
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে যখন একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটে চলেছে, তখন এসব ঘটনা ঠেকাতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর অঙ্গীকার করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়াস চালানোর পাশাপাশি ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিভায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। সবাইকে এ বিষয়ে ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
দেশে প্রতিনিয়তই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে চলেছে। গত এপ্রিল মাসেও ৩২টি কন্যাশিশু ও ২৬ জন নারীসহ মোট ৫৮ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে মহিলা পরিষদ। এর মধ্যে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৯ জন নারী ও আট কন্যাশিশু। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন দুই নারী ও এক কন্যাশিশু।
আরেক মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে গড়ে প্রতি মাসে ৭৬ জনের বেশি শিশু ধর্ষণসহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
এসব তথ্য-পরিসংখ্যানের মধ্যেই গত এক সপ্তাহ অন্তত পাঁচটি ঘটনা দেশব্যাপী আলোড়ন ফেলেছে। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীতে পাশের ফ্ল্যাট থেকে আট বছর বয়সী রামিসা আক্তারের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়, পাশে এক বালতিতে ছিল তার মাথা। রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। জানিয়েছেন, শিশুটিকে হত্যা করতে সহযোগিতা করেছেন তার স্ত্রী।
এর আগে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামে চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করে মরদেহ ব্যাগে ভরে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। গত শুক্রবার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ফাহিমার প্রতিবেশী ও সম্পর্কে চাচা জাকির হোসেনকে।
গত বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ধর্মগড় ইউনিয়নের আনসারডাঙ্গী গ্রামের এক ভুট্টা খেত থেকে উদ্ধার করা হয় চার বছর বয়সী শিশু লামিয়ার মরদেহ। তাকেও ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এক কিশোর, সেও একই গ্রামের বাসিন্দা।
এদিকে গত শনিবার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে নিজ ঘরের খাটের ওপর পাওয়া যায় ১০ বছর বয়সী শিশু আছিয়ার মরদেহ। তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎ মামা রাজা মিয়ার বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরেই রাজা মিয়া ওই পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করেছে।
অন্যদিকে বুধবার ভোরে রাজধানীর রামপুরা বনশ্রী এলাকার একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মো. আব্দুল্লাহ নামে নিহত ওই শিশুর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। তবে পুলিশের প্রাথমিক সুরতহালে শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের স্পষ্ট আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে ওই মাদরাসারই আরেক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
একের পর এক ধর্ষণ ও শিশু হত্যার এসব ঘটনায় জনমনে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনলাইনে সোচ্চার হয়েছেন নেটিজেনরা। দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীসহ নাগরিক সমাজও বিক্ষোভ করছে। অপরাধীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি উঠেছে দেশ জুড়ে।
এমন পরিস্থিতিতেই এসেছে মির্জা ফখরুলের ফেসবুক পোস্ট। ধর্ষণকে নৈতিক অবক্ষয় ও মানবিক মূল্যবোধের পতনের প্রতিফলন উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা ও মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রতিফলন।’
এ মহামারি ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করে ক্ষমতাসীন দলের এই মহাসচিব লিখেছেন, ‘আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ, এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব এবং ইনশাআল্লাহ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করব, যেখানে আমাদের সন্তানরা ভয়হীনভাবে বেড়ে উঠতে পারবে।’
তবে কেবল আইন বা সরকারের উদ্যোগকেই এ অপরাধ ঠেকাতে যথেষ্ট মনে করেন না মির্জা ফখরুল। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘প্রয়োজন একটি শক্তিশালী জাতীয় সামাজিক আন্দোলন। পরিবার, বিদ্যালয়, মাদরাসা, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, গণমাধ্যম, সামাজিক সংগঠন ও প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।’
সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি সরকারের এই মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েদের সম্মান, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও নারীর মর্যাদা সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে। আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করা। আসুন, পরিবর্তনের এই সংগ্রামে সবাই একসঙ্গে শামিল হই।’

দেশে যখন একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটে চলেছে, তখন এসব ঘটনা ঠেকাতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর অঙ্গীকার করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়াস চালানোর পাশাপাশি ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিভায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। সবাইকে এ বিষয়ে ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
দেশে প্রতিনিয়তই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে চলেছে। গত এপ্রিল মাসেও ৩২টি কন্যাশিশু ও ২৬ জন নারীসহ মোট ৫৮ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে মহিলা পরিষদ। এর মধ্যে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৯ জন নারী ও আট কন্যাশিশু। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন দুই নারী ও এক কন্যাশিশু।
আরেক মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে গড়ে প্রতি মাসে ৭৬ জনের বেশি শিশু ধর্ষণসহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
এসব তথ্য-পরিসংখ্যানের মধ্যেই গত এক সপ্তাহ অন্তত পাঁচটি ঘটনা দেশব্যাপী আলোড়ন ফেলেছে। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীতে পাশের ফ্ল্যাট থেকে আট বছর বয়সী রামিসা আক্তারের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়, পাশে এক বালতিতে ছিল তার মাথা। রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। জানিয়েছেন, শিশুটিকে হত্যা করতে সহযোগিতা করেছেন তার স্ত্রী।
এর আগে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামে চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করে মরদেহ ব্যাগে ভরে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। গত শুক্রবার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ফাহিমার প্রতিবেশী ও সম্পর্কে চাচা জাকির হোসেনকে।
গত বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ধর্মগড় ইউনিয়নের আনসারডাঙ্গী গ্রামের এক ভুট্টা খেত থেকে উদ্ধার করা হয় চার বছর বয়সী শিশু লামিয়ার মরদেহ। তাকেও ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এক কিশোর, সেও একই গ্রামের বাসিন্দা।
এদিকে গত শনিবার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে নিজ ঘরের খাটের ওপর পাওয়া যায় ১০ বছর বয়সী শিশু আছিয়ার মরদেহ। তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎ মামা রাজা মিয়ার বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরেই রাজা মিয়া ওই পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করেছে।
অন্যদিকে বুধবার ভোরে রাজধানীর রামপুরা বনশ্রী এলাকার একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মো. আব্দুল্লাহ নামে নিহত ওই শিশুর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। তবে পুলিশের প্রাথমিক সুরতহালে শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের স্পষ্ট আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে ওই মাদরাসারই আরেক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
একের পর এক ধর্ষণ ও শিশু হত্যার এসব ঘটনায় জনমনে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনলাইনে সোচ্চার হয়েছেন নেটিজেনরা। দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীসহ নাগরিক সমাজও বিক্ষোভ করছে। অপরাধীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি উঠেছে দেশ জুড়ে।
এমন পরিস্থিতিতেই এসেছে মির্জা ফখরুলের ফেসবুক পোস্ট। ধর্ষণকে নৈতিক অবক্ষয় ও মানবিক মূল্যবোধের পতনের প্রতিফলন উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা ও মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রতিফলন।’
এ মহামারি ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করে ক্ষমতাসীন দলের এই মহাসচিব লিখেছেন, ‘আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ, এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব এবং ইনশাআল্লাহ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করব, যেখানে আমাদের সন্তানরা ভয়হীনভাবে বেড়ে উঠতে পারবে।’
তবে কেবল আইন বা সরকারের উদ্যোগকেই এ অপরাধ ঠেকাতে যথেষ্ট মনে করেন না মির্জা ফখরুল। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘প্রয়োজন একটি শক্তিশালী জাতীয় সামাজিক আন্দোলন। পরিবার, বিদ্যালয়, মাদরাসা, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, গণমাধ্যম, সামাজিক সংগঠন ও প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।’
সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি সরকারের এই মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ছেলেমেয়েদের সম্মান, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও নারীর মর্যাদা সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে। আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করা। আসুন, পরিবর্তনের এই সংগ্রামে সবাই একসঙ্গে শামিল হই।’

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে