
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে দুই দপ্তরে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জামায়াত সূত্রে জানা গেছে। চিঠিতে গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসিকে বলা হয়েছে।
জামায়াতের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দলীয় তদন্ত পরিচালনা করা হয়। সেই তদন্তে তার নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, গতকাল ২২ জুলাই বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এ বিষয়ে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আজ বিকেলে বলেন, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নির্বাচন কমিশন ও জাতীয় সংসদের স্পিকারকে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, গতকাল জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে ইসি ও স্পিকারকে চিঠি পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে অবহিত করতে আজ চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তারাই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজী নজরুল ইসলামের 'ব্যক্তিগত' মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দলটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। খুলনা অঞ্চলের পরিচালক ইজ্জত উল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত ওই কমিটি গাজী নজরুল, তার দুই স্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ করে।
দলীয় সূত্রের দাবি, তদন্তে বিয়ের আগে সংশ্লিষ্ট নারীর সঙ্গে তার একাধিকবার সাক্ষাতের তথ্য পাওয়া গেছে, যা দল ‘পর্দা লঙ্ঘন’ হিসেবে বিবেচনা করেছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তারা মনে করে।
ভিডিও প্রকাশের পর গাজী নজরুল ইসলাম ফেসবুকে দাবি করেছিলেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়েছে। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতেই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে দুই দপ্তরে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জামায়াত সূত্রে জানা গেছে। চিঠিতে গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসিকে বলা হয়েছে।
জামায়াতের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দলীয় তদন্ত পরিচালনা করা হয়। সেই তদন্তে তার নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, গতকাল ২২ জুলাই বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এ বিষয়ে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আজ বিকেলে বলেন, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নির্বাচন কমিশন ও জাতীয় সংসদের স্পিকারকে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, গতকাল জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে ইসি ও স্পিকারকে চিঠি পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে অবহিত করতে আজ চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তারাই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজী নজরুল ইসলামের 'ব্যক্তিগত' মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দলটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। খুলনা অঞ্চলের পরিচালক ইজ্জত উল্লাহর নেতৃত্বে গঠিত ওই কমিটি গাজী নজরুল, তার দুই স্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ করে।
দলীয় সূত্রের দাবি, তদন্তে বিয়ের আগে সংশ্লিষ্ট নারীর সঙ্গে তার একাধিকবার সাক্ষাতের তথ্য পাওয়া গেছে, যা দল ‘পর্দা লঙ্ঘন’ হিসেবে বিবেচনা করেছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তারা মনে করে।
ভিডিও প্রকাশের পর গাজী নজরুল ইসলাম ফেসবুকে দাবি করেছিলেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়েছে। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতেই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে