
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে সাত নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। ‘মুজিব প্রেমিক বাংলার নারীরা’ ব্যানার নিয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া বাকিরা পালিয়ে গেছেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে ধানমন্ডি ৩ নম্বর সড়কের দিকে মিছিলটি বের করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মিছিল থেকে সাতজনকে আটক করে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেসব নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নিয়েছেন তাদের একটি মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ওই মাইক্রোবাস জব্দ করে এর চালককেও আটক করেছে পুলিশ। পাশাপাশি মিছিলে ব্যবহৃত কয়েকটি প্ল্যাকার্ড জব্দ করা হয়।
পুলিশের ধানমন্ডি অঞ্চলের সিনিয়র সহকারী কমিশনার শাহ মুস্তফা তারিকুজ্জামান একটি গণমাধ্যমকে বলেন, মিছিলকারীরা ধানমন্ডি ৩ নম্বর রোড অতিক্রম করার সময় ধানমন্ডি মডেল থানার পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা মহিলা আওয়ামী লীগের সাত নেতাকর্মীকে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে সাত নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। ‘মুজিব প্রেমিক বাংলার নারীরা’ ব্যানার নিয়ে মিছিলে অংশ নেওয়া বাকিরা পালিয়ে গেছেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে ধানমন্ডি ৩ নম্বর সড়কের দিকে মিছিলটি বের করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মিছিল থেকে সাতজনকে আটক করে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেসব নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নিয়েছেন তাদের একটি মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ওই মাইক্রোবাস জব্দ করে এর চালককেও আটক করেছে পুলিশ। পাশাপাশি মিছিলে ব্যবহৃত কয়েকটি প্ল্যাকার্ড জব্দ করা হয়।
পুলিশের ধানমন্ডি অঞ্চলের সিনিয়র সহকারী কমিশনার শাহ মুস্তফা তারিকুজ্জামান একটি গণমাধ্যমকে বলেন, মিছিলকারীরা ধানমন্ডি ৩ নম্বর রোড অতিক্রম করার সময় ধানমন্ডি মডেল থানার পুলিশের টহল দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা মহিলা আওয়ামী লীগের সাত নেতাকর্মীকে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে