
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অভিযোগ করেছে, জামায়াতে ইসলামী ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বিভাজন, ঘৃণা ও সহিংসতার রাজনীতি উসকে দিচ্ছে। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গ্রহণ না করে জামায়াত পুরনো সহিংস ও আধিপত্যবাদী রাজনীতির পথে নতুন খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হতে চাইছে বলে জানিয়েছে দলটি।
সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের বিরুদ্ধে জামায়াতের দেওয়া বিবৃতির প্রতিবাদ জানিয়ে দলটি এ কথা বলেছে। দলের পক্ষে বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন এনসিপির মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন।
এনসিপি বলছে, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল আচরণ অপরিহার্য। এনসিপি জামায়াতকে সত্য, শান্তি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
এর আগে শনিবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের এখনো তফসিল ঘোষণা করা হয়নি। এর মধ্যে বিএনপি-জামায়াতের মতো দলগুলো অস্ত্রের মহড়ায় কে কার থেকে এগিয়ে যাবে, সেই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে।
এই বক্তব্য ‘অসত্য, মনগড়া ও উদ্দেশ্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে রবিবার জামায়াতের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, আখতার হোসেনের মতো একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার মুখে এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক, অযৌক্তিক ও সস্তা রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। আমরা আশা করি, তিনি তার ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন।...অসত্য বক্তব্য দিয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।
তবে জামায়াতের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করে এনসিপি বলছে, তাদের এই বিবৃতি বাস্তবতাবিবর্জিত, রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত এবং জনমত বিভ্রান্ত করার স্পষ্ট অপচেষ্টা। একইসঙ্গে এনসিপির সদস্যসচিব সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার প্রমাণনির্ভর যে মন্তব্য করেন, তা সম্পূর্ণ তথ্যসম্মত ও দায়িত্বশীল বলে জানায়।
এনসিপি জানিয়েছে, গত ২৭ নভেম্বর পাবনার ঈশ্বরদী থানায় নির্বাচনী প্রচার কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলি চালানো তুষার মণ্ডল যে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে এবং অস্ত্র-গুলিসহ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তাই স্পষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও বাস্তবতা অস্বীকার করা সত্য গোপন ও দায় এড়ানোর নিন্দনীয় অপচেষ্টা ছাড়া অন্য কিছু নয়।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অভিযোগ করেছে, জামায়াতে ইসলামী ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বিভাজন, ঘৃণা ও সহিংসতার রাজনীতি উসকে দিচ্ছে। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গ্রহণ না করে জামায়াত পুরনো সহিংস ও আধিপত্যবাদী রাজনীতির পথে নতুন খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হতে চাইছে বলে জানিয়েছে দলটি।
সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের বিরুদ্ধে জামায়াতের দেওয়া বিবৃতির প্রতিবাদ জানিয়ে দলটি এ কথা বলেছে। দলের পক্ষে বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন এনসিপির মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন।
এনসিপি বলছে, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল আচরণ অপরিহার্য। এনসিপি জামায়াতকে সত্য, শান্তি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
এর আগে শনিবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের এখনো তফসিল ঘোষণা করা হয়নি। এর মধ্যে বিএনপি-জামায়াতের মতো দলগুলো অস্ত্রের মহড়ায় কে কার থেকে এগিয়ে যাবে, সেই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে।
এই বক্তব্য ‘অসত্য, মনগড়া ও উদ্দেশ্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে রবিবার জামায়াতের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, আখতার হোসেনের মতো একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার মুখে এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক, অযৌক্তিক ও সস্তা রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। আমরা আশা করি, তিনি তার ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন।...অসত্য বক্তব্য দিয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।
তবে জামায়াতের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করে এনসিপি বলছে, তাদের এই বিবৃতি বাস্তবতাবিবর্জিত, রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত এবং জনমত বিভ্রান্ত করার স্পষ্ট অপচেষ্টা। একইসঙ্গে এনসিপির সদস্যসচিব সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার প্রমাণনির্ভর যে মন্তব্য করেন, তা সম্পূর্ণ তথ্যসম্মত ও দায়িত্বশীল বলে জানায়।
এনসিপি জানিয়েছে, গত ২৭ নভেম্বর পাবনার ঈশ্বরদী থানায় নির্বাচনী প্রচার কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলি চালানো তুষার মণ্ডল যে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে এবং অস্ত্র-গুলিসহ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তাই স্পষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও বাস্তবতা অস্বীকার করা সত্য গোপন ও দায় এড়ানোর নিন্দনীয় অপচেষ্টা ছাড়া অন্য কিছু নয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে আছে বিএনপি। ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে যে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা দল অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনি সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা সংবাদ সম্মেলন ডেকেও তা স্থগিত করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দল। তবে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করার কোনো কারণ জানায়নি জোটটি। এ সংক্রান্ত এক বার্তায় ‘অনিবার্য’ কারণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
স্বাধীনতা পূর্ববর্তী নির্বাচনসহ অতীতের কয়েকটি নির্বাচনের ফলাফল তুলে ধরে জামায়াতের বগুড়া সদরের আমীর আবিদুর রহমান বিবিসি বাংলার কাছে দাবি করেন, বগুড়া ছিল মূলত জামায়াতের আদি দুর্গ। এবারের নির্বাচনে তারা সেই দুর্গ ফেরত আনতে চায়।
৬ ঘণ্টা আগে