
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটে’র প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। এই প্যানেল থেকেই ডাকসুতে সহসভাপতি (ভিপি) পদে সাদিক কায়েম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এস এম ফরহাদ হোসেন ও সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মো. মহিউদ্দীন খান নির্বাচিত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিনভর ডাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণের পর বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়।
ফলাফলে দেখা গেছে, ১৪ হাজার ৬২ ভোট নিয়ে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রশিবিরের সাদিক কায়েম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল প্যানেলের আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৭১৮ ভোট।
এদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে শিবিরের প্রার্থী এস এম ফরহাদ নির্বাচিত হয়েছেন ১৩ হাজার ২৪৩ ভোট পেয়ে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিরোধ পর্ষদের মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ছয় হাজার ৯৬৪ ভোট।
আর এজিএস পদে শিবিরের প্রার্থী মো. মহিউদ্দীন খান ১১ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল প্যানেলের তানভীর আল হাদি মায়েদ পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৬৪ ভোট।
ডাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছিল মঙ্গলবার বিকেল ৪টায়। উৎসবের আবহে শুরু হওয়া ভোট বেলা গড়াতে গড়াতেই অভিযোগের ভোটে পরিণত হয়। বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা একে অন্যকে দোষারোপ করতে থাকেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তোলেন অনেক প্রার্থী।
বিকেলে ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবেই সংবাদ সম্মেলন ও ব্রিফিং করে ভোটে নানা অনিয়ম, কারচুপির অভিযোগ তুলতে থাকেন প্রার্থীরা। ছাত্রদল ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) সমর্থিত প্যানেল থেকে তীব্রভাবেই অনিয়ম-কারচুপির অভিযোগ তোলা হয়। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তীব্রভাবে নানা অভিযোগ জানানো হয়।
এদিকে ভোট হওয়ার পর ফলাফল প্রকাশ হওয়ার অপেক্ষা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতেই থাকে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, ভোট গণনার যন্ত্রে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিছুটা দেরি হয়েছে। মধ্যরাত নাগাদ ফলাফল ঘোষণার আশ্বাসও দেন তারা। তবে সে আশ্বাস আর আলোর মুখ দেখেনি।
ক্রমেই রাত পরিণত হয় মধ্যরাতে। রাত যত গভীর হয় অপেক্ষার প্রহর যেন আরও দীর্ঘতর হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ভোর পেরিয়ে চলে আসে সকালও। সেই আগের দিন যখন ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছিল, তার ঠিক কাছাকাছি সময়ে এসে অবশেষে পাওয়া গেল ডাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল।
এদিকে ফল ঘোষণার এই দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যে মধ্যরাত পেরিয়ে যাওয়ার পর যখন শিবির সমর্থিত প্যানেলের বিপুল ব্যবধানে ভূমিধস জয় যখন অনেকটাই নিশ্চিত, তখন প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আসে নির্বাচন প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা।
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভোট প্রত্যাখ্যান করেছেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ও স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা। বৈষম্যবিরোধী প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদেরও হেঁটেছেন একই পথে।
ছাত্রদলের প্যানেলের জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম অবশ্য স্ট্যাটাসে লিখেছেন, এই যদি হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটের রায়, সেটি তিনি মেনে নিলেন।
ভোটার তথা ঢাবি শিক্ষার্থীরা বলছেন, সকালে যে উৎসবমুখর আবহে শুরু হয়েছিল ডাকসু নির্বাচন, তা ছিল আশা জাগানিয়া। সবার জন্য অনুসরণীয় একটি ভোটই দেখতে পাচ্ছিলেন তারা। কিন্তু ‘মর্নিং শোজ দ্য ডেজ’ প্রবাদকে মিথ্যা করে ফলাফল ঘোষণার দিক থেকে এই নির্বাচন স্থাপন করেছে ভিন্নরকম নজির, যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত ছিল না।
ভোটারদের ভাষ্য, প্রার্থীদের অভিযোগ-পালটা অভিযোগের মধ্যে ভোট গণনা ও ফল ঘোষণার দীর্ঘসূত্রিতা এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে কেবল প্রশ্নবিদ্ধ করতেই সহায়ক হলো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটে’র প্রার্থীরা বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। এই প্যানেল থেকেই ডাকসুতে সহসভাপতি (ভিপি) পদে সাদিক কায়েম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এস এম ফরহাদ হোসেন ও সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মো. মহিউদ্দীন খান নির্বাচিত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিনভর ডাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণের পর বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়।
ফলাফলে দেখা গেছে, ১৪ হাজার ৬২ ভোট নিয়ে ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন ছাত্রশিবিরের সাদিক কায়েম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল প্যানেলের আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৭১৮ ভোট।
এদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে শিবিরের প্রার্থী এস এম ফরহাদ নির্বাচিত হয়েছেন ১৩ হাজার ২৪৩ ভোট পেয়ে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিরোধ পর্ষদের মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ছয় হাজার ৯৬৪ ভোট।
আর এজিএস পদে শিবিরের প্রার্থী মো. মহিউদ্দীন খান ১১ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল প্যানেলের তানভীর আল হাদি মায়েদ পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৬৪ ভোট।
ডাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছিল মঙ্গলবার বিকেল ৪টায়। উৎসবের আবহে শুরু হওয়া ভোট বেলা গড়াতে গড়াতেই অভিযোগের ভোটে পরিণত হয়। বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা একে অন্যকে দোষারোপ করতে থাকেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তোলেন অনেক প্রার্থী।
বিকেলে ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবেই সংবাদ সম্মেলন ও ব্রিফিং করে ভোটে নানা অনিয়ম, কারচুপির অভিযোগ তুলতে থাকেন প্রার্থীরা। ছাত্রদল ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) সমর্থিত প্যানেল থেকে তীব্রভাবেই অনিয়ম-কারচুপির অভিযোগ তোলা হয়। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তীব্রভাবে নানা অভিযোগ জানানো হয়।
এদিকে ভোট হওয়ার পর ফলাফল প্রকাশ হওয়ার অপেক্ষা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতেই থাকে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, ভোট গণনার যন্ত্রে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিছুটা দেরি হয়েছে। মধ্যরাত নাগাদ ফলাফল ঘোষণার আশ্বাসও দেন তারা। তবে সে আশ্বাস আর আলোর মুখ দেখেনি।
ক্রমেই রাত পরিণত হয় মধ্যরাতে। রাত যত গভীর হয় অপেক্ষার প্রহর যেন আরও দীর্ঘতর হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ভোর পেরিয়ে চলে আসে সকালও। সেই আগের দিন যখন ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছিল, তার ঠিক কাছাকাছি সময়ে এসে অবশেষে পাওয়া গেল ডাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল।
এদিকে ফল ঘোষণার এই দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যে মধ্যরাত পেরিয়ে যাওয়ার পর যখন শিবির সমর্থিত প্যানেলের বিপুল ব্যবধানে ভূমিধস জয় যখন অনেকটাই নিশ্চিত, তখন প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আসে নির্বাচন প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা।
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভোট প্রত্যাখ্যান করেছেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ও স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা। বৈষম্যবিরোধী প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদেরও হেঁটেছেন একই পথে।
ছাত্রদলের প্যানেলের জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম অবশ্য স্ট্যাটাসে লিখেছেন, এই যদি হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটের রায়, সেটি তিনি মেনে নিলেন।
ভোটার তথা ঢাবি শিক্ষার্থীরা বলছেন, সকালে যে উৎসবমুখর আবহে শুরু হয়েছিল ডাকসু নির্বাচন, তা ছিল আশা জাগানিয়া। সবার জন্য অনুসরণীয় একটি ভোটই দেখতে পাচ্ছিলেন তারা। কিন্তু ‘মর্নিং শোজ দ্য ডেজ’ প্রবাদকে মিথ্যা করে ফলাফল ঘোষণার দিক থেকে এই নির্বাচন স্থাপন করেছে ভিন্নরকম নজির, যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত ছিল না।
ভোটারদের ভাষ্য, প্রার্থীদের অভিযোগ-পালটা অভিযোগের মধ্যে ভোট গণনা ও ফল ঘোষণার দীর্ঘসূত্রিতা এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে কেবল প্রশ্নবিদ্ধ করতেই সহায়ক হলো।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে