
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)।
দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় দলের নেতারা বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। তিনি এ দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছেন। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে শোক দিবস পালনে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তাকে ম্লান করা যাবে না।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৪টায় জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি শহিদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
পরে দলের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন উদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোহসীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর্জা মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, শ্রমিক জোটের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুজ্জামান বাদশা, জাতীয় যুব জোটের সভাপতি শরিফুল কবির স্বপন।
স্মরণ সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মম হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির ইতিহাস নয়, আধুনিক বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়।
বক্তারা জাসদের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও বাঙালি এক, অভিন্ন ও অবিচ্ছেদ্য সত্তা। বঙ্গবন্ধু কোনো দল বা গোষ্ঠী বা পরিবারের সম্পত্তি নন, সারা দেশের মানুষের সম্পদ। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটিও বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ছিল না, ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তারা বলেন, সেই ইতিহাস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে মুছে দেওয়া যাবে না। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দিয়ে তাকে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। ১৫ আগস্ট শোক দিবস পালনে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বাঙালির হৃদয়ের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার আসন থেকে বঙ্গবন্ধুকে ম্লান করা যাবে না।

গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)।
দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় দলের নেতারা বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। তিনি এ দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছেন। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে শোক দিবস পালনে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তাকে ম্লান করা যাবে না।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৪টায় জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি শহিদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
পরে দলের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন উদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোহসীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর্জা মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, শ্রমিক জোটের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুজ্জামান বাদশা, জাতীয় যুব জোটের সভাপতি শরিফুল কবির স্বপন।
স্মরণ সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মম হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির ইতিহাস নয়, আধুনিক বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়।
বক্তারা জাসদের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও বাঙালি এক, অভিন্ন ও অবিচ্ছেদ্য সত্তা। বঙ্গবন্ধু কোনো দল বা গোষ্ঠী বা পরিবারের সম্পত্তি নন, সারা দেশের মানুষের সম্পদ। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটিও বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ছিল না, ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তারা বলেন, সেই ইতিহাস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে মুছে দেওয়া যাবে না। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দিয়ে তাকে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। ১৫ আগস্ট শোক দিবস পালনে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বাঙালির হৃদয়ের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার আসন থেকে বঙ্গবন্ধুকে ম্লান করা যাবে না।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে