
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি নেতারা হতাশ বা ক্লান্ত নয়, তারা কেউ দেশ ছেড়েও যাচ্ছে না। কিন্তু দেশ ছেড়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতারা ও তাদের স্বজনরা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেবরা হতাশা থেকে শ্রাবণের বৃষ্টির ধারার মতো অনর্গল মিথ্যা কথা বলছেন।
শত নিপীড়নেও বিএনপি নেতারা রাজপথে আছে এবং সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকবে জানিয়ে দলের জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
সারাদেশে চলমান তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ নগরীর পথচারীদের মাঝে ঢাকা মহানগর উত্তরের বাড্ডা বিএনপি’র পক্ষ থেকে খাবার পানি, স্যালাইন বিতরণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির সিনিয়র নেতা রিজভী আরও বলেন, বেসিক ব্যাংকসহ ব্যাংক লুট করে, হলমার্ক কেলঙ্কোরি করে, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার নির্মাণের নামে টাকা লুটপাট করে সে টাকা তারা বিদেশে পাচার করেছে। তারা মালয়েশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ায় সেকেন্ড হোম তৈরি করে তাদের স্ত্রী-সন্তানদের, আত্মীয়স্বজনদের সেখানে পাঠিয়ে দিচ্ছে।
তিনি বলেন আমরা তো আছি জেলে আসা যাওয়ার মধ্যে। শত নিপীড়নেও রাজপথে কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছি। আমরা কোনো জুলুম নির্যাতনের কাছে মাথানত করবো না।
রিজভী আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগ শ্রমিকদের কল্যাণে কিছুই করেনি। বরং শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য দাবিতে, বেতনের দাবিতে, বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করতে গেলে ৪ জন শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শ্রমিক নেতা আমিনুল হককে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে।
তিনি বলেন, রানা প্লাজায় প্রায় হাজারো শ্রমিক হতাহত হলো, তাজরিন গার্মেন্টে ১০০ শ্রমকি প্রাণ হারালো। সেগুলো মানুষ ভুলে যায়নি।
দেশে ভয়াবহ দুর্বিসহ অবস্থা চলছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, আজ একমাসের মতো দেশে খড়া চলছে, অগ্নিপ্রবাহ চলছে, নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। কিন্তু শ্রমজীবী মানুষকে বাঁচানোর জন্য সরকার কিছুই করেনি।
তিনি আরও বলেন, এগুলো হলো চেইন রিএকশন। তিনি বলে শহীদ জিয়া খাল খনন, নদী খনন, বৃক্ষরোপণ, সেচ ব্যবস্থাসহ যেসব কল্যাণমূলক কাজ করেছিলো, সেগুলো সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁওয়ে মানুষ সেচের জন্য পানি পাচ্ছে না। সবকিছুর জন্য ডামি সরকারই দায়ী।
আমিনুল হক বলেন, শহীদ জিয়ার কর্মসুচি ছিল খাল খনন কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিসহ কল্যাণমূলক কর্মসূচি যদি বাস্তবায়ন হতো তাহলে আজকের পরিস্থিতি হতো না। আজকে বাংলাদেশের মানুষ সে দূর্বিসহ জীবন যাপন করছে সেদিকে আওয়ামী সরকারের কোনো খেয়াল নেই। কারণ তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। তারা বিদেশি প্রভূদের দয়ায় ক্ষমতায় রয়েছে।
বিএনপি নেতা বরকত আলীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, দলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, মহানগর বিএনপির নেতা ভিপি শামসুল হক, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি নেতারা হতাশ বা ক্লান্ত নয়, তারা কেউ দেশ ছেড়েও যাচ্ছে না। কিন্তু দেশ ছেড়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতারা ও তাদের স্বজনরা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেবরা হতাশা থেকে শ্রাবণের বৃষ্টির ধারার মতো অনর্গল মিথ্যা কথা বলছেন।
শত নিপীড়নেও বিএনপি নেতারা রাজপথে আছে এবং সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকবে জানিয়ে দলের জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
সারাদেশে চলমান তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ নগরীর পথচারীদের মাঝে ঢাকা মহানগর উত্তরের বাড্ডা বিএনপি’র পক্ষ থেকে খাবার পানি, স্যালাইন বিতরণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির সিনিয়র নেতা রিজভী আরও বলেন, বেসিক ব্যাংকসহ ব্যাংক লুট করে, হলমার্ক কেলঙ্কোরি করে, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার নির্মাণের নামে টাকা লুটপাট করে সে টাকা তারা বিদেশে পাচার করেছে। তারা মালয়েশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ায় সেকেন্ড হোম তৈরি করে তাদের স্ত্রী-সন্তানদের, আত্মীয়স্বজনদের সেখানে পাঠিয়ে দিচ্ছে।
তিনি বলেন আমরা তো আছি জেলে আসা যাওয়ার মধ্যে। শত নিপীড়নেও রাজপথে কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছি। আমরা কোনো জুলুম নির্যাতনের কাছে মাথানত করবো না।
রিজভী আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগ শ্রমিকদের কল্যাণে কিছুই করেনি। বরং শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য দাবিতে, বেতনের দাবিতে, বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করতে গেলে ৪ জন শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শ্রমিক নেতা আমিনুল হককে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে।
তিনি বলেন, রানা প্লাজায় প্রায় হাজারো শ্রমিক হতাহত হলো, তাজরিন গার্মেন্টে ১০০ শ্রমকি প্রাণ হারালো। সেগুলো মানুষ ভুলে যায়নি।
দেশে ভয়াবহ দুর্বিসহ অবস্থা চলছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, আজ একমাসের মতো দেশে খড়া চলছে, অগ্নিপ্রবাহ চলছে, নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। কিন্তু শ্রমজীবী মানুষকে বাঁচানোর জন্য সরকার কিছুই করেনি।
তিনি আরও বলেন, এগুলো হলো চেইন রিএকশন। তিনি বলে শহীদ জিয়া খাল খনন, নদী খনন, বৃক্ষরোপণ, সেচ ব্যবস্থাসহ যেসব কল্যাণমূলক কাজ করেছিলো, সেগুলো সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁওয়ে মানুষ সেচের জন্য পানি পাচ্ছে না। সবকিছুর জন্য ডামি সরকারই দায়ী।
আমিনুল হক বলেন, শহীদ জিয়ার কর্মসুচি ছিল খাল খনন কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিসহ কল্যাণমূলক কর্মসূচি যদি বাস্তবায়ন হতো তাহলে আজকের পরিস্থিতি হতো না। আজকে বাংলাদেশের মানুষ সে দূর্বিসহ জীবন যাপন করছে সেদিকে আওয়ামী সরকারের কোনো খেয়াল নেই। কারণ তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। তারা বিদেশি প্রভূদের দয়ায় ক্ষমতায় রয়েছে।
বিএনপি নেতা বরকত আলীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, দলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, মহানগর বিএনপির নেতা ভিপি শামসুল হক, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হতে পারে।
১৬ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দলীয় তদন্ত পরিচালনা করা হয়। সেই তদন্তে তাঁর নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘ব্যবসায় সফলতার জন্য সরকারের ব্যবসায়ী নীতিও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, একই সঙ্গে সামর্থ্যও আছে। বাংলাদেশে নিরাপদ বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। ট্যাক্স, ভ্যাট প্রক্রিয়া সহজ করে বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করার দিকে জোর দিয়েছি। বাংলাদেশ টেকসই ও স্থায়ী বিদেশী বিনিয়োগ চায়, আমরা এক
২ দিন আগে