
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জিয়াউর রহমানের ছেলে এবং তার গড়া দল বিএনপির চেয়ারম্যান।
শনিবার (৩০ মে) সকাল ১১টায় প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারেক রহমান। পরে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, সালাহ উদ্দিন আহমদ ও এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে নিয়ে তিনি জিয়ার কবরে ফুল দেন।
এরপর বিএনপি চেয়ারম্যান এবং স্থায়ী কমিটির সদস্যরা কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন। পরে কবর প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।
বিএনপি চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মুক্তিযোদ্ধা দল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, মহিলা দল, ড্যাব, এ্যাব, ওলামা দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সহযোগী ও পেশাজীবী সংগঠন জিয়ার কবরে ফুল দেয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি নেতা মীর আবদুস সালাম, মাসুম আহমেদ তালুকদার, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, আমিনুল হক, এস এম জাহাঙ্গীর, রফিকুল আলম মজনু, শিরিন সুলতানা, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, আরিফা সুলতানা রুমা, মীর সরাফত আলী সপু, রফিকুল ইসলাম, শফিকুল আলম মিল্টন, রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী নানা আয়োজনে উদযাপন করছে বিএনপি এবং সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনগুলো।
এ দিন ভোরে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়, গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে বিএনপির পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়, তোলা হয় জাতীয় পতাকা ও কালো পতাকা। রোববার দুপুর আড়াটায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা হবে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জিয়াউর রহমানের ছেলে এবং তার গড়া দল বিএনপির চেয়ারম্যান।
শনিবার (৩০ মে) সকাল ১১টায় প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারেক রহমান। পরে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, সালাহ উদ্দিন আহমদ ও এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে নিয়ে তিনি জিয়ার কবরে ফুল দেন।
এরপর বিএনপি চেয়ারম্যান এবং স্থায়ী কমিটির সদস্যরা কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন। পরে কবর প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।
বিএনপি চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মুক্তিযোদ্ধা দল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, মহিলা দল, ড্যাব, এ্যাব, ওলামা দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সহযোগী ও পেশাজীবী সংগঠন জিয়ার কবরে ফুল দেয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি নেতা মীর আবদুস সালাম, মাসুম আহমেদ তালুকদার, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, আমিনুল হক, এস এম জাহাঙ্গীর, রফিকুল আলম মজনু, শিরিন সুলতানা, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, আরিফা সুলতানা রুমা, মীর সরাফত আলী সপু, রফিকুল ইসলাম, শফিকুল আলম মিল্টন, রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী নানা আয়োজনে উদযাপন করছে বিএনপি এবং সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনগুলো।
এ দিন ভোরে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়, গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে বিএনপির পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়, তোলা হয় জাতীয় পতাকা ও কালো পতাকা। রোববার দুপুর আড়াটায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা হবে।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে