
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দাম সমন্বয়ের নামে সরকার বাস্তবে জনগণের চোখে ধুলো দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
আজ শনিবার বিকেলে সেগুনবাগিচায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকা মহানগর কমিটির সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সাইফুল হক বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত বেশ কিছুদিন ধরে যে হারে কমছে তাতে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের দাম কমপক্ষে লিটার প্রতি ১০ টাকা থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে আনার কথা। কিন্তু সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সেপথে হাটছে না।
তিনি বলেন, সরকারের অতিরিক্ত মুনাফা করার কারণেই দাম অনেক কমিয়ে আনার সুযোগ থাকলেও তা তারা করছে না। দাম সমন্বয়ের কথা বলে আসলে জনগণের সঙ্গে তারা ধোকাবাজি করছে। আর এ কারণে জনগণকে জ্বালানির ক্ষেত্রেও অসহনীয় বাডতি টাকা গুনতে হচ্ছে।
তিনি রোজায় মানুষকে স্বস্তি দিতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কার্যকরি পদক্ষেপ নিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।
পার্টির মহানগর কমিটির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, মহানগর কমিটির সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, কমিটির সদস্য মীর রেজাউল আলম, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, জোনায়েদ হোসেন, ওসমান আলী, জামাল সিকদার ও নান্টু দাস প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দাম সমন্বয়ের নামে সরকার বাস্তবে জনগণের চোখে ধুলো দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
আজ শনিবার বিকেলে সেগুনবাগিচায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকা মহানগর কমিটির সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সাইফুল হক বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত বেশ কিছুদিন ধরে যে হারে কমছে তাতে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের দাম কমপক্ষে লিটার প্রতি ১০ টাকা থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে আনার কথা। কিন্তু সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সেপথে হাটছে না।
তিনি বলেন, সরকারের অতিরিক্ত মুনাফা করার কারণেই দাম অনেক কমিয়ে আনার সুযোগ থাকলেও তা তারা করছে না। দাম সমন্বয়ের কথা বলে আসলে জনগণের সঙ্গে তারা ধোকাবাজি করছে। আর এ কারণে জনগণকে জ্বালানির ক্ষেত্রেও অসহনীয় বাডতি টাকা গুনতে হচ্ছে।
তিনি রোজায় মানুষকে স্বস্তি দিতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কার্যকরি পদক্ষেপ নিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।
পার্টির মহানগর কমিটির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, মহানগর কমিটির সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, কমিটির সদস্য মীর রেজাউল আলম, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, জোনায়েদ হোসেন, ওসমান আলী, জামাল সিকদার ও নান্টু দাস প্রমুখ।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে