রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রয়েছে চীনের

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রাণ বাঁচাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেন। ফাইল ছবি

প্রায় এক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের নানা উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর সংকট সমাধানে আবারও আঞ্চলিক কূটনীতির দিকে তাকাচ্ছে বাংলাদেশ। চলতি মাসে ঢাকা জানিয়েছে, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে চীন ও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় তারা। পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, এক মিলিয়নের বেশি রোহিঙ্গার বাস্তুচ্যুতির অবসান ঘটাতে শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সমাধানই প্রয়োজন। বাংলাদেশ বরাবরই বলে আসছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন হতে হবে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই।

এই প্রক্রিয়ায় চীনের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার— দুই দেশের সঙ্গেই চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশেই চীনের উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক স্বার্থ আছে এবং বঙ্গোপসাগর ঘিরে স্থিতিশীলতার প্রতিও বেইজিংয়ের সরাসরি আগ্রহ রয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে চীন বহু বছর ধরেই কূটনৈতিকভাবে যুক্ত। ২০১৯ সালে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সহজ করা এবং রাখাইন রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় ব্যবস্থা গঠনে ভূমিকা রেখেছিল চীন।

নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে।

আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।

এর প্রথম দিকটি অর্থনৈতিক। আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা সম্প্রসারণের চীনা পরিকল্পনায় রাখাইনের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে। চীন ও মিয়ানমার চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডরের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এর মধ্যে কিয়াউকফিউ গভীর সমুদ্রবন্দরও রয়েছে। এ ছাড়া মিয়ানমারের উপকূল থেকে চীনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী তেল ও গ্যাসের পাইপলাইন এরই মধ্যে ওই অঞ্চলকে যথেষ্ট কৌশলগত গুরুত্ব দিয়েছে। জুনে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের চীন সফরের সময় দুই দেশ আবারও অর্থনৈতিক করিডর ও অন্যান্য অবকাঠামো প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।

তাই দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা চীনের অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন স্থিতিশীল সীমান্ত, কার্যকর স্থানীয় অর্থনীতি, নিরাপদ যোগাযোগপথ ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও বাস্তুচ্যুতি এর ঠিক বিপরীত পরিস্থিতি তৈরি করে। ফলে রোহিঙ্গা সংকটের একটি অর্থবহ রাজনৈতিক সমাধান চীনের অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়ে বরং তা এগিয়ে নিতে সহায়ক হতে পারে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। চীন ও ঢাকার সম্পর্ক গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত হয়েছে। এ বছর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে অবকাঠামো, বিনিয়োগ, বন্দর, জ্বালানি ও বৃহত্তর অর্থনৈতিক যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে নিয়ে একটি অর্থনৈতিক করিডর গঠনের বিষয়টিও দুই দেশ বিবেচনা করছে। চলতি মাসেও ঢাকা ও বেইজিংয়ের কর্মকর্তারা এ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন।

এখানেই রোহিঙ্গা সংকটের সঙ্গে অর্থনৈতিক ভূগোলের সরাসরি যোগসূত্র তৈরি হয়। বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে যুক্ত করা একটি অর্থনৈতিক করিডর এমন একটি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা, যার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিরাপত্তাহীনতা ও রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

তাই রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান আঞ্চলিক উন্নয়ন থেকে আলাদা কোনো বিষয় নয়। বরং এটি আরও গভীর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক একীভবনের ভিত্তি তৈরির অংশ হয়ে উঠতে পারে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে। মানবিক সংকট ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে প্রায়ই আলাদা দুটি নীতিগত বিষয় হিসেবে দেখা হয়। বাস্তবে দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি পুরো অঞ্চলের ওপর বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যয় চাপাতে পারে।

বাংলাদেশ বিপুল চাপের মধ্যেও ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এতে সরকারি সেবা, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও পরিবেশের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। ঢাকা বারবার স্পষ্ট করেছে, অনির্দিষ্টকাল ধরে রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রাখা কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না।

চীন এর আগেও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের মধ্যে সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাদের আগের ত্রিপক্ষীয় কাঠামোয় প্রত্যাবাসন ও সংলাপের পাশাপাশি রাখাইন সংকট সমাধানের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উন্নয়নকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এই দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা যেতে পারে।

শুধু সীমান্ত পার করে শরণার্থীদের ফিরিয়ে দিলেই প্রত্যাবাসন টেকসই হবে না। ফিরে যাওয়া মানুষের জীবিকা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো ও নিরাপত্তার প্রয়োজন হবে, যাতে প্রত্যাবাসনের পর তাদের সম্প্রদায়গুলো টিকে থাকতে পারে। তাই অর্থনৈতিক পুনর্গঠন রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বিকল্প নয়। সঠিকভাবে পরিকল্পনা করা গেলে এটি এমন বস্তুগত পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, যার ওপর একটি রাজনৈতিক সমাধান দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে চীনের বিশেষ কিছু সক্ষমতা রয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ, বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং বড় আকারের অবকাঠামো ও উন্নয়ন বিনিয়োগ কাজে লাগানোর সক্ষমতা— এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে খুব কম দেশেরই রয়েছে। এর ফলে শুধু কূটনৈতিক চাপ বা মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল অন্য পক্ষগুলোর তুলনায় চীনের সামনে ভিন্ন ধরনের সুযোগ রয়েছে।

চীনের আরেকটি সুবিধা হলো দেশটির যোগাযোগের সুযোগ। নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতার কারণে মিয়ানমারের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর সম্পৃক্ততা সীমিত হয়েছে। অন্যদিকে বেইজিং মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং একই সময়ে বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।

তবে এতে কূটনৈতিক সাফল্য নিশ্চিত হয় না। মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতিকে অনেক বেশি জটিল করে তুলেছে। ২০১৯ সালে যখন ত্রিপক্ষীয় কাঠামো গঠিত হয়েছিল, তখনকার পরিস্থিতির সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির বড় পার্থক্য রয়েছে। তবে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা ধরে রাখা এমন কিছু সুযোগ তৈরি করতে পারে, যেখানে প্রকাশ্য সংঘাত বা মুখোমুখি অবস্থান থেকে অগ্রগতি সম্ভব নয়।

বেইজিংয়ের জন্য সফলভাবে এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়া তাদের বৃহত্তর কূটনৈতিক লক্ষ্যকেও শক্তিশালী করতে পারে। চীন ক্রমেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও রাজনৈতিক সংলাপকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরস্পরসম্পূরক উপায় হিসেবে তুলে ধরছে। রোহিঙ্গা সংকট এই মডেল বাস্তবে কতটা কার্যকর হতে পারে, তা দেখানোর একটি সুযোগ তৈরি করেছে।

এমন একটি প্রক্রিয়া যদি ধীরে ধীরে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও রাখাইনে স্থিতিশীলতার পরিবেশ তৈরি করতে পারে, তাহলে এর সুফল শুধু রোহিঙ্গাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

দীর্ঘদিন শরণার্থী আশ্রয় দেওয়ার চাপ থেকে বাংলাদেশ কিছুটা মুক্তি পাবে। মিয়ানমার তাদের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলে বেশি স্থিতিশীলতা পাবে। চীন আরও নিরাপদ অবকাঠামো, শক্তিশালী আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং বাংলাদেশ ও মিয়ানমার— উভয় দেশের সঙ্গে গভীরতর অর্থনৈতিক সম্পর্ক থেকে লাভবান হবে। আঞ্চলিক বাণিজ্যও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর এশিয়ার বাকি অংশের সঙ্গে আরও বেশি অর্থনৈতিকভাবে যুক্ত হতে পারে।

এর পাশাপাশি নিরাপত্তাগত সুফলও রয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী শরণার্থী সংকট খুব কম ক্ষেত্রেই শুধু মানবিক শিবিরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। দারিদ্র্য, শিক্ষার অভাব, মানবপাচার চক্র, অনিয়মিত অভিবাসন ও সশস্ত্র গোষ্ঠীতে নিয়োগ ধীরে ধীরে বাস্তুচ্যুতির সংকটকে বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে পরিণত করতে পারে। এসব চাপ কমানো তাই অঞ্চলের সব বড় পক্ষের স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত।

এর অর্থ অবশ্য এই নয় যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সহজ হবে। রাখাইনের পরিস্থিতি এখনো কঠিন এবং মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধের কারণে বিভিন্ন এলাকার নিয়ন্ত্রণেও বড় পরিবর্তন এসেছে। যেকোনো টেকসই সমাধানে নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব, রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি এবং রোহিঙ্গারা যেসব এলাকায় ফিরতে পারেন, সেসব এলাকার বাস্তব প্রশাসন— এসব প্রশ্নের সমাধান করতে হবে।

এগুলো এমন সমস্যা, যা কোনো একক দেশের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে চীনের অবস্থান তাদের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগ দেয়, যার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পক্ষগুলোকে বাস্তবসম্মত ফলাফলকেন্দ্রিক একটি প্রক্রিয়ায় আনা সম্ভব হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, চীনের সম্পৃক্ততাকে মানবিক দায়িত্ব ও জাতীয় স্বার্থের মধ্যে কোনো একটি বেছে নেওয়ার বিষয় হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। দুটি বিষয় পরস্পরকে শক্তিশালী করতে পারে।

স্থিতিশীল রাখাইন চীনের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করবে। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করবে। নিরাপদ আঞ্চলিক যোগাযোগপথ বাণিজ্যকে সহায়তা করবে। বাস্তুচ্যুতি কমলে অস্থিতিশীলতাও কমবে। একই সঙ্গে সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ চীনের বৃহত্তর প্রতিবেশী অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ উন্নয়নে ভূমিকা রাখার সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

নয় বছর পর রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাস্তুচ্যুত মানুষের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার আরেকটি উদ্যোগের চেয়ে বেশি কিছু দাবি করে। প্রয়োজন এমন একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো, যা একটি টেকসই সমাধানের পথ তৈরি করতে পারে। চীনের কাছে ইতিমধ্যে এমন একটি কাঠামোতে অবদান রাখার জন্য প্রয়োজনীয় অনেক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক উপকরণ রয়েছে।

বেইজিংয়ের জন্য রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে সহায়তা করা শুধু এশিয়ার দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকটগুলোর একটি মোকাবিলা করা নয়। এর মধ্য দিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, যোগাযোগব্যবস্থা ও উন্নয়ন— চীনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্বার্থও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হতে পারে।

[আরব নিউজে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে। মূল প্রতিবেদনটি লিখেছেন ড. আজিম ইব্রাহিম। তিনি ওয়াশিংটনভিত্তিক নিউ লাইনস ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসির স্পেশাল ইনিশিয়েটিভস বিভাগের পরিচালক।]

Ad
Ad
ad
ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

গণমাধ্যম মালিকদের বেতন-ভাতা দেওয়ার সক্ষমতা যাচাই প্রয়োজন: প্রেস সচিব

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, সাংবাদিকদের নিজেদের স্বার্থ ও অধিকার আদায়ে সোচ্চার হতে হবে। গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং দায়িত্বশীলতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাও জরুরি।

১ দিন আগে

রাজধানীর ৫ লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

লেকগুলোর দূষণ কমাতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা জানান মো. সুজাউদ্দৌলা। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর লেকগুলোতে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ বন্ধ, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরও বাড়াতে বলেছেন।

১ দিন আগে

অব্যাহত সীমান্ত হত্যাকাণ্ড গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধ: সিপিবি

দলটি বলেছে, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৯৭৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক বিএসএফের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। একই সঙ্গে বিএসএফ কর্তৃক ‘বিচারবহির্ভূতভাবে অব্যাহত সীমান্ত হত্যাকাণ্ড’ গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল বলেও উল্লেখ করেছে সিপিবি।

১ দিন আগে

ভারতীয় দূতের প্রতি আহ্বান—ফ্যাসিবাদী-দণ্ডপ্রাপ্তরা যেন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে

বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বহুমাত্রিক রূপরেখা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটনে সহযোগিতার ওপর আলোচনায় জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়

১ দিন আগে
Advertisement