
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার ও সরকারি দলের একতরফা ভাগবাটোয়ারার ডামি নির্বাচন বর্জন করে সরকারের প্রতি গণঅনাস্থা প্রকাশ করায় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার ও সরকারি দলের ভোট ভোট খেলা প্রত্যাখ্যান ও বর্জন করে দেশের মানুষ সরকার না বলে দিয়েছে, আর একবার সরকারকে লালকার্ড দেখিয়ে দিয়েছে।
সাইফুল হক বলেন, বিরোধী দলগুলোর ডাকে ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে মানুষ আরও একবার তাদের অহিংস প্রতিবাদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। আজকের ভোটের প্রতি গণঅনাস্থা দেখিয়ে একটি শ্বাসরুদ্ধকর ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ তাদের পুঞ্জিভূত ক্ষোভেরও বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।
তিনি বলেন, আজ মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে যে, সরকারি দল ও তার মানসম্মানহীন মিত্রদের মধ্যে নির্বাচন নির্বাচন খেলায় দেশ ও জনগণের কোনো স্বার্থ নেই।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, অবাধ নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের গণদাবিকে অস্বীকার করে বিরোধী দলবিহীন আর একটি ব্যর্থ, অকার্যকর ও নির্বাচনী তামাশায় জনগণের আগ্রহ ও অংশ নেবারও যে কোনো কারণ নেই আজ তাও পরিষ্কার হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের নামে এই গণতামাশা ভোটারদের প্রতি যে চরম অবমাননার সামিল, আজ ভোটারেরা তার জবাব দিয়েছে।
সাইফুল হক বলেন, সরকারের রাজনৈতিক পরাজয় এই যে, ভোটপ্রদানে অনিচ্ছুক ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আনতে গোটা রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও সরকারি দল থেকে থেকে চাপ, হুমকি, প্রলোভন সত্বেও ভোটারদেরকে তারা ভোট কেন্দ্রে আনতে পারেনি।
তিনি বলেন, আজকের এই গণ অনাস্থার পর কথিত নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করে দেশে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনকে, সরকারের অবৈধ ও অনৈতিক ক্ষমতা আরও প্রলম্বিত করার কোনো অবকাশ নেই।
অনতিবিলম্বে কথিত ভোটের এই ফলাফল বাতিল করে সরকারের পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সরকার ও সরকারি দলের একতরফা ভাগবাটোয়ারার ডামি নির্বাচন বর্জন করে সরকারের প্রতি গণঅনাস্থা প্রকাশ করায় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার ও সরকারি দলের ভোট ভোট খেলা প্রত্যাখ্যান ও বর্জন করে দেশের মানুষ সরকার না বলে দিয়েছে, আর একবার সরকারকে লালকার্ড দেখিয়ে দিয়েছে।
সাইফুল হক বলেন, বিরোধী দলগুলোর ডাকে ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে মানুষ আরও একবার তাদের অহিংস প্রতিবাদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। আজকের ভোটের প্রতি গণঅনাস্থা দেখিয়ে একটি শ্বাসরুদ্ধকর ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ তাদের পুঞ্জিভূত ক্ষোভেরও বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।
তিনি বলেন, আজ মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে যে, সরকারি দল ও তার মানসম্মানহীন মিত্রদের মধ্যে নির্বাচন নির্বাচন খেলায় দেশ ও জনগণের কোনো স্বার্থ নেই।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, অবাধ নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের গণদাবিকে অস্বীকার করে বিরোধী দলবিহীন আর একটি ব্যর্থ, অকার্যকর ও নির্বাচনী তামাশায় জনগণের আগ্রহ ও অংশ নেবারও যে কোনো কারণ নেই আজ তাও পরিষ্কার হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের নামে এই গণতামাশা ভোটারদের প্রতি যে চরম অবমাননার সামিল, আজ ভোটারেরা তার জবাব দিয়েছে।
সাইফুল হক বলেন, সরকারের রাজনৈতিক পরাজয় এই যে, ভোটপ্রদানে অনিচ্ছুক ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আনতে গোটা রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও সরকারি দল থেকে থেকে চাপ, হুমকি, প্রলোভন সত্বেও ভোটারদেরকে তারা ভোট কেন্দ্রে আনতে পারেনি।
তিনি বলেন, আজকের এই গণ অনাস্থার পর কথিত নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করে দেশে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনকে, সরকারের অবৈধ ও অনৈতিক ক্ষমতা আরও প্রলম্বিত করার কোনো অবকাশ নেই।
অনতিবিলম্বে কথিত ভোটের এই ফলাফল বাতিল করে সরকারের পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৩ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৩ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে