খামেনির নিহতের ঘটনায় জামায়াত আমিরের শোক

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

রোববার (১ মার্চ) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক শোকবার্তায় তিনি শোকসন্তপ্ত ইরানি জনগণের প্রতি সমবেদনা জানান এবং খামেনির রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।

একই সাথে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াত আমির।

তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি সামরিক উত্তেজনার দিকে গেলে তা পুরো অঞ্চলের জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে। পবিত্র রমজান মাসে যেকোনো ধরনের হামলা বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করবে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, কূটনৈতিক সমাধানের পথে এগিয়ে আসার জন্য জাতিসংঘ ও বিশ্বনেতাদের কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

Ad
Ad
ad
ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

বিএনপি সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।

১ দিন আগে

৮ দফা প্রয়োজনে এক দফায় পরিণত হবে: জামায়াত আমির

শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।

১ দিন আগে

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রয়েছে চীনের

নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।

২ দিন আগে

কোরআনের আলোকে সংবিধান রচনা হতে পারে, কোরআনকে সংবিধান মানা উচিত হবে না: আইনমন্ত্রী

বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে

২ দিন আগে
Advertisement