
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গোটা বাংলাদেশ এখন কাঁটাতারের বেড়ায় আটকে আছে। বাংলাদেশ এখন উম্মুক্ত নয়। উম্মুক্ত কারাগারে পরিণত হয়েছে। যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে, দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে চায়, বাকস্বাধীনতা ফেরাতে চায় তাদের জায়গা হচ্ছে কারাগারে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ভয় থেকেই তাদের গ্রেফতার করাচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, যারা চুরি করে, সন্ত্রাসী করে এবং যারা মানুষ খুন করে তারা সবাই সরকারের লোক, মন্ত্রী এমপি বা দলের নেতাদের আত্মীয় স্বজন। দেশে সামাজিক অনাচার যারা করছে তারা ক্ষমতাসীন দলেরই লোক। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যারা কোটি কোটি ডলার চুরি করছে তাদের পুলিশ ধরতে পারছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরির তদন্তের ঘটনা ৭৮ বার পিছিয়েছে। সাগর রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন ১০৯ বার পিছিয়েছে। অথচ ইশরাকের মতো তরুণ, যে বিদেশ থেকে লেখাপড়া করে তার বাবার মতো মানুষের সেবা করতে রাজনীতি করছে তাকে বিনা অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আজকে শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারানোর ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত। মিছিলের আওয়াজ শুনলেই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করায়। আজকে আতঙ্ক থেকেই নিরব, টুকু, আবু আসফাকসহ নেতাকর্মীদের কারাগারে বন্দী করে রেখেছে।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ছোট ছোট বালুকনা দিয়ে যেমন মহাদেশ তৈরি হয়, তেমনি অচিরেই আমাদের আন্দোলন থেকে প্লাবন তৈরি হবে। এ সরকারকে বিদায় করে নেতাকর্মীদের মুক্ত করতে পারব ইনশাল্লাহ।
মিছিলে আরও অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মহানগরের আহবায়ক আব্দুস সালাম, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, মহানগরের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, যুবদল নেতা মেহেবুব মাসুম শান্ত, ওমর ফারুক কায়সার, ডা. আউয়ালসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গোটা বাংলাদেশ এখন কাঁটাতারের বেড়ায় আটকে আছে। বাংলাদেশ এখন উম্মুক্ত নয়। উম্মুক্ত কারাগারে পরিণত হয়েছে। যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে, দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে চায়, বাকস্বাধীনতা ফেরাতে চায় তাদের জায়গা হচ্ছে কারাগারে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ভয় থেকেই তাদের গ্রেফতার করাচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, যারা চুরি করে, সন্ত্রাসী করে এবং যারা মানুষ খুন করে তারা সবাই সরকারের লোক, মন্ত্রী এমপি বা দলের নেতাদের আত্মীয় স্বজন। দেশে সামাজিক অনাচার যারা করছে তারা ক্ষমতাসীন দলেরই লোক। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যারা কোটি কোটি ডলার চুরি করছে তাদের পুলিশ ধরতে পারছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরির তদন্তের ঘটনা ৭৮ বার পিছিয়েছে। সাগর রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন ১০৯ বার পিছিয়েছে। অথচ ইশরাকের মতো তরুণ, যে বিদেশ থেকে লেখাপড়া করে তার বাবার মতো মানুষের সেবা করতে রাজনীতি করছে তাকে বিনা অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আজকে শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারানোর ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত। মিছিলের আওয়াজ শুনলেই নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করায়। আজকে আতঙ্ক থেকেই নিরব, টুকু, আবু আসফাকসহ নেতাকর্মীদের কারাগারে বন্দী করে রেখেছে।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ছোট ছোট বালুকনা দিয়ে যেমন মহাদেশ তৈরি হয়, তেমনি অচিরেই আমাদের আন্দোলন থেকে প্লাবন তৈরি হবে। এ সরকারকে বিদায় করে নেতাকর্মীদের মুক্ত করতে পারব ইনশাল্লাহ।
মিছিলে আরও অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মহানগরের আহবায়ক আব্দুস সালাম, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, মহানগরের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, যুবদল নেতা মেহেবুব মাসুম শান্ত, ওমর ফারুক কায়সার, ডা. আউয়ালসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে