
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরপরই শুরু হয় অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। সেনানিবাস ও বঙ্গভবনে দফায় দফায় বৈঠকের মাধ্যম নতুন সরকারের রূপরেখা তৈরির কাজ চলতে থাকে। এসব বৈঠকে প্রতিনিধিত্বশীল প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নেতারাই উপস্থিত ছিলেন। এর বাইরে পেশাজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে একমাত্র উপস্থিত ছিলেন ড. আসিফ নজরুল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপক পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় পেশাজীবী বা নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি একাই কেন উপস্থিত ছিলেন?
আসিফ নজরুল বলছেন, তার নিজেরই জানা নেই কেন তাকে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সেই সন্ধিক্ষণে সেনাপ্রধান বা রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে ডাকা হয়েছিল। তবে তার ধারণা, শেখ হাসিনার শাসনামলে ধারাবাহিকভাবে তার নানা অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা ও বিরোধিতার কারণে তাকে বেছে নেওয়া হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তিনি সহজে যোগাযোগ করতে পারবেন— এ কারণেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়ে থাকতে পারে।
বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই সময়কার ঘটনাপ্রবাহ সবিস্তারে তুলে ধরেন আসিফ নজরুল। রোববার (৫ এপ্রিল) বিবিসি বাংলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে।
সাক্ষাৎকারের শুরুতেই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন প্রক্রিয়া শুরুর ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন আসিফ নজরুল। তিনি কীভাবে বা কেন ওই দিন সেনানিবাসের আলোচনায় ডাক পেয়েছিলেন— এমন প্রশ্ন রাখা হয়েছিল তার কাছে।
জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, '৫ আগস্ট যখন আর্মি চিফের পক্ষ থেকে একজন ফোন করলেন, আমি নিজেও অবাক হয়েছিলাম। তখন আমি রিজওয়ানা হাসানকে (পরিবেশ আইনজীবী, পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা) ফোন করলাম। উনি বললেন, আপনি যান। এরপর আমি মির্জা ফখরুল (বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভাইকে ফোন করলাম।'
আসিফ নজরুল বলেন, আমাকে আর্মির পক্ষ থেকে যখন ফোন করা হয়েছে, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনারা আর কাকে কাকে ফোন করেছেন? তখন উনারা কয়েকজন পলিটিক্যাল পার্টির লিডারের নাম বললেন। মির্জা ফখরুল ভাই আমার খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ফখরুল ভাইকে আমি বললাম। উনি বললেন, 'হ্যাঁ, আমরা যাচ্ছি তো, আপনিও আসেন।' তখন আমি গেলাম। তখন আমার ধারণা ছিল না যে আমাকে (পেশাজীবীদের মধ্যে) একা বলা (ডাকা) হয়েছে।
সেনানিবাসের গিয়ে আসিফ নজরুল দেখতে পান, সেখানে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন বাম দলের নেতারা সেখানে ছিলেন। আসিফ নজরুল বলেন, 'সেখানে যাওয়ার পর আমি ফিল করলাম, নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আমি একা।'
তাকেই কেন ডাকা হয়েছে— এ প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, 'ওখানে আমাকে কেন ডেকেছেন, সেটা তো বলার স্কোপ নেই। আমি ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে দেখলাম, খুব আলোচনা হচ্ছে যে জাতীয় সংসদ রাখা হবে কি না। আমি বসার সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, জাতীয় সংসদ রাখা যাবে কি না। আমি অত্যন্ত স্ট্রংলি বললাম, কোনো অবস্থাতেই না। যে সংসদের সবাই পালিয়ে গেছে, সংসদ নেত্রী পালিয়ে গেছে, সে সংসদ কীভাবে রাখবেন!'
ওই সময় জাতীয় পার্টির একজন নেতার সঙ্গে সংসদ বহাল রাখা নিয়ে বিতর্ক হয় বলে জানান আসিফ নজরুল। বলেন, 'এই যে আলোচনার মধ্যে ঢুকলাম, এটা এত সিরিয়াস আলোচনা, এত একটা জটিল বিষয়, এরপর আমার আর ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করা যে অন্য কেউ নেই কেন— এই অবকাশ ছিল না।'
আসিফ নজরুল জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের চলাকালে সেনাবাহিনী বা অন্য কোনো পক্ষের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ হয়নি। তবে ৫ আগস্টের কয়েকদিন আগে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয়ে একজন তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সাবধানে থাকতে বলেন। তাকে বলা হয়, স্নাইপাররা কিছু লোককে মেরে ফেলতে পারে, যার মধ্যে আসিফ নজরুলের নামও আছে। এ কথা শুনে তিনি কয়েকদিন বাসার বাইরেও ছিলেন।
এ পর্যায়ে এসে আসিফ নজরুল তাকে ওই সময় সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় ডাকা হয়েছিল, সে বিষয়ে ধারণার কথা তুলে ধরেন। এ ক্ষেত্রে দুটি সম্ভাবনার কথা জানান তিনি।
আসিফ নজরুল বলেন, 'আমি চিন্তা করে দেখেছি, আমার সঙ্গে (যোগাযোগ করেছে), এর একটা কারণ হতে পারে— আমি তো ১৫ বছর, আপনারা দেখেছেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে শেখ হাসিনাবিরোধী যত আন্দোলন ছিল, বিভিন্নভাবে ছিলাম। ২০১৮ সালে নুররা (ডাকসুর সাবেক সভাপতি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর) যে কোটা সংস্কার আন্দোলন করে, সেখান থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ছিলাম।'
সম্ভাব্য দ্বিতীয় কারণ তুলে ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের এ উপদেষ্টা বলেন, 'আর আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। হয়তো উনাদের মনে হয়েছে যে ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আমি একটা ভালো মাধ্যম। হয়তো উনারা এটা বিবেচনা করেছেন।'
এ বিষয়ে আসিফ নজরুল আরও বলেন, 'কারণ ৫ তারিখে (২০২৪ সালের ৫ আগস্ট) যখন বঙ্গভবনে আলোচনা করছিলাম, তখন রাজনৈতিক দলগুলো এবং বিভিন্ন বাহিনীর পক্ষ থেকে আমাকে বলা হলো, আমি যেন ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তো আমি ছাত্রদের সঙ্গে ৫ তারিখ রাতে যোগাযোগ করেছিলাম।'
'নাহিদ, আসিফ, সারজিস (এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সারজিস আলম), মাহফুজ (জুলাই আন্দোলনের অন্যতম তাত্ত্বিক নেতা ও পরে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা) সবাই ছিল। কার্জন হলে রাত ১টার সময় মিটিং করলাম। রাজনৈতিক নেতাদের অনুরোধে আমি ছাত্রনেতাদের ৬ তারিখে বঙ্গভবনে নিয়ে আসি। উনাদের হয়তো মনে হয়েছিল, আমি কাজটা (শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ) করতে পারি,'— বলেন আসিফ নজরুল।
সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম, ওই সরকারে নিজের কর্মকাণ্ডসহ নানা বিষয় তুলে ধরেন তিনি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরপরই শুরু হয় অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। সেনানিবাস ও বঙ্গভবনে দফায় দফায় বৈঠকের মাধ্যম নতুন সরকারের রূপরেখা তৈরির কাজ চলতে থাকে। এসব বৈঠকে প্রতিনিধিত্বশীল প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নেতারাই উপস্থিত ছিলেন। এর বাইরে পেশাজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে একমাত্র উপস্থিত ছিলেন ড. আসিফ নজরুল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপক পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় পেশাজীবী বা নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি একাই কেন উপস্থিত ছিলেন?
আসিফ নজরুল বলছেন, তার নিজেরই জানা নেই কেন তাকে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সেই সন্ধিক্ষণে সেনাপ্রধান বা রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে ডাকা হয়েছিল। তবে তার ধারণা, শেখ হাসিনার শাসনামলে ধারাবাহিকভাবে তার নানা অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা ও বিরোধিতার কারণে তাকে বেছে নেওয়া হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তিনি সহজে যোগাযোগ করতে পারবেন— এ কারণেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়ে থাকতে পারে।
বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই সময়কার ঘটনাপ্রবাহ সবিস্তারে তুলে ধরেন আসিফ নজরুল। রোববার (৫ এপ্রিল) বিবিসি বাংলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে।
সাক্ষাৎকারের শুরুতেই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন প্রক্রিয়া শুরুর ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন আসিফ নজরুল। তিনি কীভাবে বা কেন ওই দিন সেনানিবাসের আলোচনায় ডাক পেয়েছিলেন— এমন প্রশ্ন রাখা হয়েছিল তার কাছে।
জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, '৫ আগস্ট যখন আর্মি চিফের পক্ষ থেকে একজন ফোন করলেন, আমি নিজেও অবাক হয়েছিলাম। তখন আমি রিজওয়ানা হাসানকে (পরিবেশ আইনজীবী, পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা) ফোন করলাম। উনি বললেন, আপনি যান। এরপর আমি মির্জা ফখরুল (বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভাইকে ফোন করলাম।'
আসিফ নজরুল বলেন, আমাকে আর্মির পক্ষ থেকে যখন ফোন করা হয়েছে, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনারা আর কাকে কাকে ফোন করেছেন? তখন উনারা কয়েকজন পলিটিক্যাল পার্টির লিডারের নাম বললেন। মির্জা ফখরুল ভাই আমার খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ফখরুল ভাইকে আমি বললাম। উনি বললেন, 'হ্যাঁ, আমরা যাচ্ছি তো, আপনিও আসেন।' তখন আমি গেলাম। তখন আমার ধারণা ছিল না যে আমাকে (পেশাজীবীদের মধ্যে) একা বলা (ডাকা) হয়েছে।
সেনানিবাসের গিয়ে আসিফ নজরুল দেখতে পান, সেখানে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন বাম দলের নেতারা সেখানে ছিলেন। আসিফ নজরুল বলেন, 'সেখানে যাওয়ার পর আমি ফিল করলাম, নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আমি একা।'
তাকেই কেন ডাকা হয়েছে— এ প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, 'ওখানে আমাকে কেন ডেকেছেন, সেটা তো বলার স্কোপ নেই। আমি ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে দেখলাম, খুব আলোচনা হচ্ছে যে জাতীয় সংসদ রাখা হবে কি না। আমি বসার সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, জাতীয় সংসদ রাখা যাবে কি না। আমি অত্যন্ত স্ট্রংলি বললাম, কোনো অবস্থাতেই না। যে সংসদের সবাই পালিয়ে গেছে, সংসদ নেত্রী পালিয়ে গেছে, সে সংসদ কীভাবে রাখবেন!'
ওই সময় জাতীয় পার্টির একজন নেতার সঙ্গে সংসদ বহাল রাখা নিয়ে বিতর্ক হয় বলে জানান আসিফ নজরুল। বলেন, 'এই যে আলোচনার মধ্যে ঢুকলাম, এটা এত সিরিয়াস আলোচনা, এত একটা জটিল বিষয়, এরপর আমার আর ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করা যে অন্য কেউ নেই কেন— এই অবকাশ ছিল না।'
আসিফ নজরুল জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের চলাকালে সেনাবাহিনী বা অন্য কোনো পক্ষের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ হয়নি। তবে ৫ আগস্টের কয়েকদিন আগে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয়ে একজন তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সাবধানে থাকতে বলেন। তাকে বলা হয়, স্নাইপাররা কিছু লোককে মেরে ফেলতে পারে, যার মধ্যে আসিফ নজরুলের নামও আছে। এ কথা শুনে তিনি কয়েকদিন বাসার বাইরেও ছিলেন।
এ পর্যায়ে এসে আসিফ নজরুল তাকে ওই সময় সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় ডাকা হয়েছিল, সে বিষয়ে ধারণার কথা তুলে ধরেন। এ ক্ষেত্রে দুটি সম্ভাবনার কথা জানান তিনি।
আসিফ নজরুল বলেন, 'আমি চিন্তা করে দেখেছি, আমার সঙ্গে (যোগাযোগ করেছে), এর একটা কারণ হতে পারে— আমি তো ১৫ বছর, আপনারা দেখেছেন, নিরবচ্ছিন্নভাবে শেখ হাসিনাবিরোধী যত আন্দোলন ছিল, বিভিন্নভাবে ছিলাম। ২০১৮ সালে নুররা (ডাকসুর সাবেক সভাপতি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর) যে কোটা সংস্কার আন্দোলন করে, সেখান থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ছিলাম।'
সম্ভাব্য দ্বিতীয় কারণ তুলে ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের এ উপদেষ্টা বলেন, 'আর আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। হয়তো উনাদের মনে হয়েছে যে ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আমি একটা ভালো মাধ্যম। হয়তো উনারা এটা বিবেচনা করেছেন।'
এ বিষয়ে আসিফ নজরুল আরও বলেন, 'কারণ ৫ তারিখে (২০২৪ সালের ৫ আগস্ট) যখন বঙ্গভবনে আলোচনা করছিলাম, তখন রাজনৈতিক দলগুলো এবং বিভিন্ন বাহিনীর পক্ষ থেকে আমাকে বলা হলো, আমি যেন ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তো আমি ছাত্রদের সঙ্গে ৫ তারিখ রাতে যোগাযোগ করেছিলাম।'
'নাহিদ, আসিফ, সারজিস (এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সারজিস আলম), মাহফুজ (জুলাই আন্দোলনের অন্যতম তাত্ত্বিক নেতা ও পরে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা) সবাই ছিল। কার্জন হলে রাত ১টার সময় মিটিং করলাম। রাজনৈতিক নেতাদের অনুরোধে আমি ছাত্রনেতাদের ৬ তারিখে বঙ্গভবনে নিয়ে আসি। উনাদের হয়তো মনে হয়েছিল, আমি কাজটা (শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ) করতে পারি,'— বলেন আসিফ নজরুল।
সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম, ওই সরকারে নিজের কর্মকাণ্ডসহ নানা বিষয় তুলে ধরেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৪ দিন আগে