ভাষ্য, “তিনি একটা ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করছেন— একাত্তর সালের যুদ্ধ, সাতচল্লিশ সাল, তারপর মাঝখানে ভাষা আন্দোলনে গেছে… তারপরে উনি কিন্তু জিয়াউর রহমান সম্পর্কে একটি শব্দও উচ্চারণ করেন নাই। তারপরে এরশাদে আসছেন। এরশাদের পর তিনি চব্বিশের গণআন্দোলনে আসছেন, একটা ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন।”
চিফ হুইপ আরও বলেন, “আমাদের সম্পর্কে কোনো ঘাটতি হয় নাই, এটা হলো এক। আর দুই হলো, বরং আমরা আরও ক্লোজ হয়েছি। ক্লোজ হয়েছি কেন? প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আপনারা লংমার্চ করলে যদি সমস্যা সমাধান হতো, তাইলে তো আমরাই লংমার্চ করতাম।’ আমরা এটা বলি নাই যে আপনারা লংমার্চ করছেন, এতে বিরাট ক্ষতি হইছে, আপনারা কোনো উসকানি দিচ্ছেন, আপনারা কাউকে ঢুকানোর চেষ্টা করছেন।”
এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার-সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের আগে ১৬ জন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করার কথা জানান চিফ হুইপ।

ভারত মুখে বাংলাদেশকে ‘বন্ধু’ বললেও তাদের কর্মকাণ্ডে বন্ধুত্বের কোনো প্রতিফলন নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দিল্লির কথা ও কাজের ‘বৈপরীত্য’ তুলে ধরে ভারতের সমালোচনা করে তিনি ফেলানী হত্যাকাণ্ড, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, বাংলাদেশের কোস্টগার্ড ও জাহাজ আটকে দেওয়ার প্রসঙ্গও টেনেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নুরুল ইসলাম মনি।
চিফ হুইপ বলেন, “দেশে দুইদিন পরে আন্দোলন, ঘটনা, ঝামেলা হোক— চাই কি? আচ্ছা, না চাইলে আমরা তো চেষ্টাই করব এই ঘরটা যেন ঠিক থাকে, পানি যাতে না পড়ে, এই ঘরের চাল ঠিক থাকে। এটা আমরা চেষ্টা করব।”
“এই চেষ্টা যাতে করতে না পারি, তার জন্য কিছু মানুষ পরিশ্রম করে, তারা আমাদের বন্ধু না, তারা আমাদের শত্রু। সেই বন্ধুরা কাঁটাতারের বেড়া দিছে না? দেবে, কিন্তু পরে মুখে বলে ‘বন্ধু’। সেই বন্ধুরা আমাদের ফেলানির লাশ রাস্তায় ঝুলিয়ে রাখে কাঁটাতারে,”— যোগ করেন তিনি।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, “সেই বন্ধুরা আমাদের কোস্টগার্ডকে আটকে দেয়, আমাদের জাহাজ আটকে রাখে... আপনাদের মনে আছে, বাংলাদেশের জাহাজ আর বন্ধুর বাড়ির জাহাজ একসাথে যদি চিটাগঙে বার্থিং করে, চিটাগঙে বন্ধুর বাড়ির জাহাজ আগে খালাস হবে মাল, পরে আপনার বাড়ির জাহাজ— সঠিক বলছি?”
“রাইট, একদম সঠিক! আপনার মাল বাংলাদেশের পোর্টে এলে আপনাকে বসে ডেমারেজ দিতে হবে, কিন্তু আমার বন্ধুর বাড়ির মাল খালাস হবে আগে। ১০১টা এমওইউ করেছে, ১০১টা এমওইউর মধ্যে নাই কী? আপনারা খুঁইজা দেখেন, এইরকম করেছে আমার দেশে,”— বলেন চিপ হুইপ।
তিনি আরও জানান, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের করা ১০১টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সরকার পর্যালোচনা করছে এবং ‘অনতিবিলম্বে’ এর ফল পাওয়া যাবে। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা চুক্তিগুলা, মানে ১০১টা এমওইউ নিয়েই আলোচনা করছি এবং অনতিবিলম্বে তার ফল আপনারা পাবেন।”
দেশে বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ভারতের আদানি গ্রুপেরও সমালোচনা করেন তিনি।
আওয়ামী লীগ আমলে ভারতের সঙ্গে করা এমওইউ প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, “আমার এই জমিটা এইখানে, আমি একটা গাছ লাগাইলাম। আমি আপনাকে বুঝাইলাম, এই গাছে আমি পানি দেবো, গাছে আমি সার দেবো, গাছটা পরিচর্যা আমি করব, পোকা ধরলে ওষুধ দেবো, সবকিছু আমি এই গাছে করব; কিন্তু ফল খাবে পাশের বাড়ির জমির লোক। এই জমি আপনারা দেবেন?”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশে আমরা লোন নিছি, লোনের সুদসহ টাকা ফেরত দেব। আমার মাটির উপর রাস্তা যাবে, আমার গাড়ি উঠতে পারবে না; এই মাটি কাটবে, আমার মাটি, আমার দেশ, আমার দেশের উপর যে রাস্তা যাবে, সেই রাস্তায় আমার গাড়ি উঠতে পারবে না। আবার লোন আছে রাস্তা করার জন্য, সেই লোনের টাকা পরিশোধ করতে হবে— এই চুক্তি হয়েছে এবং এদেশে চলছে।”
চিফ হুইপ বলেন, “বাস্তবে আমরা এরকম জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি। আমাদের কেউ শত্রু নাই, সবাই আমাদের বন্ধু; কিন্তু আমাদের দেশ আগে। এজন্য তারেক রহমান সাহেব বলেছেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।”
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য ভারত যে আমন্ত্রণ পাঠিয়েছে, সে বিষয়েও কথা বলেন নুরুল ইসলাম মনি। বলেন, “তারেক সাহেব বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, একটা স্বাধীন দেশকে এতটুকু মর্যাদা আপনারা দেবেন না? এতটুকু মর্যাদা আপনার কাছে আশা করি না?”
সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে পাস হওয়া আইন এবং বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন চিফ হুইপ। তিনি জানান, ৩৯টি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির মধ্যে ২২টি কমিটিতে বিরোধী দলের তিনজন করে সদস্য রাখা হয়েছে।
সম্পত্তি হস্তান্তর বিল, ২০২৬ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর বিরোধিতা প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, “তারা দোহাই দিয়েছে শরিয়া আইনের। আপনাদের কাছে প্রশ্ন করতে চাই, শরিয়া আইন সরকার চালু করবে, এমন কোনো কথা ইশতেহারে লেখা নাই। আমি অনেকবার দেখেছি, আপনারাও দেখবেন, শরিয়া আইন হবে এমন কোনো বাক্যই নাই। ‘শরিয়া আইন চালু করবে না’, এমন দোহাই দিয়েই কিন্তু বিলটার বিরোধিতা করছে।”
তিনি বলেন, “সন্তানরা বাবা-মায়ের কাছ থেকে সম্পত্তি নিয়ে তাদের ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে রাস্তায় নামিয়ে দেবে— এটা হতে পারে না। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের শেষ জীবনের নিরাপত্তা ও সম্পত্তি ভোগের অধিকার নিশ্চিত করতেই আইনটি করা হয়েছে।”
গত কয়েক বছরে শিক্ষিত সন্তানদের হাতে বাবা-মায়ে নিগৃহীত হওয়ার কথাও তুলে ধরেন চিফ হুইপ। বলেন, “বাবা-মা তাদের সম্পদ ভোগ করবেন। বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দ যা করেছেন, ট্রেজারি বেঞ্চ মর্মাহত হয়েছে। যাদের সঙ্গে কথা বলেছি সবাই মর্মাহত হয়েছে। আপনার বাবাকে, আপনার মাকে আপনি কীভাবে সম্মান করবেন— সেটা আপনি বুঝবেন।”
জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, “শরিয়া আইনের বিরোধিতা করছেন, আপনি মুসলিম ল’র বিরোধিতা করেন না কেন?... আপনি কাবিননামায় স্বাক্ষর করেন কেন? সবই তো মানেন। জ্ঞানত আমাদের সকলের মনে হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বুদ্ধি দিয়ে মনে হয়েছে, এটা করার জন্য।”
বিরোধী দলের সঙ্গে মতপার্থক্য নিয়ে একজন সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, “আমাদের মতপার্থক্য হয় নাই। মতপার্থক্য বাড়েও নাই।”
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের বক্তব্য নিয়ে নুরুল ইসলাম মনির ভাষ্য, “তিনি একটা ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করছেন— একাত্তর সালের যুদ্ধ, সাতচল্লিশ সাল, তারপর মাঝখানে ভাষা আন্দোলনে গেছে… তারপরে উনি কিন্তু জিয়াউর রহমান সম্পর্কে একটি শব্দও উচ্চারণ করেন নাই। তারপরে এরশাদে আসছেন। এরশাদের পর তিনি চব্বিশের গণআন্দোলনে আসছেন, একটা ন্যারেটিভ দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন।”
চিফ হুইপ আরও বলেন, “আমাদের সম্পর্কে কোনো ঘাটতি হয় নাই, এটা হলো এক। আর দুই হলো, বরং আমরা আরও ক্লোজ হয়েছি। ক্লোজ হয়েছি কেন? প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আপনারা লংমার্চ করলে যদি সমস্যা সমাধান হতো, তাইলে তো আমরাই লংমার্চ করতাম।’ আমরা এটা বলি নাই যে আপনারা লংমার্চ করছেন, এতে বিরাট ক্ষতি হইছে, আপনারা কোনো উসকানি দিচ্ছেন, আপনারা কাউকে ঢুকানোর চেষ্টা করছেন।”
এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার-সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের আগে ১৬ জন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করার কথা জানান চিফ হুইপ।

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
২ দিন আগে
১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। বিবৃতিতে তারা বলেন, এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার নিপীড়িত জনগণ এবং পৃথিবীর শান্তিকামী মানুষের পক্ষাবলম্বনের বিপ
২ দিন আগে
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে বাংলাদেশি দুই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। ‘আগামীর সময়ে’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনা দেশে ফিরছেন না। অন্যদিকে ‘টাইম অব বাংলাদেশে’র প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ডিসেম্বরের ‘প্রথম সপ্তাহেই’ দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
৩ দিন আগে
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলন করেন জাহেদ উর রহমান। সেখানে ইতালিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তা-লাঞ্ছিত করার প্রসঙ্গ উঠে আসে। এ ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন উপদেষ্টা জাহেদ।
৩ দিন আগে